আজ ২১শে মার্চ শনিবার, সকাল ৬:৩০ থেকে শুরু হয়ে গেছে বৃষ্টির মধ্যে বিভিন্ন মসজিদে পবিত্র ঈদের উৎসব ও নামাজ। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মসজিদে উপস্থিত ছিলেন সায়ন্তিকা ব্যানার্জি সহ অন্যান্য নেতা ও মন্ত্রীরা। তাহাদের তরফ থেকে সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানালেন, সকলের শান্তি কামনা করলেন।
আজকের এই ঈদের উৎসব ঘিরে বিভিন্ন মসজিদের ছিল কড়া নিরাপত্তা, শাসনের তরফ থেকে ছিল সতর্ক দৃষ্টি ও নজর। হাতি কোথাও কোনোভাবে দুর্ঘটনা বা গন্ডগোলের সৃষ্টি না হয়, শান্তিপূর্ণভাবে বাইজাতে নামাজ পড়ে ঈদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা ভাগ করে নিতে পারে, বেশ কিছু জায়গায় যান চলাচল ঘুরিয়ে দেয়া হয়।। এই নামাজ শুরু হয় সকাল ৬: ৩০ টা থেকে সাড়ে নটা পর্যন্ত।
কলকাতার বেশ কিছু মসজিদ এরমধ্যে নামাজের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
মেটিয়াবুরুজ আহলে হাদিস ঈদ কমিটি।
নাখোদা মসজিদ, ষোলআনা মসজিদ একবালপুর, ঘড়ি ঘর মাদ্রাসা, মেটিয়াবুরুজ পিলখানা ঈদেগাহ, পার্ক সার্কাস চার নম্বর ব্রিজ প্রথম জামাত, লেলিন সরণি টিপু সুলতান মসজিদ, তপসিয়া মিল্লাত নগর মসজিদ, বেলগাছিয়া ব্রিজ , খান মসজিদ, শামীম তারা মসজিদ, ওস্তাগার মসজিদ, নারকেলডাঙ্গা ব্রিজ, রেড রোড, সল্টলেক বিডি কলোনি এম মসজিদ, এমডিনা মসজিদ, রাজাবাজার মোড়, বেনিয়াপুকুর লেডিস পার্ক, লেক মসজিদ, জামে মসজিদ, হযরত বিলাল মসজিদ, সুলতান মসজিদ, বু আলী মসজিদ , এন্টালি পদ্মপুকুর পার্ক ,মির্জা বাগান রেল কোয়াটার সহ অন্যান্য মসজিদ।
রাত থেকে প্রচন্ড বৃষ্টি হলেও এতোটুকু উৎসবে ভাটা পড়েনি, সকাল থেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা নতুন জামা কাপড় পড়ে মসজিদে মসজিদে নামাজের জন্য জমায়েত হয়েছেন, একটি মাস তাহারা ইফতার করার পর আজ উৎসবই মেতে উঠলেন। ঘরে ঘরে আত্মীয়-স্বজনের ভিড়, এমনকি মসজিদের সামনে প্যান্ডেল করে অনুষ্ঠানের আয়োজন, আর মোদির নেতা-নেত্রীদের আনাগোনা মসজিদে মসজিদে। সব মিলিয়ে একটা আলাদা উৎসবে পরিণত হয়, এই উৎসবকে ঘিরে কোথাও কোথাও নো এন্ট্রি করে দেন রাস্তাগুলি, আসগুলিকে বিভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে স্লিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে এবং ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্যে চলে শুভেচ্ছা বিনিময়। দেশ ও জাতি শান্তি এবং কল্যাণ কামনা করেন, উৎসব ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উৎসব, ঈদ মানুষের মাঝে সম্প্রীতি মানবিকতা ও পারস্পরিক ভালবাসার মেলবন্ধন ও বার্তা ঘটায়। সমাজের সকল মানুষ যেন সমানভাবে ইন্দ্রের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন এই কামনা রাখেন। যদিও সকাল থেকে বৃষ্টিতে কিছুটা প্ল্যান করে দিলেও আনন্দ এতটুকু থামেনি কারোর,
অন্যদিকে নেতা-নেত্রীরা বলেন, আজকের উৎসব যেন মুখরিত হয়ে ওঠে বইয়ের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায়, দাঙ্গা নয় শান্তির বার্তা বয়ে যাক।
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ