চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকায় ঢাকাগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ঘটনার পর এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এদিকে বিকল্প রুট ব্যবহার করে ঢাকার সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ সকাল পৌনে ৬টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম অঞ্চলের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাদের কুমিরা স্টেশনের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। পরে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার ও পরবর্তীতে তার সঙ্গে লাগোয়া শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি বগিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
রেলওয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, আগুন লাগছে মূলত পাওয়ার কারে। সেখান থেকে আরেকটা বগিতে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু তার আগে ওই বগিতে লোকজন বের হয়ে পড়ে এবং লাগেজগুলোও বের করে ফেলা হয়। আগুনে কেউ হতাহত হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলো আলাদা করে ফেলা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে পাওয়ার কার পাঠানো হয়েছে। এটি জোড়া লাগিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে ভাটিয়ারী স্টেশনে নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী লেনে ট্রেন চলাচল কিছুটা ব্যাহত হয়। তবে কোনো ট্রেনের শিডউইল বাতিল হয়নি। বিকল্প রুট ব্যবহার করে ঢাকার সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন ও দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটি সরিয়ে নিতে কাজ চলছে।
রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।