ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একইভাবে দেশটির নৌ উৎপাদন ব্যবস্থারও বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বুধবার এক ভিডিও বার্তায় এ তথ্য জানান সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। তিনি বলেন, ইরানের নৌবাহিনীর বড় জাহাজগুলোর ৯২ শতাংশই ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ওয়াশিংটন থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
তার ভাষায়, ‘এখন তারা কার্যকরভাবে আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক পর্যায়ে নৌ শক্তি প্রদর্শনের সক্ষমতা হারিয়েছে।’
যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসরাইলকে সঙ্গে নিয়ে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র পরিকল্পনা অনুযায়ী বা তার চেয়েও এগিয়ে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌ উৎপাদন স্থাপনার দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আমরা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করেছি। অভিযান এখনও চলছে।’
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ১০ সহস্রাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান প্রায় প্রতিদিনই উপসাগরীয় বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।
তবে কুপার দাবি করেন, ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হার ৯০ শতাংশ কমে গেছে। তিনি বলেন, ‘পুনর্গঠনের সক্ষমতাও আমরা ভেঙে দিয়েছি।’
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বুধবার জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই তাদের। লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তেই অটল রয়েছে তেহরান।
এর আগে হোয়াইট হাউস জানায়, আলোচনা চলছে।