নিজস্ব প্রতিবেদক
বদলগাছী উপজেলার অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ কিছু কথিপয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে বারবার উঠছে। অভিযোগ রয়েছে, তারা বিভিন্ন সরকারি দপ্তর—বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসনের ওপর অযাচিত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। ব্যক্তিস্বার্থ অনুযায়ী কাজ না হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেন। এছাড়া, অবৈধ আর্থিক সুবিধা আদায়, দাপ্তরিক কাজে হস্তক্ষেপ এবং প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেওয়ার মতো গুরুতর কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে।
ইতোপূর্বে বদলগাছী থানার এএসআই ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও সরিয়ে ফেলা হয়, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করে।
এদিকে বর্তমান বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও পেশাদার কর্মকর্তা হিসেবে ইতোমধ্যেই এলাকায় সুনাম অর্জন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, পূর্বে উক্ত সাংবাদিকরা নিয়মিতভাবে থানায় অবস্থান করে বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করতেন। কিন্তু বর্তমান ওসি এসব সুযোগ না দেওয়ায় তারা বর্তমানে থানার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে না, বরং গণমাধ্যমের নৈতিকতা ও পেশাগত মানদণ্ডকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এর প্রভাব সমাজে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি—বিষয়টি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গভীরভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।