ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত। গফরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৩ বছরের ২ শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রামে খ্রিস্টানদের প্রতারণা-হুমকির অভিযোগ, আলেমদের সহায়তায় ইসলামে ফিরলেন দেলু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্ম উৎসব শুভ জন্মাষ্টমী সুনামগঞ্জে জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে দোকানের গোডাউনের তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির মামলায় এক যুবক আটক ‎ সাব্বাস ট্রাফিক পুলিশ নবীপ্রেমে আদাবর ১০ নম্বর এলাকায় মিলাদ মাহফিল, আয়োজনে বশির মাইজভান্ডারী শিবপুরে তৃনমুল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়ার চিহ্নিত করন, ও বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত জমি জালিয়াতি, বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ; পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

বেশি মুনাফার হোয়াটসঅ্যাপে মুনাফার ফাঁদ: বিরামপুরে দুই প্রতারক গ্রেপ্তার, আত্মসাৎ প্রায় ৮৬ লাখ টাকা

মোঃ নয়ন মিয়া দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

 

 

বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণার জাল বিস্তার করে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ ঘটনায় চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা মো. মাসুম রানা (৩৮) ও মো. শামীম আক্তার (৩৬)। বুধবার রাতে বিরামপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতারণার শিকার সালেহ আহাম্মদ খান নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএতে কর্মরত। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারকদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। তারা ‘ড্রিমপায়ারিং এমসিএস লি.’ নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করলে উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেয়।

প্রতারকদের পাঠানো ভুয়া চুক্তিপত্রে বিশ্বাস করে ভুক্তভোগী নিজের সঞ্চয়, অফিসের অর্থ এবং স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে মোট ৮৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা আসামিদের ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠান। পরবর্তীতে কোনো লভ্যাংশ না পেয়ে সন্দেহ হলে তিনি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় উল্লিখিত ঠিকানায় গিয়ে দেখেন, সেখানে ওই নামে কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে বিরামপুরের একটি ওষুধের দোকান থেকে মাসুম রানাকে এবং তাঁর নিজ বাড়ি থেকে শামীম আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। সিআইডি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত।

বেশি মুনাফার হোয়াটসঅ্যাপে মুনাফার ফাঁদ: বিরামপুরে দুই প্রতারক গ্রেপ্তার, আত্মসাৎ প্রায় ৮৬ লাখ টাকা

আপডেট টাইম : ১০:৫৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ নয়ন মিয়া দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

 

 

বেশি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণার জাল বিস্তার করে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ ঘটনায় চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার বাসিন্দা মো. মাসুম রানা (৩৮) ও মো. শামীম আক্তার (৩৬)। বুধবার রাতে বিরামপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতারণার শিকার সালেহ আহাম্মদ খান নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএতে কর্মরত। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারকদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। তারা ‘ড্রিমপায়ারিং এমসিএস লি.’ নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করলে উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দেয়।

প্রতারকদের পাঠানো ভুয়া চুক্তিপত্রে বিশ্বাস করে ভুক্তভোগী নিজের সঞ্চয়, অফিসের অর্থ এবং স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে মোট ৮৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা আসামিদের ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠান। পরবর্তীতে কোনো লভ্যাংশ না পেয়ে সন্দেহ হলে তিনি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় উল্লিখিত ঠিকানায় গিয়ে দেখেন, সেখানে ওই নামে কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে বিরামপুরের একটি ওষুধের দোকান থেকে মাসুম রানাকে এবং তাঁর নিজ বাড়ি থেকে শামীম আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। সিআইডি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


প্রিন্ট