ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত। গফরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৩ বছরের ২ শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রামে খ্রিস্টানদের প্রতারণা-হুমকির অভিযোগ, আলেমদের সহায়তায় ইসলামে ফিরলেন দেলু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্ম উৎসব শুভ জন্মাষ্টমী সুনামগঞ্জে জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে দোকানের গোডাউনের তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির মামলায় এক যুবক আটক ‎ সাব্বাস ট্রাফিক পুলিশ নবীপ্রেমে আদাবর ১০ নম্বর এলাকায় মিলাদ মাহফিল, আয়োজনে বশির মাইজভান্ডারী শিবপুরে তৃনমুল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়ার চিহ্নিত করন, ও বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত জমি জালিয়াতি, বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ; পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল কুড়িগ্রামে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। জেলায় আনন্দঘন পরিবেশে ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জেলার সর্বস্তরের মানুষ নববর্ষকে বরণ করে নেয়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সকালে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণিল শোভাযাত্রা বের হয়। রঙিন ব্যানার-ফেস্টুনে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ‘আই লাভ কুড়িগ্রাম’ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।

শোভাযাত্রা শেষে ‘আই লাভ কুড়িগ্রাম’ চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।

অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। এ উৎসব আমাদের ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়।

তিনি বলেন, ‘নতুন বছরের অঙ্গীকার হোক, সব বিভেদ দূর করে একটি মানবিক, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা।’

সভায় বক্তারা বাংলা নববর্ষের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্য, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। উৎসবমুখর এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের মানুষ নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি.এম কুদরত-এ-খুদা, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন, প্রেসক্লাবের সভাপতি সফি খান, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, পিপি অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত।

রঙে-ঐতিহ্যে বর্ণিল কুড়িগ্রামে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

আপডেট টাইম : ০২:২৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ। জেলায় আনন্দঘন পরিবেশে ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জেলার সর্বস্তরের মানুষ নববর্ষকে বরণ করে নেয়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সকালে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণিল শোভাযাত্রা বের হয়। রঙিন ব্যানার-ফেস্টুনে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ‘আই লাভ কুড়িগ্রাম’ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।

শোভাযাত্রা শেষে ‘আই লাভ কুড়িগ্রাম’ চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।

অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। এ উৎসব আমাদের ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয়।

তিনি বলেন, ‘নতুন বছরের অঙ্গীকার হোক, সব বিভেদ দূর করে একটি মানবিক, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা।’

সভায় বক্তারা বাংলা নববর্ষের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্য, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। উৎসবমুখর এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের মানুষ নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি.এম কুদরত-এ-খুদা, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন, প্রেসক্লাবের সভাপতি সফি খান, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, পিপি অ্যাডভোকেট বজলুর রশিদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


প্রিন্ট