ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত। গফরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৩ বছরের ২ শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রামে খ্রিস্টানদের প্রতারণা-হুমকির অভিযোগ, আলেমদের সহায়তায় ইসলামে ফিরলেন দেলু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্ম উৎসব শুভ জন্মাষ্টমী সুনামগঞ্জে জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে দোকানের গোডাউনের তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির মামলায় এক যুবক আটক ‎ সাব্বাস ট্রাফিক পুলিশ নবীপ্রেমে আদাবর ১০ নম্বর এলাকায় মিলাদ মাহফিল, আয়োজনে বশির মাইজভান্ডারী শিবপুরে তৃনমুল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়ার চিহ্নিত করন, ও বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত জমি জালিয়াতি, বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ; পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

রৌমারীতে সীমান্তে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস পালিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি সীমান্তে বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয় এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। এদিন বিডিআর সদস্য ও স্থানীয় গ্রামবাসীর অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে রচিত হয় গৌরব জ্জ্বল এক ইতিহাস। শনিবার সকালে বড়ইবাড়িতে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, প্রশাসক, জেলা পরিষদ কুড়িগ্রাম ও সদস্য-সচিব, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি। প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, যুগ্ম আহ্বায়ক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি, অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, আহ্বায়ক রাজিবপুর উপজেলা বিএনপি, আব্দুর রাজ্জাক, আহ্বায়ক রৌমারী উপজেলা বিএনপি, মোস্তাফিজুর রহমান রনজু, সদস্য-সচিব রৌমারী উপজেলা বিএনপি, ইমান আলী, সাবেক চেয়ারম্যান রৌমারী উপজেলা পরিষদ, নাসির উদ্দিন, সদস্য আহ্বায়ক কমিটি রৌমারী উপজেলা বিএনপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ রুহুল আমিন, সাবেক সংসদ সদস্য ২৮ কুড়িগ্রাম-৪ তত্ত্বাবধানে মোঃ সেকান্দার আলী। আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদদের স্মরণে স্থায়ী স্মৃতি ফলক নির্মাণ ও দিবসটি সরকারিভাবে পালনের দাবি জানান।২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী সীমান্তে তৎকালীন বিডিআর-গ্রামবাসী ও বিএসএফ’র মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়।সেদিন ভোররাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বিনা উস্কানিতে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বড়াইবাড়ী গ্রামে অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, চলে ধ্বংসযজ্ঞ।তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস বিডিআর ও গ্রামবাসীরা একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ। সংঘর্ষে ৩৩ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ল্যান্স নায়েক ওহিদুজ্জামান, সিপাহী মাহফুজার রহমান এবং ২৬ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সিপাহী আব্দুল কাদের শহীদ হন। অপরদিকে বিএসএফের ১৬ সদস্য নিহত হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত।

রৌমারীতে সীমান্তে ঐতিহাসিক বড়াইবাড়ি দিবস পালিত

আপডেট টাইম : ০৫:২২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ি সীমান্তে বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয় এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। এদিন বিডিআর সদস্য ও স্থানীয় গ্রামবাসীর অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে রচিত হয় গৌরব জ্জ্বল এক ইতিহাস। শনিবার সকালে বড়ইবাড়িতে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, প্রশাসক, জেলা পরিষদ কুড়িগ্রাম ও সদস্য-সচিব, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি। প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, যুগ্ম আহ্বায়ক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি, অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, আহ্বায়ক রাজিবপুর উপজেলা বিএনপি, আব্দুর রাজ্জাক, আহ্বায়ক রৌমারী উপজেলা বিএনপি, মোস্তাফিজুর রহমান রনজু, সদস্য-সচিব রৌমারী উপজেলা বিএনপি, ইমান আলী, সাবেক চেয়ারম্যান রৌমারী উপজেলা পরিষদ, নাসির উদ্দিন, সদস্য আহ্বায়ক কমিটি রৌমারী উপজেলা বিএনপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ রুহুল আমিন, সাবেক সংসদ সদস্য ২৮ কুড়িগ্রাম-৪ তত্ত্বাবধানে মোঃ সেকান্দার আলী। আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদদের স্মরণে স্থায়ী স্মৃতি ফলক নির্মাণ ও দিবসটি সরকারিভাবে পালনের দাবি জানান।২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী সীমান্তে তৎকালীন বিডিআর-গ্রামবাসী ও বিএসএফ’র মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়।সেদিন ভোররাতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বিনা উস্কানিতে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে বড়াইবাড়ী গ্রামে অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, চলে ধ্বংসযজ্ঞ।তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস বিডিআর ও গ্রামবাসীরা একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ। সংঘর্ষে ৩৩ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ল্যান্স নায়েক ওহিদুজ্জামান, সিপাহী মাহফুজার রহমান এবং ২৬ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সিপাহী আব্দুল কাদের শহীদ হন। অপরদিকে বিএসএফের ১৬ সদস্য নিহত হয়।


প্রিন্ট