ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরঃ
উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের প্রায় ৫ লাখ টাকার আর্থিক হিসাব নিয়ে গড়মিলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের সময় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। সংশ্লিষ্ট হিসাবের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক শিপলু স্যারের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চাওয়া হলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলু
বলেন, “বিষয়টি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। আমার কাছে কিছু টাকা রয়েছে। আমি আগামীকাল ব্যাংকে জমা দিয়ে দেব।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “না, না, এ ধরনের কোনো বিষয় নয়। যদি হিসাবে গড়মিল থাকে, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এগুলো বিভিন্ন খাত থেকে সংগ্রহ করা অর্থ। সংগ্রহের পর হিসাবভুক্ত করতে কিছু বিলম্ব বা অসঙ্গতি হয়ে থাকতে পারে।”

সহকারী শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের অর্থ কীভাবে গেল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে টাকা দিয়েছিলাম। সেখানে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত হিসাবটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তারা বলছেন, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হলে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান হবে এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

আপডেট টাইম : ০৮:১৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরঃ
উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের প্রায় ৫ লাখ টাকার আর্থিক হিসাব নিয়ে গড়মিলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের সময় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। সংশ্লিষ্ট হিসাবের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক শিপলু স্যারের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চাওয়া হলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, তাৎক্ষণিকভাবে সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের একাধিক সূত্রের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আজহারুল ইসলাম শিপলু
বলেন, “বিষয়টি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। আমার কাছে কিছু টাকা রয়েছে। আমি আগামীকাল ব্যাংকে জমা দিয়ে দেব।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “না, না, এ ধরনের কোনো বিষয় নয়। যদি হিসাবে গড়মিল থাকে, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এগুলো বিভিন্ন খাত থেকে সংগ্রহ করা অর্থ। সংগ্রহের পর হিসাবভুক্ত করতে কিছু বিলম্ব বা অসঙ্গতি হয়ে থাকতে পারে।”

সহকারী শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের অর্থ কীভাবে গেল—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে টাকা দিয়েছিলাম। সেখানে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত হিসাবটি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তারা বলছেন, অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা হলে সব ধরনের বিভ্রান্তির অবসান হবে এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।


প্রিন্ট