ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন?

যাত্রাপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর

মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া স্টাফ রিপোর্টার

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর। স্থানীয়দের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রাপুর ইউনিয়ন নদীবেষ্টিত হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি থাকে। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে অসংখ্য পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে এবং যোগাযোগ, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। অনেক পরিবার খাদ্যসংকট ও বিশুদ্ধ পানির সমস্যায় পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি খাদ্যসামগ্রী, শুকনো খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা বিতরণ করেন এবং অসহায় পরিবারের খোঁজখবর নেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, দুর্যোগের সময় তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দুর্যোগকালেই নয়, সারা বছরই বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়। ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা মানুষের অভিযোগ দ্রুত শোনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর একটি আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলে তাদের অভিমত।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা মত প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তারা আলহাজ্ব আব্দুল গফুরকে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তবে এ বিষয়ে ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এদিকে, চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর বলেন, “আমি সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও যাত্রাপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যাত্রাপুর ইউনিয়নের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনসেবার মান বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে যাত্রাপুর ইউনিয়ন আরও


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’

যাত্রাপুর ইউনিয়নের উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর

আপডেট টাইম : ১১:০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া স্টাফ রিপোর্টার

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর। স্থানীয়দের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যাত্রাপুর ইউনিয়ন নদীবেষ্টিত হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি থাকে। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে অসংখ্য পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে এবং যোগাযোগ, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। অনেক পরিবার খাদ্যসংকট ও বিশুদ্ধ পানির সমস্যায় পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি খাদ্যসামগ্রী, শুকনো খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা বিতরণ করেন এবং অসহায় পরিবারের খোঁজখবর নেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, দুর্যোগের সময় তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি দিয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দুর্যোগকালেই নয়, সারা বছরই বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়। ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা মানুষের অভিযোগ দ্রুত শোনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর একটি আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলে তাদের অভিমত।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অনেক স্থানীয় বাসিন্দা মত প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তারা আলহাজ্ব আব্দুল গফুরকে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তবে এ বিষয়ে ভোটারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এদিকে, চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল গফুর বলেন, “আমি সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও যাত্রাপুর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যাত্রাপুর ইউনিয়নের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনসেবার মান বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে যাত্রাপুর ইউনিয়ন আরও


প্রিন্ট