ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এআই দিয়ে বাড়ছে সাইবার হামলা শূকরের ভাইরাস সোয়াইন ফ্লু’তে আক্রান্ত ইমরান হাশমি গুমের সংস্কৃতি যেন আর ফিরে না আসে : নাহিদ ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ব্রেকআপের ঠিক পরেই যে ৫টি কাজ কখনোই করা উচিত নয় ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন পেতে খেতে পারেন যেসব খাবার বেস্ট ফ্রেন্ড সাফার জন্মদিন, শুভেচ্ছায় যা বললেন তৌসিফ মাভাবিপ্রবিতে ১৫ দিনব্যাপী তিন হাজারের বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নেত্রকোনার আলেমদের সাথে এমপি আনোয়ারুল হকের মতবিনিময়:

মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক স্টাফ রিপোটারঃনেত্রকোনা জেলা বিএনপির সভাপতি এবং নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদসদস্য ডা: মো: আনোয়ারুল হক বলেছেন, আমি কওমি মাদরাসার বিরোধী নই, আপনাদের পক্ষের লোক। শিক্ষারমানোন্নয়নেই কথা বলেছি। আপনারা আমাকে ভুল বুঝবেননা। আমি একজন মুসলমান হিসেবে মসজিদ, মাদরাসা এবং আলেম সমাজের প্রতি আমার আন্তরিক ভালবাসা আছে। ইসলাম প্রচারে কওমি মাদরাসার অবদানের কথা সর্বজনস্বীকৃত। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনসহ উপমহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন সংগ্রামে কওমি উলামায়ে কেরামের অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আমাদের প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতেন।

বেগম জিয়ার আমলেই প্রথম কওমি মাদরাসার শিক্ষার মানোন্নয়নে সনদের স্বীকৃতির উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো। নিরক্ষরতা দূরীকরণে কওমি মাদরাসার অবদান অনেক। তন্মধ্যে মহিলা মাদরাসা নিরক্ষরতা দূরীকরণে ব্যাপক উদ্যোগ লক্ষকরা যাচ্ছে। আমাদের মা-বোনরা যেনো নিরাপত্তার সাথে শিক্ষাগ্রহণ, চলাফেরা করতে পারেন সেজন্য কর্তৃপক্ষকে আরো সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন আমার বক্তব্যকে ভিন্নখ্যাতে প্রবাহিত করার কিছু নেই। আমি ধর্মীয় শিক্ষার মানোন্নয়ন চাই। উলামায়ে কেরামের সম্মান চাই।

আজ ১১জুলাই ২০২৬ নেত্রকোণা সদরে তার বাসভবনে উলামায়ে কেরামের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ-সময় উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নেত্রকোনা জেলার সভাপতি মুফতি মো: তাহের কাসেমী, সহসভাপতি হাফেজ মাওলানা দিলোওয়ার হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মফিজুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুফতি আনোয়ার হোসাইন, জমিয়তের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি নেত্রকোনা জেলার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, জামিয়া মিফতাহুল উলুম নেত্রকোনার শিক্ষক মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোট নেতা হাফেজ আবু সায়েম খান, জমিয়ত নেতা হাফেজ আবুল কাশেম, মাওলানা আবু সাঈদ তালুকদার, মাওলানা আতাউর রহমান, আবুল আসাদ প্রমুখ সহ উলামা দলের নেতৃবৃন্দ।

ডা: আনোয়ারুল হক আরো বলেন,সম্প্রতি কওমী মাদ্রাসা বিষয়ে সংসদে আমার উত্থাপিত বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর প্রচার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। জাতীয় সংসদে আমার বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল— কওমী মাদ্রাসার স্বীকৃতি এবং সেখানে কর্মরত শিক্ষকদের সরকারি বেতন-ভাতার আওতায় আনার জন্য কোনো সরকারি নীতিমালা রয়েছে কিনা, অথবা এ ধরনের নীতিমালা প্রণয়ন করা যায় কিনা— সে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

আমি কোথাও কওমী মাদ্রাসা বন্ধ করার কথা বলিনি, কিংবা তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার প্রস্তাবও দিইনি। বরং কওমী শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনায় আনাই ছিল আমার বক্তব্যের উদ্দেশ্য।অতএব, আমার বক্তব্যকে বিকৃত করে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। মতভেদ থাকতে পারে, তবে সত্য তথ্যের ভিত্তিতেই আলোচনা হওয়া উচিত।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এআই দিয়ে বাড়ছে সাইবার হামলা

নেত্রকোনার আলেমদের সাথে এমপি আনোয়ারুল হকের মতবিনিময়:

আপডেট টাইম : ১১:৫৮:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

মোঃ আরিফুল ইসলাম মুরাদ সিনিয়র সাংবাদিক স্টাফ রিপোটারঃনেত্রকোনা জেলা বিএনপির সভাপতি এবং নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদসদস্য ডা: মো: আনোয়ারুল হক বলেছেন, আমি কওমি মাদরাসার বিরোধী নই, আপনাদের পক্ষের লোক। শিক্ষারমানোন্নয়নেই কথা বলেছি। আপনারা আমাকে ভুল বুঝবেননা। আমি একজন মুসলমান হিসেবে মসজিদ, মাদরাসা এবং আলেম সমাজের প্রতি আমার আন্তরিক ভালবাসা আছে। ইসলাম প্রচারে কওমি মাদরাসার অবদানের কথা সর্বজনস্বীকৃত। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনসহ উপমহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন সংগ্রামে কওমি উলামায়ে কেরামের অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আমাদের প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতেন।

বেগম জিয়ার আমলেই প্রথম কওমি মাদরাসার শিক্ষার মানোন্নয়নে সনদের স্বীকৃতির উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো। নিরক্ষরতা দূরীকরণে কওমি মাদরাসার অবদান অনেক। তন্মধ্যে মহিলা মাদরাসা নিরক্ষরতা দূরীকরণে ব্যাপক উদ্যোগ লক্ষকরা যাচ্ছে। আমাদের মা-বোনরা যেনো নিরাপত্তার সাথে শিক্ষাগ্রহণ, চলাফেরা করতে পারেন সেজন্য কর্তৃপক্ষকে আরো সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন আমার বক্তব্যকে ভিন্নখ্যাতে প্রবাহিত করার কিছু নেই। আমি ধর্মীয় শিক্ষার মানোন্নয়ন চাই। উলামায়ে কেরামের সম্মান চাই।

আজ ১১জুলাই ২০২৬ নেত্রকোণা সদরে তার বাসভবনে উলামায়ে কেরামের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ-সময় উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নেত্রকোনা জেলার সভাপতি মুফতি মো: তাহের কাসেমী, সহসভাপতি হাফেজ মাওলানা দিলোওয়ার হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মফিজুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুফতি আনোয়ার হোসাইন, জমিয়তের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি নেত্রকোনা জেলার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, জামিয়া মিফতাহুল উলুম নেত্রকোনার শিক্ষক মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোট নেতা হাফেজ আবু সায়েম খান, জমিয়ত নেতা হাফেজ আবুল কাশেম, মাওলানা আবু সাঈদ তালুকদার, মাওলানা আতাউর রহমান, আবুল আসাদ প্রমুখ সহ উলামা দলের নেতৃবৃন্দ।

ডা: আনোয়ারুল হক আরো বলেন,সম্প্রতি কওমী মাদ্রাসা বিষয়ে সংসদে আমার উত্থাপিত বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তিকর প্রচার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। জাতীয় সংসদে আমার বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল— কওমী মাদ্রাসার স্বীকৃতি এবং সেখানে কর্মরত শিক্ষকদের সরকারি বেতন-ভাতার আওতায় আনার জন্য কোনো সরকারি নীতিমালা রয়েছে কিনা, অথবা এ ধরনের নীতিমালা প্রণয়ন করা যায় কিনা— সে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

আমি কোথাও কওমী মাদ্রাসা বন্ধ করার কথা বলিনি, কিংবা তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার প্রস্তাবও দিইনি। বরং কওমী শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনায় আনাই ছিল আমার বক্তব্যের উদ্দেশ্য।অতএব, আমার বক্তব্যকে বিকৃত করে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। মতভেদ থাকতে পারে, তবে সত্য তথ্যের ভিত্তিতেই আলোচনা হওয়া উচিত।’


প্রিন্ট