ক্রীড়া ডেস্ক: এমএলএস (মেজর লিগ সকার) কাপ ফাইনালে আগামী রবিবার লিওনেল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামির প্রতিপক্ষ থমাস মুলারের ক্লাব ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস। দুই দলই নিজেদের ইতিহাসে এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠেছে।
ফুটবলপ্রেমীরা আরও একবার মেসি-মুলার দ্বৈরথ দেখার অধীর অপেক্ষা আছেন। আগামী রোববার এমএলএস (মেজর লিগ সকার) কাপ ফাইনালে মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামির প্রতিপক্ষ মুলারের ক্লাব ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস। দুই দলই নিজেদের ইতিহাসে এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠেছে।
ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস ৩–১ গোলে সান ডিয়েগোকে হারিয়ে প্রথমবার এমএলএস কাপ ফাইনাল নিশ্চিত করে। আর মেসির মায়ামি ৫–১ গোলে নিউ ইয়র্ক সিটি এফসিকে উড়িয়ে শিরোপার মঞ্চে পৌঁছে যায়।
ফাইনালের সেই মহারণের আগে মাইন্ড গেম কিংবা মনস্তাত্বিক লড়াইয়ের কৌশল নিয়েছেন মুলার। সাবেক বায়ার্ন মিউনিখের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ক্যারিয়ারে অনেকবারই মেসির হৃদয়ভঙ্গের কারণ হয়েছেন। ক্লাব ফুটবল থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও মুলার-মেসিরের দ্বৈরথ বেশ পুরোনো।
এবার পুরোনো ‘শত্রুর’ মুখোমুখি হওয়ার আগে মুলারের কণ্ঠে শোনা গেল মেসি বন্দনা। এমএলএস সকার.কম–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসিকে ফুটবল ইতিহাসের সেরা ফুটবলারের তকমা দিয়ে জার্মান কিংবদন্তি বলেছেন, ‘আমাদের এই খেলাটির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত খেলা সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার মেসি। আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকার আগমনে এমএলএস–এর দর্শকসংখ্যা ও আকর্ষণ বেড়েছে। যত বেশি মানুষ আপনার খেলা দেখবে, ততই আপনার, আপনার দলের, এমনকি আপনার ক্লাবের মূল্য আরও বাড়বে।’
মেসির সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ে কিন্তু অনেকটাই এগিয়ে মুলার। দুই মহাতারকার মোট দশবারের দেখায় মুলার জিতেছেন ৭ বার, আর মেসি পক্ষে ফল এসেছে মাত্র ৩ বার। এরমধ্যে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ তো এখনো তাড়া করে বেড়ায় মেসিকে।
অবশ্য ফাইনালের আগে ব্যক্তিগত প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ছোট করে দেখালেন মুলার। ৩৬ বছর বয়সী ফুটবলারের মতে এই লড়াই মেসি বনাম মুলার নয়, বরং মায়ামি বনাম হোয়াইটক্যাপসের। ইন্টার মায়ামি মেসির ওপর যতটা নির্ভরশীল, ভ্যাঙ্কুভার ততটা তাঁর ওপর নির্ভর নয় বলছেন মুলার। মুলারের ভাষায়, ‘এটা মেসি বনাম থমাস মুলার নয়; এটা মায়ামি বনাম হোয়াইটক্যাপস। তারা হয়তো ওর ওপর আমাদের চেয়ে বেশি ভরসা করে, কারণ আমরা সত্যিকারের একটা দল—বোঝেন তো?’