বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান

এআই চালাতে নতুন চিপ উন্মোচন গুগলের

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণ ও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ডিজিটাল ‘এজেন্ট’ পরিচালনার জন্য নতুন প্রজন্মের টেনসর প্রসেসিং ইউনিটস (টিপিইউ) উন্মোচন করেছে গুগল।

গুগল ও অ্যামাজনসহ বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নিজেদের উন্নত এআই চিপ তৈরি করছে। এতে চিপ ডিজাইনের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ছে। একই সঙ্গে বাজারে প্রভাবশালী এনভিডিয়ার গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিটস (জিপিইউ)’র ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা চলছে।

লাস ভেগাস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

বুধবার লাস ভেগাসে গুগলের বার্ষিক ক্লাউড কম্পিউটিং সম্মেলনে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টিপিইউসহ বিভিন্ন নতুন প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়।

গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই এক ব্লগ পোস্টে বলেন, ‘এআই এজেন্টের যুগে সবচেয়ে জটিল কাজ সামলাতে অবকাঠামোকে আরও উন্নত হতে হবে।’

তিনি জানান, ‘এ বছর আমরা ডুয়াল চিপ পদ্ধতিতে আমাদের টেনসর প্রসেসিং ইউনিটের অষ্টম প্রজন্ম নিয়ে আসছি।’

নতুন টিপিইউগুলোর একটি বড় ভাষা মডেল প্রশিক্ষণের জন্য অপ্টিমাইজড। আরেকটি তৈরি করা হয়েছে ‘ইনফারেন্স’ বা যুক্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার জন্য, যা এআই এজেন্টে ব্যবহৃত হয়।

এআই এজেন্ট হলো এমন ডিজিটাল সহকারী, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন কম্পিউটিং কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

গুগল ক্লাউড বিভাগের প্রধান থমাস কুরিয়ান জানান, সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা ব্রডকমের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি এ সব টিপিইউ চলতি বছরের শেষ দিকে বাজারে আসবে।

এর আগে, চলতি বছরের শুরুতে এনভিডিয়া এআই চালাতে নতুন ভেরা ও রুবিন জিপিইউ উৎপাদনের ঘোষণা দেয়।

এর কিছুদিন পর ক্লাউড কম্পিউটিং জায়ান্ট অ্যামাজন তাদের নিজস্ব ট্রেনিয়াম প্রসেসরের সর্বশেষ সংস্করণ উন্মোচন করে।

গুগল, অ্যামাজন ও মাইক্রোসফট- তিন প্রতিষ্ঠানই তাদের কম্পিউটিং অবকাঠামোয় এনভিডিয়ার জিপিইউ ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com