ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

এবারের পর্যটন মেলার প্রধান আকর্ষণ ‘সাজেক’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: পর্যটকদের উৎসাহিত করতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে অষ্টম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শুরু হয়েছে এ মেলা। এবারের মেলার অন্যতম আকর্ষণ সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির আয়োজন।

সমিতির লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে আধুনিক পর্যটনের সঙ্গে পরিচিত করতে পসরা সাজিয়েছেন অর্ধশত রিসোর্ট। মেলার স্টলে উপজাতি চেহারার ডজন খানেক যুবক-যুবতী এক রঙের গেঞ্জি পরে সাজেকের অপরূপ সৌন্দর্যের বর্ণনা তুলে ধরেছেন। বলছিলেন, কীভাবে মেঘের রাজ্যে একজন ক্ষণিকের জন্য হারিয়ে যায়। ফলে মেলায় আগত দর্শনার্থীদের কাছে সাজেক প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়।

মেলায় সাজেকের প্রধান কয়েকটি রিসোর্টের মধ্যে ছিল ‘মনো আদম রিসোর্ট’, ‘সাজেক বিলাস’, ‘সাম্পারী রিসোর্ট’।

মনো আদম রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী বকুল বিকাশ চাকমা সিটিজেন নিউজকে বলেন, সাজেক এখন আর আগের মতো নেই। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উৎসাহিত করতে আমরা সর্বাত্মক মানসম্পন্ন সেবার নিশ্চয়তা নিয়েই মেলায় হাজির হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সাজেক এখন পর্যটনের লীলাভূমি। নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় সাজেক আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন স্পট। এখানকার রিসোর্টে রয়েছে মনোরম পরিবেশ। থাকে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধা। রিসোর্টগুলোর বারান্দায় বসেই সাজেকের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করা যায়। পাহাড়ের ওপর রিসোর্টে রয়েছে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং সুবিধা।

সাজেকের স্বর্গ হিসেবে পরিচিত সাজেক বিলাস। সাজেক বিলাসের স্বত্বাধিকারী জ্ঞান জ্যোতি চাকমা জানান, নানা প্রতিকূলতার মধ্যে তারা ব্যবসা করছেন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নেই বললেই চলে।

সাজেকের উন্নয়নে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানিয়ে জ্ঞান জ্যোতি চাকমা বলেন, সাজেকের প্রতি সরকার মনোযোগী হলে বাংলাদেশ এশিয়ার পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০১৯ সামনে রেখে আয়োজিত মেলা ২৬, ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বৃহস্পতিবার সকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী মেলার উদ্বোধনকালে বলেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের পর্যটন শিল্প এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকারের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ নিশ্চিত প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ইতোমধ্যে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে। তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীকে পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

এবারের পর্যটন মেলার প্রধান আকর্ষণ ‘সাজেক’

আপডেট টাইম : ১০:৪৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: পর্যটকদের উৎসাহিত করতে রাজধানীতে শুরু হয়েছে অষ্টম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শুরু হয়েছে এ মেলা। এবারের মেলার অন্যতম আকর্ষণ সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির আয়োজন।

সমিতির লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে আধুনিক পর্যটনের সঙ্গে পরিচিত করতে পসরা সাজিয়েছেন অর্ধশত রিসোর্ট। মেলার স্টলে উপজাতি চেহারার ডজন খানেক যুবক-যুবতী এক রঙের গেঞ্জি পরে সাজেকের অপরূপ সৌন্দর্যের বর্ণনা তুলে ধরেছেন। বলছিলেন, কীভাবে মেঘের রাজ্যে একজন ক্ষণিকের জন্য হারিয়ে যায়। ফলে মেলায় আগত দর্শনার্থীদের কাছে সাজেক প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়।

মেলায় সাজেকের প্রধান কয়েকটি রিসোর্টের মধ্যে ছিল ‘মনো আদম রিসোর্ট’, ‘সাজেক বিলাস’, ‘সাম্পারী রিসোর্ট’।

মনো আদম রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী বকুল বিকাশ চাকমা সিটিজেন নিউজকে বলেন, সাজেক এখন আর আগের মতো নেই। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের উৎসাহিত করতে আমরা সর্বাত্মক মানসম্পন্ন সেবার নিশ্চয়তা নিয়েই মেলায় হাজির হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সাজেক এখন পর্যটনের লীলাভূমি। নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় সাজেক আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন স্পট। এখানকার রিসোর্টে রয়েছে মনোরম পরিবেশ। থাকে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সুবিধা। রিসোর্টগুলোর বারান্দায় বসেই সাজেকের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করা যায়। পাহাড়ের ওপর রিসোর্টে রয়েছে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং সুবিধা।

সাজেকের স্বর্গ হিসেবে পরিচিত সাজেক বিলাস। সাজেক বিলাসের স্বত্বাধিকারী জ্ঞান জ্যোতি চাকমা জানান, নানা প্রতিকূলতার মধ্যে তারা ব্যবসা করছেন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নেই বললেই চলে।

সাজেকের উন্নয়নে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানিয়ে জ্ঞান জ্যোতি চাকমা বলেন, সাজেকের প্রতি সরকার মনোযোগী হলে বাংলাদেশ এশিয়ার পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে।

উল্লেখ্য, বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০১৯ সামনে রেখে আয়োজিত মেলা ২৬, ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বৃহস্পতিবার সকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী মেলার উদ্বোধনকালে বলেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের পর্যটন শিল্প এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকারের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ নিশ্চিত প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ইতোমধ্যে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত হয়েছে। তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীকে পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।


প্রিন্ট