ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ আকাশপথ নিশ্চিতে দক্ষ জনবল গড়তে এটিসি বেসিক কোর্স শুরু উল্লাপাড়ায় তাঁত বোর্ড চেয়ারম্যানকে ইউসুফ সরকারের ফুলেল শুভেচ্ছা উল্লাপাড়ায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় শিক্ষক নিহত কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল রহমান সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাংবিধানিক নিয়মেই হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু কোরবান নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। বিশ্বজুড়ে প্রবাসীদের জন্য নতুন পরিকল্পনা ‘প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের’ টিচার্স ট্রেনিং কলেজে মাস্টার অব এডুকেশন-২০২৫ এর গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন সেমিনার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তর মিয়ানমারে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: মিয়ানমারকে আরও ৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা দিয়েছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রদূত লুইন উকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এই তালিকা হস্তান্তর করেন মিয়ানমার অনুবিভাগের মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেন।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, অনেক সময় পার হলো। আমরা তাড়াহুড়া করছি। আরও ৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা তাদেরকে (মিয়ানমার) দেয়া হলো। এখন পরিবারভিত্তিক তালিকা দেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘এবারের তালিকায় মোট ৫০ হাজার ৫০৬ জন রোহিঙ্গার নাম-পরিচয় রয়েছে।’

এই নিয়ে মিয়ানমারের কাছে চার দফায় এক লাখের বেশি রোহিঙ্গার তালিকা দেয়া হলো। এর আগে তিন দফায় ৫৫ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। যদিও মিয়ানমারের অনীহার কারণে তাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীর গতিতে এগুচ্ছে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সম্পূর্ণ তালিকা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। ধীরে ধীরে পুরো তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, তিন দফায় হস্তান্তর করা ৫৫ হাজার রোহিঙ্গার মধ্যে দুই দফায় ১২ হাজারের মতো রোহিঙ্গার যাচাই-বাছাই করেছে মিয়ানমার। এর মধ্যে ৮ হাজার সাতশ রোহিঙ্গাকে তারা নিজেদের নাগরিক হিসেবে মেনে নিয়েছে। তালিকায় থাকা ৬৮ জনকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বলেও মিয়ানমার বাংলাদেশকে জানিয়েছে।
২০১৭ সালে ২৫ আগস্টের পর থেকে নির্যাতনের মুখে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। নতুন পুরাতন মিলিয়ে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে রয়েছে। প্রতিশ্রুতি দেয়া সত্ত্বেও তাদেরকে ফেরত নিচ্ছে না মিয়ানমার।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তর মিয়ানমারে

আপডেট টাইম : ১০:১৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: মিয়ানমারকে আরও ৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা দিয়েছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রদূত লুইন উকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এই তালিকা হস্তান্তর করেন মিয়ানমার অনুবিভাগের মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেন।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, অনেক সময় পার হলো। আমরা তাড়াহুড়া করছি। আরও ৫০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা তাদেরকে (মিয়ানমার) দেয়া হলো। এখন পরিবারভিত্তিক তালিকা দেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘এবারের তালিকায় মোট ৫০ হাজার ৫০৬ জন রোহিঙ্গার নাম-পরিচয় রয়েছে।’

এই নিয়ে মিয়ানমারের কাছে চার দফায় এক লাখের বেশি রোহিঙ্গার তালিকা দেয়া হলো। এর আগে তিন দফায় ৫৫ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। যদিও মিয়ানমারের অনীহার কারণে তাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীর গতিতে এগুচ্ছে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সম্পূর্ণ তালিকা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। ধীরে ধীরে পুরো তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, তিন দফায় হস্তান্তর করা ৫৫ হাজার রোহিঙ্গার মধ্যে দুই দফায় ১২ হাজারের মতো রোহিঙ্গার যাচাই-বাছাই করেছে মিয়ানমার। এর মধ্যে ৮ হাজার সাতশ রোহিঙ্গাকে তারা নিজেদের নাগরিক হিসেবে মেনে নিয়েছে। তালিকায় থাকা ৬৮ জনকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বলেও মিয়ানমার বাংলাদেশকে জানিয়েছে।
২০১৭ সালে ২৫ আগস্টের পর থেকে নির্যাতনের মুখে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। নতুন পুরাতন মিলিয়ে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে রয়েছে। প্রতিশ্রুতি দেয়া সত্ত্বেও তাদেরকে ফেরত নিচ্ছে না মিয়ানমার।


প্রিন্ট