ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

পুঁজিবাজারে ইস্যু মূল্যের নিচে রিং সাইন টেক্সটাইল

পুঁজিবাজার ডেস্ক: পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরুর ১৫ কার্যদিবসের ব্যবধানে ইস্যু মূল্যের নিচে নেমে এসেছে রিং সাইন টেক্সটাইলের শেয়ার দর। সোমবার কোম্পানিটির শেয়ার ৯.৫০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।
এর আগে ১২ ডিসেম্বর দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে একযোগে লেনদেন শুরু করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা কোম্পানিটি।

জানা যায়, ১০ টাকা ইস্যু মূল্যে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু রিং সাইন টেক্সটাইল। লেনদেন শুরুর প্রথম দিন কোম্পানিটির শেয়ার দর ৫০ শতাংশ বেড়ে ১৫ টাকায় লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু এর পর থেকে টানা দর পতনে সোমবার কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনিম্ন ৯.৫০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। যদিও দিনের সমাপনী বাজার দর ছিল ৯.৬০ টাকা।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৭৯তম সভায় রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে অভিহিত মূল্যে ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করে।

উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয়, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। এর মধ্যে মেশিনারিজ আমদানিতে খরচ হবে ৯৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ঋণ পরিশোধ করা হবে ৫০ কোটি টাকা। আর আইপিও বাবদ খরচ হবে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

৩০ জুন, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৯ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৮৪ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৩.১৭ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানি নিট মুনাফার পরিমাণ ছিল ৫৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫৪০ কোটি টাকা। আইপিও পরবর্তী শেয়ার ও ঘোষিত স্টক ডিভিডেন্ডসহ কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটি ১৯৯৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সালের ৮ জুন কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেডে রূপান্তর হয়। আর ১৯৯৮ সালের আগস্ট মাসে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু হয় কোম্পানিটির।

কোম্পানিটিকে বাজারে আনতে ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইজরি লিমিটেড।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

পুঁজিবাজারে ইস্যু মূল্যের নিচে রিং সাইন টেক্সটাইল

আপডেট টাইম : ০৩:২৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২০

পুঁজিবাজার ডেস্ক: পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরুর ১৫ কার্যদিবসের ব্যবধানে ইস্যু মূল্যের নিচে নেমে এসেছে রিং সাইন টেক্সটাইলের শেয়ার দর। সোমবার কোম্পানিটির শেয়ার ৯.৫০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।
এর আগে ১২ ডিসেম্বর দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে একযোগে লেনদেন শুরু করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা কোম্পানিটি।

জানা যায়, ১০ টাকা ইস্যু মূল্যে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু রিং সাইন টেক্সটাইল। লেনদেন শুরুর প্রথম দিন কোম্পানিটির শেয়ার দর ৫০ শতাংশ বেড়ে ১৫ টাকায় লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু এর পর থেকে টানা দর পতনে সোমবার কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনিম্ন ৯.৫০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। যদিও দিনের সমাপনী বাজার দর ছিল ৯.৬০ টাকা।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৭৯তম সভায় রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে অভিহিত মূল্যে ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করে।

উত্তোলিত অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা ক্রয়, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। এর মধ্যে মেশিনারিজ আমদানিতে খরচ হবে ৯৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ঋণ পরিশোধ করা হবে ৫০ কোটি টাকা। আর আইপিও বাবদ খরচ হবে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

৩০ জুন, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৯৯ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ১.৮৪ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৩.১৭ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানি নিট মুনাফার পরিমাণ ছিল ৫৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫৪০ কোটি টাকা। আইপিও পরবর্তী শেয়ার ও ঘোষিত স্টক ডিভিডেন্ডসহ কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৫০০ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটি ১৯৯৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সালের ৮ জুন কোম্পানিটি পাবলিক লিমিটেডে রূপান্তর হয়। আর ১৯৯৮ সালের আগস্ট মাসে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু হয় কোম্পানিটির।

কোম্পানিটিকে বাজারে আনতে ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে এএফসি ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং সিএপিএম অ্যাডভাইজরি লিমিটেড।


প্রিন্ট