ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

পাটকল আধুনিকায়ন করে পাট শিল্পকে রক্ষার দাবি

 

ঢাকা: রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল পিপিপি বা ব্যক্তি মালিকানায় দেয়ার চক্রান্ত বন্ধ করে পাটকল আধুনিকায়ন করে পাট শিল্প রক্ষার করার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকলের বদলি শ্রমিকবৃন্দ।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ দাবি জানান তারা। পাশাপাশি নিয়মিত কাজের ব্যবস্থা করা, ২০০৪ সালে সেটআপ অনুযায়ী শূণ্য পদে বদলি শ্রমিকদের নিয়োগ দেয়া, সকল প্রকার বকেয়া পরিশোধ করার আহ্বান জানান তারা।

খুলনা-যশোর অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বদলি শ্রমিক কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন শেখের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, সাধারণ সম্পাদক ও স্কপের যুগ্ম সমন্বয়কারী নইমুল আহসান জুয়েল, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, খুলনা জেলা সভাপতি জনার্দন দত্ত নান্টু প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার আজ রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহকে পিপিপি বা ব্যক্তিমালিকানায় দেয়ার প্রক্রিয়া করছে, তাই মিলের উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে। ফলে পাটকলের বদলি শ্রমিকরা কাজ পাচ্ছে না, অথচ প্রত্যেকটি পাটকলে অনেক পদ খালি আছে। সেসব পদে কোন নতুন নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি পাটকল লাভজনক করার জন্য স্কপ ও শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবনা দেয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিজেএমসি ও মিল কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি বন্ধেও সরকারের কোন উদ্যোগ নেই।

রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলের বদলি শ্রমিকদের দাবির ব্যাপারে অবিলম্বে সরকার ও বিজেএমসি কোন উদ্যোগ না নিলে প্রত্যেক মিলে ধর্মঘটসহ কঠোর কর্মসূচি দিতে শ্রমিকরা বাধ্য হবে বলে জানান বক্তারা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

পাটকল আধুনিকায়ন করে পাট শিল্পকে রক্ষার দাবি

আপডেট টাইম : ০৭:৫৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২০

 

ঢাকা: রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল পিপিপি বা ব্যক্তি মালিকানায় দেয়ার চক্রান্ত বন্ধ করে পাটকল আধুনিকায়ন করে পাট শিল্প রক্ষার করার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকলের বদলি শ্রমিকবৃন্দ।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ দাবি জানান তারা। পাশাপাশি নিয়মিত কাজের ব্যবস্থা করা, ২০০৪ সালে সেটআপ অনুযায়ী শূণ্য পদে বদলি শ্রমিকদের নিয়োগ দেয়া, সকল প্রকার বকেয়া পরিশোধ করার আহ্বান জানান তারা।

খুলনা-যশোর অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বদলি শ্রমিক কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন শেখের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জাতীয় শ্রমিক জোট বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুজ্জামান বাদশা, সাধারণ সম্পাদক ও স্কপের যুগ্ম সমন্বয়কারী নইমুল আহসান জুয়েল, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, খুলনা জেলা সভাপতি জনার্দন দত্ত নান্টু প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার আজ রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহকে পিপিপি বা ব্যক্তিমালিকানায় দেয়ার প্রক্রিয়া করছে, তাই মিলের উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে। ফলে পাটকলের বদলি শ্রমিকরা কাজ পাচ্ছে না, অথচ প্রত্যেকটি পাটকলে অনেক পদ খালি আছে। সেসব পদে কোন নতুন নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি পাটকল লাভজনক করার জন্য স্কপ ও শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবনা দেয়ার পরও সরকারের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিজেএমসি ও মিল কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি বন্ধেও সরকারের কোন উদ্যোগ নেই।

রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলের বদলি শ্রমিকদের দাবির ব্যাপারে অবিলম্বে সরকার ও বিজেএমসি কোন উদ্যোগ না নিলে প্রত্যেক মিলে ধর্মঘটসহ কঠোর কর্মসূচি দিতে শ্রমিকরা বাধ্য হবে বলে জানান বক্তারা।


প্রিন্ট