ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোট গ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে-ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদকে বঙ্গভবনে বিদায়ী সংবর্ধনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রত্যাশা সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের

মমতার ক্ষমা প্রার্থনা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙলো ‘বিজেপি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: ভারতের লোকসভা ভোটের তাণ্ডবে ভাঙা হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি। ক্ষমতাসীন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহের রোড শো থেকেই বিদ্যাসাগর কলেজে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে। শুধু দরজা, জিনিসপত্র ভাঙচুর নয়, অফিসঘরে বসানো বিদ্যাসাগরের মূর্তিও বিজেপি-সমর্থকরা আছাড় মেরে ভেঙে দেন বলে অভিযোগ।
তবে বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, শাহের রোড শোয়ে ইট ছুড়ে আক্রমণ চালিয়ে প্রথমে গোলমাল বাধিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলই। এমনকি রোড শো শুরুর আগেই পোস্টার-ফেস্টুন খুলে দিয়ে প্ররোচণা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছিল শাসক দল।

এদিকে, উপমহাদেশের প্রখ্যাত মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার নিন্দায় সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল। উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, পুলিশ কমিশনার রাজেশ কুমার রাতেই জানিয়েছেন, তদন্ত শুরু হয়ে গেছে।
আনন্দবাজার বলছে, রাতে মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। সেইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং পুলিশ কমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

প্রশাসন বলছে, নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে মূর্তি ভাঙার খবর পান মমতা। এ সময় তিনি কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে ফোন করে কঠোর নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। বিজেপির কিছু লোক এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। যেকোনও মূল্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে।’

পুলিশ রাতেই জানায়, ১৬ জন হাঙ্গামাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে, ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হয়েছে। আগুন জ্বালানো হয়েছে। এটা ওঁর ২০০ বছর। কোনো রাজনৈতিক দলের এ রকম হাঙ্গামা কখনও দেখিনি। বিহার-রাজস্থান থেকে গুণ্ডা এনে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। নিন্দার ভাষা নেই। আমি লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। বাংলার মানুষ হয়ে আমরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সম্মান দিতে পারি না বিজেপির গুণ্ডাদের জন্য।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

মমতার ক্ষমা প্রার্থনা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙলো ‘বিজেপি’

আপডেট টাইম : ০২:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: ভারতের লোকসভা ভোটের তাণ্ডবে ভাঙা হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি। ক্ষমতাসীন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহের রোড শো থেকেই বিদ্যাসাগর কলেজে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে। শুধু দরজা, জিনিসপত্র ভাঙচুর নয়, অফিসঘরে বসানো বিদ্যাসাগরের মূর্তিও বিজেপি-সমর্থকরা আছাড় মেরে ভেঙে দেন বলে অভিযোগ।
তবে বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, শাহের রোড শোয়ে ইট ছুড়ে আক্রমণ চালিয়ে প্রথমে গোলমাল বাধিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলই। এমনকি রোড শো শুরুর আগেই পোস্টার-ফেস্টুন খুলে দিয়ে প্ররোচণা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছিল শাসক দল।

এদিকে, উপমহাদেশের প্রখ্যাত মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার নিন্দায় সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল। উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, পুলিশ কমিশনার রাজেশ কুমার রাতেই জানিয়েছেন, তদন্ত শুরু হয়ে গেছে।
আনন্দবাজার বলছে, রাতে মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। সেইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং পুলিশ কমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

প্রশাসন বলছে, নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে মূর্তি ভাঙার খবর পান মমতা। এ সময় তিনি কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে ফোন করে কঠোর নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। বিজেপির কিছু লোক এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। যেকোনও মূল্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে।’

পুলিশ রাতেই জানায়, ১৬ জন হাঙ্গামাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে, ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা হয়েছে। আগুন জ্বালানো হয়েছে। এটা ওঁর ২০০ বছর। কোনো রাজনৈতিক দলের এ রকম হাঙ্গামা কখনও দেখিনি। বিহার-রাজস্থান থেকে গুণ্ডা এনে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। নিন্দার ভাষা নেই। আমি লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। বাংলার মানুষ হয়ে আমরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সম্মান দিতে পারি না বিজেপির গুণ্ডাদের জন্য।’


প্রিন্ট