ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

অস্ট্রেলিয়ার স্কুলে স্কার্ফ নিষিদ্ধ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাথায় স্কার্ফ পরা নিষিদ্ধের একটি আইন অনুমোদন করেছেন সংসদ সদস্যরা।
সংসদে অস্ট্রেলিয়ার ডানপন্থী সরকার এই প্রস্তাব তুলেছিল বলে খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি ও আলজাজিরা।

এ ধরনের আইনকে মুসলিমদের প্রতি বৈষম্য বলে অভিহিত করা হচ্ছে। তবে এই আইনে দেশটির ক্ষমতাসীন ডানপন্থী জোট সরকারের দুটি দল পিপলস পার্টি ও ফ্রিডম পার্টির সদস্যরা সমর্থন দিয়েছেন। এর স্পষ্ট বার্তা, তাদের সবারই টার্গেট মুসলিমদের স্কার্ফ।

আইনে বলা হয়েছে, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আদর্শিক অথবা ধর্মীয়ভাবে প্রভাব ফেলে এমন কোনো পোশাকে মাথা ঢাকা যাবে না।’

ফ্রিডম পার্টির শিক্ষাবিষয়ক মুখপাত্র ওয়েনডিলিন মোয়েলজার বলেন, ‘আইনটি রাজনৈতিক ইসলামের বিরুদ্ধে একটি বার্তা।’ আর পিপলস পার্টির এমপি রুডলফ তাসকিনার বলেন, ‘আইনটি নারীদের ‘অধীনতা’ থেকে মুক্তি দেবে।’

সরকার অবশ্য স্পষ্টই জানিয়েছে, আইনটি শিখ ছেলে এবং খ্রিস্টান কেপ্পাদের জন্য প্রযোজ্য হবে না।

আইন অনুমোদনের আগে যখন সরকার এ ধরনের প্রস্তাব দিয়েছিল, অস্ট্রেলিয়ার স্বীকৃত মুসলিম সংগঠন আইজিজিও তার নিন্দা জানিয়েছিল। সংগঠনটি এটিকে ‘লজ্জাস্কর’ এবং ‘অপকৌশল’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।

এখন আইজিজিও বলছে, এ ধরনের আইনের ফলে দেশটিতে একটি ধর্মের মেয়েরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

অবশ্য সংসদের বেশিরভাগ বিরোধীদলীয় এমপি সরকারের এ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে কতিপয় এমপি শিশুদের কল্যাণের পরিবর্তে এ ধরনের পদক্ষেপের জন্য সরকারের কড়া সমালোচনাও করেন।

পিপলস পার্টি ও ফ্রিডম পার্টি জোট করে ২০১৭ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। দুটি দলই দেশটিতে অভিবাসী বিরোধী বলে পরিচিত।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

অস্ট্রেলিয়ার স্কুলে স্কার্ফ নিষিদ্ধ!

আপডেট টাইম : ১২:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাথায় স্কার্ফ পরা নিষিদ্ধের একটি আইন অনুমোদন করেছেন সংসদ সদস্যরা।
সংসদে অস্ট্রেলিয়ার ডানপন্থী সরকার এই প্রস্তাব তুলেছিল বলে খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি ও আলজাজিরা।

এ ধরনের আইনকে মুসলিমদের প্রতি বৈষম্য বলে অভিহিত করা হচ্ছে। তবে এই আইনে দেশটির ক্ষমতাসীন ডানপন্থী জোট সরকারের দুটি দল পিপলস পার্টি ও ফ্রিডম পার্টির সদস্যরা সমর্থন দিয়েছেন। এর স্পষ্ট বার্তা, তাদের সবারই টার্গেট মুসলিমদের স্কার্ফ।

আইনে বলা হয়েছে, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আদর্শিক অথবা ধর্মীয়ভাবে প্রভাব ফেলে এমন কোনো পোশাকে মাথা ঢাকা যাবে না।’

ফ্রিডম পার্টির শিক্ষাবিষয়ক মুখপাত্র ওয়েনডিলিন মোয়েলজার বলেন, ‘আইনটি রাজনৈতিক ইসলামের বিরুদ্ধে একটি বার্তা।’ আর পিপলস পার্টির এমপি রুডলফ তাসকিনার বলেন, ‘আইনটি নারীদের ‘অধীনতা’ থেকে মুক্তি দেবে।’

সরকার অবশ্য স্পষ্টই জানিয়েছে, আইনটি শিখ ছেলে এবং খ্রিস্টান কেপ্পাদের জন্য প্রযোজ্য হবে না।

আইন অনুমোদনের আগে যখন সরকার এ ধরনের প্রস্তাব দিয়েছিল, অস্ট্রেলিয়ার স্বীকৃত মুসলিম সংগঠন আইজিজিও তার নিন্দা জানিয়েছিল। সংগঠনটি এটিকে ‘লজ্জাস্কর’ এবং ‘অপকৌশল’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।

এখন আইজিজিও বলছে, এ ধরনের আইনের ফলে দেশটিতে একটি ধর্মের মেয়েরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

অবশ্য সংসদের বেশিরভাগ বিরোধীদলীয় এমপি সরকারের এ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে কতিপয় এমপি শিশুদের কল্যাণের পরিবর্তে এ ধরনের পদক্ষেপের জন্য সরকারের কড়া সমালোচনাও করেন।

পিপলস পার্টি ও ফ্রিডম পার্টি জোট করে ২০১৭ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। দুটি দলই দেশটিতে অভিবাসী বিরোধী বলে পরিচিত।


প্রিন্ট