ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোট গ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে-ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদকে বঙ্গভবনে বিদায়ী সংবর্ধনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রত্যাশা সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের

বিনিয়োগ বাড়াতে চীনের প্রতি এফবিসিসিআইয়ের আহ্বান

ফাইল ছবি

দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। রোববার ফেডারেশন ভবনে সফররত চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (সিসিপিআইটি) ৯ সদস্যের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় এফবিসিসিআই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এ আহ্বান জানান।

সিসিপিআইটির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চায়নিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) ভাইস চেয়ারম্যান মি. লিন জিয়ং। মি. লিন বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই এবং সিসিপিআইটি, গুয়াংডং-এর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এফবিসিসিআই পরিচালক সালাহউদ্দিন আলমগীর, রেজাউল করিম রেজনু প্রমুখ আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাক্স হলিডে, কর্পোরেট কর সুবিধা ইত্যাদি গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং সমুদ্র বন্দরে ( চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা) সুবিধা গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীরা এ দেশে বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়াও তিনি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, কানাডাসহ বিশ্বের অনেক দেশে রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত সুবিধা পেয়ে থাকে তা গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীদেরকে এ দেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৯৪৯.৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য চীনে রফতানি করে এবং চীন থেকে ১০১২৮.১ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। চীনে বাংলাদেশের রফতানিযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে- ওভেন, গার্মেন্টস, চামড়াজাত পণ্য, নীটওয়্যার, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ফ্রোজেন ফুড এবং প্লাস্টিক ও প্লাস্টিক সামগ্রী। আর চীন থেকে মূলত টেক্সটাইল এবং টেক্সটাইল সামগ্রী, যন্ত্রপাতি ও ইলেক্ট্রনিকস সামগ্রী আমদানি করা হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

বিনিয়োগ বাড়াতে চীনের প্রতি এফবিসিসিআইয়ের আহ্বান

আপডেট টাইম : ১১:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ করতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। রোববার ফেডারেশন ভবনে সফররত চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (সিসিপিআইটি) ৯ সদস্যের বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় এফবিসিসিআই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম এ আহ্বান জানান।

সিসিপিআইটির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চায়নিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) ভাইস চেয়ারম্যান মি. লিন জিয়ং। মি. লিন বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই এবং সিসিপিআইটি, গুয়াংডং-এর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এফবিসিসিআই পরিচালক সালাহউদ্দিন আলমগীর, রেজাউল করিম রেজনু প্রমুখ আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাক্স হলিডে, কর্পোরেট কর সুবিধা ইত্যাদি গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান এবং সমুদ্র বন্দরে ( চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা) সুবিধা গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীরা এ দেশে বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়াও তিনি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, কানাডাসহ বিশ্বের অনেক দেশে রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত সুবিধা পেয়ে থাকে তা গ্রহণ করে চীনা ব্যবসায়ীদেরকে এ দেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৯৪৯.৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য চীনে রফতানি করে এবং চীন থেকে ১০১২৮.১ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। চীনে বাংলাদেশের রফতানিযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে- ওভেন, গার্মেন্টস, চামড়াজাত পণ্য, নীটওয়্যার, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ফ্রোজেন ফুড এবং প্লাস্টিক ও প্লাস্টিক সামগ্রী। আর চীন থেকে মূলত টেক্সটাইল এবং টেক্সটাইল সামগ্রী, যন্ত্রপাতি ও ইলেক্ট্রনিকস সামগ্রী আমদানি করা হয়।


প্রিন্ট