ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

যাত্রীরা ভোগান্তি এড়াতে কমলাপুরের আগেই ট্রেনে উঠছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ওঠার ভোগান্তি এড়াতে ও সিট পেতে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন ঢাকায় প্রবেশের মুখ বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠছেন অনেকে। কমলাপুর স্টেশন থেকে ঠেলাঠেলি করে ট্রেনে ওঠার কষ্ট এড়াতেও অনেকে এখান থেকে এ পন্থা অবলম্বন করছেন।

অর্থাৎ ঢাকা থেকে ঈদগামী যাত্রীদের একটা অংশ ট্রেন ছাড়ার নির্দিষ্ট সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান নিচ্ছেন। এরপর সেখান থেকে তারা ট্রেনে উঠে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাচ্ছেন এবং সেখান থেকে আবার বিমানবন্দর স্টেশন হয়ে যার যার গন্তব্যে যাচ্ছেন।

রোববার (২ জুন) রাজধানী বিমানবন্দর স্টেশনে অবস্থান করে দেখা যায়, স্টেশনের উল্টো পাশের প্লাটফর্মে অপেক্ষমান অনেক যাত্রী। এই যাত্রীদের অধিকাংশই প্রবেশ মুখেই ট্রেনে উঠবেন। বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ঢাকায় আসা ট্রেন বিমানবন্দরে থামতেই তারা উঠে যাচ্ছিলেন। অনেক সময় ট্রেনে আসা যাত্রীদের নামার আগেই তাদের উঠে পড়তে দেখা যায়।

কমলাপুর স্টেশন থেকে ওঠা ও সিট পাওয়ার ভোগান্তি এড়াতে ট্রেন প্রবেশের সময় বিমানবন্দর স্টেশন থেকে উঠতে এখানে অবস্থান নেয়াদের একজন রাজধানীর মিরপুরে একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মো. জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ‘সকাল ৭টার দিকে বিমানবন্দর স্টেশনে এসেছি। ট্রেনে ভিড় থাকে। তাই ট্রেন কমলাপুর যাওয়ার পথেই বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে উঠবো বলে এত সকালে এখানে এসেছি।’

ঈদকে সামনে রেখে হাজারও যাত্রী ট্রেনে করে ঢাকা ছাড়ছেন। ট্রেনে সিট না পেলেও অনেকে দাঁড়ানোর টিকিট নিয়েই বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেন। যাত্রী বেশি থাকলে দাঁড়ানোর জায়গাও মেলে না অনেক সময়।

ঢাকা থেকে নীলফামারীর ডোমরায় যাবেন নির্মাণশ্রমিক আনজারুল ইসলাম, রশিদুল, মশিয়ার ও মমিনুল। তারাও আগে ভাগে ট্রেনে উঠতে ভোর ৭টায় বিমানবন্দর স্টেশনে এসেছিলেন।

তারা জানান, কামলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে ওঠা ও সিট পাওয়া যাবে না। তাই তারা বিমানবন্দর স্টেশনে এসেছেন। সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ট্রেন বিমানবন্দর স্টেশনে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা ভোর ৭টায় স্টেশনে আসেন। যাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাওয়ার পথেই তারা বিমানবন্দর থেকে ট্রেনে উঠে পড়তে পারেন।

দুপুর ৩টায় ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী সিল্কসিটি ট্রেনে করে সিরাজগঞ্জ নামবেন মো. সজল আর পাবনার ঈশ্বরদী নামবেন মো. সজীব। তারা জানান, বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে কষ্ট হয়।

তাদের বক্তব্য, ‘দুপুর ৩টার দিকে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে যাবে সিল্কসিটি। ট্রেনটি দুপুর ১টা ২০ মিনিটে বিমানবন্দর স্টেশন হয়ে ঢাকা প্রবেশ করার কথা রয়েছে। এসএমএস পাঠিয়েছি, তাতে দেখাচ্ছে ট্রেনটি ৪৬ মিনিট দেরি করে প্রবেশ করবে। বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার সময় ট্রেনে ওঠা খুব কষ্টের। তাই আমরা বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এখানে এসেছি। বিমানবন্দর স্টেশন থেকেই ট্রেনে উঠব, যাতে করে ছেড়ে যাওয়ার সময় ট্রেনে ওঠার ভোগান্তিতে না পড়তে হয়।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

যাত্রীরা ভোগান্তি এড়াতে কমলাপুরের আগেই ট্রেনে উঠছেন

আপডেট টাইম : ০২:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ওঠার ভোগান্তি এড়াতে ও সিট পেতে বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন ঢাকায় প্রবেশের মুখ বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠছেন অনেকে। কমলাপুর স্টেশন থেকে ঠেলাঠেলি করে ট্রেনে ওঠার কষ্ট এড়াতেও অনেকে এখান থেকে এ পন্থা অবলম্বন করছেন।

অর্থাৎ ঢাকা থেকে ঈদগামী যাত্রীদের একটা অংশ ট্রেন ছাড়ার নির্দিষ্ট সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান নিচ্ছেন। এরপর সেখান থেকে তারা ট্রেনে উঠে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাচ্ছেন এবং সেখান থেকে আবার বিমানবন্দর স্টেশন হয়ে যার যার গন্তব্যে যাচ্ছেন।

রোববার (২ জুন) রাজধানী বিমানবন্দর স্টেশনে অবস্থান করে দেখা যায়, স্টেশনের উল্টো পাশের প্লাটফর্মে অপেক্ষমান অনেক যাত্রী। এই যাত্রীদের অধিকাংশই প্রবেশ মুখেই ট্রেনে উঠবেন। বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ঢাকায় আসা ট্রেন বিমানবন্দরে থামতেই তারা উঠে যাচ্ছিলেন। অনেক সময় ট্রেনে আসা যাত্রীদের নামার আগেই তাদের উঠে পড়তে দেখা যায়।

কমলাপুর স্টেশন থেকে ওঠা ও সিট পাওয়ার ভোগান্তি এড়াতে ট্রেন প্রবেশের সময় বিমানবন্দর স্টেশন থেকে উঠতে এখানে অবস্থান নেয়াদের একজন রাজধানীর মিরপুরে একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মো. জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ‘সকাল ৭টার দিকে বিমানবন্দর স্টেশনে এসেছি। ট্রেনে ভিড় থাকে। তাই ট্রেন কমলাপুর যাওয়ার পথেই বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে উঠবো বলে এত সকালে এখানে এসেছি।’

ঈদকে সামনে রেখে হাজারও যাত্রী ট্রেনে করে ঢাকা ছাড়ছেন। ট্রেনে সিট না পেলেও অনেকে দাঁড়ানোর টিকিট নিয়েই বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেন। যাত্রী বেশি থাকলে দাঁড়ানোর জায়গাও মেলে না অনেক সময়।

ঢাকা থেকে নীলফামারীর ডোমরায় যাবেন নির্মাণশ্রমিক আনজারুল ইসলাম, রশিদুল, মশিয়ার ও মমিনুল। তারাও আগে ভাগে ট্রেনে উঠতে ভোর ৭টায় বিমানবন্দর স্টেশনে এসেছিলেন।

তারা জানান, কামলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে ওঠা ও সিট পাওয়া যাবে না। তাই তারা বিমানবন্দর স্টেশনে এসেছেন। সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ট্রেন বিমানবন্দর স্টেশনে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা ভোর ৭টায় স্টেশনে আসেন। যাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাওয়ার পথেই তারা বিমানবন্দর থেকে ট্রেনে উঠে পড়তে পারেন।

দুপুর ৩টায় ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী সিল্কসিটি ট্রেনে করে সিরাজগঞ্জ নামবেন মো. সজল আর পাবনার ঈশ্বরদী নামবেন মো. সজীব। তারা জানান, বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে কষ্ট হয়।

তাদের বক্তব্য, ‘দুপুর ৩টার দিকে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে যাবে সিল্কসিটি। ট্রেনটি দুপুর ১টা ২০ মিনিটে বিমানবন্দর স্টেশন হয়ে ঢাকা প্রবেশ করার কথা রয়েছে। এসএমএস পাঠিয়েছি, তাতে দেখাচ্ছে ট্রেনটি ৪৬ মিনিট দেরি করে প্রবেশ করবে। বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার সময় ট্রেনে ওঠা খুব কষ্টের। তাই আমরা বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এখানে এসেছি। বিমানবন্দর স্টেশন থেকেই ট্রেনে উঠব, যাতে করে ছেড়ে যাওয়ার সময় ট্রেনে ওঠার ভোগান্তিতে না পড়তে হয়।’


প্রিন্ট