ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

অর্থমন্ত্রীকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চিঠি তামাকের দাম বাড়াতে

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: আসন্ন বাজেটে তামাকজাত পণ্যের কর বৃদ্ধির মাধ্যমে দাম বৃদ্ধির জন্য অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস ৩ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে এ চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন—পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক টুকু, ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন খসরু এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী।
চিঠিতে তামাক পণ্যের কর বাড়াতে সিগারেটের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চারটি মূল্যস্তর (৩৫, ৪৮, ৭৫ এবং ১০৫ টাকা) বিলুপ্ত করে দুটি মূল্যস্তর (৫০ ও ১০৫ টাকা তদূর্ধ্ব) নির্ধারণের পাশাপাশি ৬৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ এবং প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে পাঁচ টাকা নির্দিষ্ট কর আরোপের দাবি জানানো হয়। বিড়ির ক্ষেত্রে ২৫ শলাকার প্যাকেটের দাম সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা ধরে তার সঙ্গে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও প্রতি প্যাকেটে ছয় টাকা সুনির্দিষ্ট কর বসানো এবং গুল-জর্দার ক্ষেত্রে ট্যারিফ ভ্যালু প্রথা বাতিল করে সিগারেট ও বিড়ির ন্যায় খুচরা মূল্যের ভিত্তিতে করারোপের সুপারিশ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশে পৌনে চার কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক সেবন করেন। তামাক ব্যবহারের ফলে প্রতিবছর চিকিৎসা ও উৎপাদনশীলতা হারানো বাবদ ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হচ্ছে। তামাকের এ ক্ষতি প্রতিরোধ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় স্পিকার সম্মেলনে ঘোষণা দেন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার। এ ঘোষণা বাস্তবায়নে তামাকের ওপর বর্তমান শুল্ক কাঠামো সহজ ও দৃঢ় করার নির্দেশ রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। কর কাঠামো শক্তিশালী হলে তামাক জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাবে এবং সরকারের শুল্ক আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর তামাকের নেতিবাচক প্রভাবের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ‘২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে আসন্ন বাজেটের জন্য সুনির্দিষ্ট সুপারিশ চিঠিতে তুলে ধরা হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

অর্থমন্ত্রীকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চিঠি তামাকের দাম বাড়াতে

আপডেট টাইম : ০৮:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: আসন্ন বাজেটে তামাকজাত পণ্যের কর বৃদ্ধির মাধ্যমে দাম বৃদ্ধির জন্য অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস ৩ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে এ চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন—পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শামসুল হক টুকু, ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন খসরু এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী।
চিঠিতে তামাক পণ্যের কর বাড়াতে সিগারেটের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চারটি মূল্যস্তর (৩৫, ৪৮, ৭৫ এবং ১০৫ টাকা) বিলুপ্ত করে দুটি মূল্যস্তর (৫০ ও ১০৫ টাকা তদূর্ধ্ব) নির্ধারণের পাশাপাশি ৬৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ এবং প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে পাঁচ টাকা নির্দিষ্ট কর আরোপের দাবি জানানো হয়। বিড়ির ক্ষেত্রে ২৫ শলাকার প্যাকেটের দাম সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা ধরে তার সঙ্গে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও প্রতি প্যাকেটে ছয় টাকা সুনির্দিষ্ট কর বসানো এবং গুল-জর্দার ক্ষেত্রে ট্যারিফ ভ্যালু প্রথা বাতিল করে সিগারেট ও বিড়ির ন্যায় খুচরা মূল্যের ভিত্তিতে করারোপের সুপারিশ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশে পৌনে চার কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক সেবন করেন। তামাক ব্যবহারের ফলে প্রতিবছর চিকিৎসা ও উৎপাদনশীলতা হারানো বাবদ ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হচ্ছে। তামাকের এ ক্ষতি প্রতিরোধ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় স্পিকার সম্মেলনে ঘোষণা দেন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার। এ ঘোষণা বাস্তবায়নে তামাকের ওপর বর্তমান শুল্ক কাঠামো সহজ ও দৃঢ় করার নির্দেশ রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। কর কাঠামো শক্তিশালী হলে তামাক জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে যাবে এবং সরকারের শুল্ক আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর তামাকের নেতিবাচক প্রভাবের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ‘২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে আসন্ন বাজেটের জন্য সুনির্দিষ্ট সুপারিশ চিঠিতে তুলে ধরা হয়।


প্রিন্ট