ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

যে কোনো প্রান্তে হামলা চালাতে চীনের হাইপারসনিক প্রস্তুতি

ফাইল ছবি

মাত্র ১৪ মিনিটে চীনা যুদ্ধবিমান পৌঁছে যাবে মার্কিন উপকূলে, চালাতে পারবে পরমাণু হামলাও। শুধু আমেরিকায় নয়, খুব অল্প সময়েই যুদ্ধবিমানটি পারমাণু বোমা ফেলতে পারবে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে। তেমনই এক হাইপারসনিক যুদ্ধবিমান তৈরি করছে চীন।

হংকংভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে এ হাইপারসনিক জেট আকাশে উড়বে। হাইপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ চলছে। চীনা এক বিজ্ঞানী বলেছেন, জেটটিকে পরীক্ষা করা হবে একটি উইন্ড টানেলের মধ্যে। সেই বিশেষ উইন্ড টানেলও তৈরির কাজ চলছে।

অত্যন্ত গোপনীয় উইন্ড টানেল প্রকল্পটিতে কাজ করছেন যে বিজ্ঞানীরা, তাদেরই একজনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। তবে হাইপারসনিক জেট তৈরি হচ্ছে, সেটির পরীক্ষা শুধু নয়, আরও নানা ধরনের হাইপারসনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জাম তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে চীন।

২০২০ সালের মধ্যেই টানেলটি তৈরি হয়ে যাবে বলে চীনা বিজ্ঞানী ঝাও ওয়েই জানিয়েছেন। ওই বছরের মধ্যেই পরমাণু হামলায় সক্ষম হাপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ শেষ হবে। সেকেন্ডে ১২ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারবে চীনের এই হাইপারসনিক যুদ্ধবিমান। অর্থাৎ শব্দের ৩৫ গুণ বেগে ছুটে চলবে বিমানটি।

এ গতিবেগে উড়লে চীন থেকে মার্কিন উপকূলে পৌঁছাতে মাত্র ১৪ মিনিট সময়ের প্রয়োজন হবে। তবে এটিই চীনের প্রথম হাইপারসনিক জেট প্রকল্প নয়। ডিএফ-জেএফ নামে একটি হাইপারসনিক জেট ২০১৩ সালেই তৈরি করে চীন। এ পর্যন্ত অন্তত সাত বার পরীক্ষামূলক সফল উড্ডয়ন করা হয়েছে।

এই ডিএফ-জেডএফ শব্দের পাঁচগুণ এবং ১০ গুণ বেগে উড়তে পারে। ডিএফ-জেডএফ ব্যবহার করেই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো বা পরমাণু বোমা ফেলা সম্ভব বলে চীনা বিজ্ঞানীদের দাবি। কিন্তু তার চেয়েও অনেক শক্তিশালী, দ্রুতগামী এবং প্রায় অপ্রতিরোধ্য জেট তৈরির পথে চীন অনেকটা এগিয়েছে। আনন্দবাজার।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু

যে কোনো প্রান্তে হামলা চালাতে চীনের হাইপারসনিক প্রস্তুতি

আপডেট টাইম : ১২:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

মাত্র ১৪ মিনিটে চীনা যুদ্ধবিমান পৌঁছে যাবে মার্কিন উপকূলে, চালাতে পারবে পরমাণু হামলাও। শুধু আমেরিকায় নয়, খুব অল্প সময়েই যুদ্ধবিমানটি পারমাণু বোমা ফেলতে পারবে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে। তেমনই এক হাইপারসনিক যুদ্ধবিমান তৈরি করছে চীন।

হংকংভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে এ হাইপারসনিক জেট আকাশে উড়বে। হাইপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ চলছে। চীনা এক বিজ্ঞানী বলেছেন, জেটটিকে পরীক্ষা করা হবে একটি উইন্ড টানেলের মধ্যে। সেই বিশেষ উইন্ড টানেলও তৈরির কাজ চলছে।

অত্যন্ত গোপনীয় উইন্ড টানেল প্রকল্পটিতে কাজ করছেন যে বিজ্ঞানীরা, তাদেরই একজনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। তবে হাইপারসনিক জেট তৈরি হচ্ছে, সেটির পরীক্ষা শুধু নয়, আরও নানা ধরনের হাইপারসনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং সরঞ্জাম তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে চীন।

২০২০ সালের মধ্যেই টানেলটি তৈরি হয়ে যাবে বলে চীনা বিজ্ঞানী ঝাও ওয়েই জানিয়েছেন। ওই বছরের মধ্যেই পরমাণু হামলায় সক্ষম হাপারসনিক জেটটি তৈরির কাজ শেষ হবে। সেকেন্ডে ১২ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারবে চীনের এই হাইপারসনিক যুদ্ধবিমান। অর্থাৎ শব্দের ৩৫ গুণ বেগে ছুটে চলবে বিমানটি।

এ গতিবেগে উড়লে চীন থেকে মার্কিন উপকূলে পৌঁছাতে মাত্র ১৪ মিনিট সময়ের প্রয়োজন হবে। তবে এটিই চীনের প্রথম হাইপারসনিক জেট প্রকল্প নয়। ডিএফ-জেএফ নামে একটি হাইপারসনিক জেট ২০১৩ সালেই তৈরি করে চীন। এ পর্যন্ত অন্তত সাত বার পরীক্ষামূলক সফল উড্ডয়ন করা হয়েছে।

এই ডিএফ-জেডএফ শব্দের পাঁচগুণ এবং ১০ গুণ বেগে উড়তে পারে। ডিএফ-জেডএফ ব্যবহার করেই পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো বা পরমাণু বোমা ফেলা সম্ভব বলে চীনা বিজ্ঞানীদের দাবি। কিন্তু তার চেয়েও অনেক শক্তিশালী, দ্রুতগামী এবং প্রায় অপ্রতিরোধ্য জেট তৈরির পথে চীন অনেকটা এগিয়েছে। আনন্দবাজার।


প্রিন্ট