ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা দিতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর ব্ল্যাক কফি কী সত্যিই ওজন কমাতে পারে? ঝগড়ার পরে সম্পর্ক ঠিক করতে কী করবেন? ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১২ বিলিয়ন ডলার’ গণমাধ্যমের ওপর সরকারি পদক্ষেপে বিরোধী দলকে পাশে চাইলেন সম্পাদকরা সালমান শাহ হত্যা: ডনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি চড়া দামে বিক্রি হল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের বল

অনেক সময় কম্পিউটারে কাজ পর চোখকে চাপমুক্ত রাখতে করণীয়

 

তথ্য প্রযুক্তি : আজকাল কম্পিউটার ছাড়া ঠিক কোন কাজটি হয়? সব কাজেই জড়িয়েছে এই যন্ত্রটি। কেউ কেউ দিনের পুরোটা সময়ই হয়তো পার করে দিচ্ছেন কপম্পিউটারের সামনে। আর এতে কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোমের মতো সমস্যায় ভুগছেন। যেমন মাথা ব্যথা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, ফোকাস নষ্ট হওয়াসহ নানা রকমের সমস্যায় পড়তে হয়। নিজেকে সুস্থ রাখতে কিছু নিয়ম মানাটা তাই জরুরি। চিকিৎসকরা বেশ কিছু পরামর্শ দিয়ে থাকেন এক্ষেত্রে।

# কম্পিউটার স্ক্রিনে ধুলো, ময়লা কিংবা আঙুলের ছাপ পড়তে দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এই ময়লাগুলো স্ক্রিনে কোনো কিছু পড়তে চোখের সমস্যা তৈরি করে।

তৈরি করে বিভ্রম। দীর্ঘদিন অপরিষ্কার স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে ‘ক্রনিক হেড্যাক’ দেখা দিতে পারে। তাই রোজ একবার করে কম্পিউটারের স্ক্রিন পরিষ্কার করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

#রুমের অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো কম্পিউটারে পড়লে তা চোখ ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটারকে এমনভাবে, এমন জায়গায় রাখতে হবে যাতে ঘরের জানালা বরাবর কম্পিউটারের অবস্থান না হয়। মাথার ওপর সরাসরি ফ্লুরোসেন্ট বাতি এড়িয়ে চলা উত্তম।

#কম্পিউটার স্ক্রিনে পড়ার জন্য খুব ছোট ফন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। চোখের জন্য আরামদায়ক বড় ফন্ট সিলেক্ট করে নেয়া ভাল। এতে চোখে চাপ কম পড়বে। এর বাইরে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট সুবিধামতো কমিয়ে-বাড়িয়ে নেয়া যেতে পারে।

# আমরা অনেকেই কম্পিউটারে কাজ করার সময় এতোটাই মগ্ন থাকি যে, চোখের পলক ফেলতে ভুলে যাই। এতেই হয় হিতে বিপরীত। এজন্য একটু পর পর চোখের পলক ফেলা জরুরি। মাঝেমাঝে চোখ-মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিলে স্বস্তি মেলে।

#চোখের পলক ফেললে চোখে ময়েশ্চার তৈরি হয়। যা চোখের শুষ্কতা দূর করে। চোখে যদি বেশি শুষ্কতা দেখা যায় তবে ডেস্কটপের পরিবর্তে ল্যাপটপ ব্যবহার করা যেতে পারে।
#চোখ সুরক্ষার জন্য চমৎকার একটি কৌশল রয়েছে। যা আমরা ফলো করতে পারি।
২০-২০-২০। এতে প্রতি ২০ মিনিট পর পর, ২০ ফুট দূরত্বের কোনো জিনিসের দিকে ২০ সেকেন্ড করে তাকিয়ে থাকতে হয়। চোখ এতে বিশ্রাম পায়। গবেষকেরা বলেন, চোখের বিশ্রামের জন্য ২০-২০-২০ নিয়মটি মেনে চললে চোখে যথেষ্ট আর্দ্রতা থাকে এবং চোখের ওপর চাপ কমে। চোখকে ক্লান্তিমুক্ত রাখতে এটি মানা যেতে পারে।

# যারা কম্পিউটারে কাজ করেন তাদের প্রতিবছর একবার করে চোখ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

#আর চোখ ভালো রাখতে হলে পুষ্টিকর খাবার খেতেই হবে। টাটকা সবুজ শাকসবজি, হলুদ ফলমূল যেমন গাজর, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি খেতে হবে।

# এছাড়া, দীর্ঘক্ষণ একটানা কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিৎ নয়। কিছুক্ষণ পর পর উঠে হাঁটা যেতে পারে। চোখ বন্ধ করে কিছু সময় বসে থাকা যেতে পারে। এর বাইরেও চিকিৎসক দেখিয়ে চোখে চশমা ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকেই এন্টি-রিফ্লেক্টিভ গ্লাস ব্যবহার করে থাকেন এক্ষেত্রে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

অনেক সময় কম্পিউটারে কাজ পর চোখকে চাপমুক্ত রাখতে করণীয়

আপডেট টাইম : ০৮:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

 

তথ্য প্রযুক্তি : আজকাল কম্পিউটার ছাড়া ঠিক কোন কাজটি হয়? সব কাজেই জড়িয়েছে এই যন্ত্রটি। কেউ কেউ দিনের পুরোটা সময়ই হয়তো পার করে দিচ্ছেন কপম্পিউটারের সামনে। আর এতে কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোমের মতো সমস্যায় ভুগছেন। যেমন মাথা ব্যথা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, ফোকাস নষ্ট হওয়াসহ নানা রকমের সমস্যায় পড়তে হয়। নিজেকে সুস্থ রাখতে কিছু নিয়ম মানাটা তাই জরুরি। চিকিৎসকরা বেশ কিছু পরামর্শ দিয়ে থাকেন এক্ষেত্রে।

# কম্পিউটার স্ক্রিনে ধুলো, ময়লা কিংবা আঙুলের ছাপ পড়তে দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এই ময়লাগুলো স্ক্রিনে কোনো কিছু পড়তে চোখের সমস্যা তৈরি করে।

তৈরি করে বিভ্রম। দীর্ঘদিন অপরিষ্কার স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে ‘ক্রনিক হেড্যাক’ দেখা দিতে পারে। তাই রোজ একবার করে কম্পিউটারের স্ক্রিন পরিষ্কার করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

#রুমের অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো কম্পিউটারে পড়লে তা চোখ ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটারকে এমনভাবে, এমন জায়গায় রাখতে হবে যাতে ঘরের জানালা বরাবর কম্পিউটারের অবস্থান না হয়। মাথার ওপর সরাসরি ফ্লুরোসেন্ট বাতি এড়িয়ে চলা উত্তম।

#কম্পিউটার স্ক্রিনে পড়ার জন্য খুব ছোট ফন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। চোখের জন্য আরামদায়ক বড় ফন্ট সিলেক্ট করে নেয়া ভাল। এতে চোখে চাপ কম পড়বে। এর বাইরে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট সুবিধামতো কমিয়ে-বাড়িয়ে নেয়া যেতে পারে।

# আমরা অনেকেই কম্পিউটারে কাজ করার সময় এতোটাই মগ্ন থাকি যে, চোখের পলক ফেলতে ভুলে যাই। এতেই হয় হিতে বিপরীত। এজন্য একটু পর পর চোখের পলক ফেলা জরুরি। মাঝেমাঝে চোখ-মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিলে স্বস্তি মেলে।

#চোখের পলক ফেললে চোখে ময়েশ্চার তৈরি হয়। যা চোখের শুষ্কতা দূর করে। চোখে যদি বেশি শুষ্কতা দেখা যায় তবে ডেস্কটপের পরিবর্তে ল্যাপটপ ব্যবহার করা যেতে পারে।
#চোখ সুরক্ষার জন্য চমৎকার একটি কৌশল রয়েছে। যা আমরা ফলো করতে পারি।
২০-২০-২০। এতে প্রতি ২০ মিনিট পর পর, ২০ ফুট দূরত্বের কোনো জিনিসের দিকে ২০ সেকেন্ড করে তাকিয়ে থাকতে হয়। চোখ এতে বিশ্রাম পায়। গবেষকেরা বলেন, চোখের বিশ্রামের জন্য ২০-২০-২০ নিয়মটি মেনে চললে চোখে যথেষ্ট আর্দ্রতা থাকে এবং চোখের ওপর চাপ কমে। চোখকে ক্লান্তিমুক্ত রাখতে এটি মানা যেতে পারে।

# যারা কম্পিউটারে কাজ করেন তাদের প্রতিবছর একবার করে চোখ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

#আর চোখ ভালো রাখতে হলে পুষ্টিকর খাবার খেতেই হবে। টাটকা সবুজ শাকসবজি, হলুদ ফলমূল যেমন গাজর, পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি খেতে হবে।

# এছাড়া, দীর্ঘক্ষণ একটানা কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিৎ নয়। কিছুক্ষণ পর পর উঠে হাঁটা যেতে পারে। চোখ বন্ধ করে কিছু সময় বসে থাকা যেতে পারে। এর বাইরেও চিকিৎসক দেখিয়ে চোখে চশমা ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকেই এন্টি-রিফ্লেক্টিভ গ্লাস ব্যবহার করে থাকেন এক্ষেত্রে।


প্রিন্ট