ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

তেলের মজু্দ নিয়ে যা জানালো জ্বালানি মন্ত্রণালয়

সক্ষমতা অনুসারে দেশে যথেষ্ট পরিমাণ তেল মজুদ আছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের আওতাধীন কোম্পানিসমূহের ডিপোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। সংকটের কোনো আশঙ্কাও নেই।

মন্ত্রণালয় বলছে, এরই মধ্যে আগামী ৬ মাসের জন্য প্রয়োজনীয় তেল আমদানির প্রক্রিয়া পাইপ লাইনে আছে। বর্তমানে ডিজেল মজুদ রয়েছে চার লাখ ৩১ হাজার ৮৩৫ মেট্রিক টন। দৈনিক গড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩ হাজার ৬০৭ মেট্রিক টন। সেই হিসেবে ৩২ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে। জেট-এ-১ মজুদ রয়েছে ৪৪ দিনের ও ফার্নেস ওয়েল মজুদ রয়েছে ৩২ দিনের। অর্থাৎ আমাদের মজুত সক্ষমতা অনুসারে যথেষ্ট পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পেট্রল পুরোটাই বাংলাদেশ উৎপাদন করে। অকটেনের প্রায় ৪০ ভাগ বাংলাদেশ উৎপাদন করে। জুলাই ২০২২ মাসে ৯টি জাহাজ হতে এরই মধ্যে দুই লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, দুটি জাহাজে প্রায় ৪৩ হাজার মেট্রিক টন জেট-এ-১, একটি জাহাজ থেকে ২৪ হাজার ৬৭৭ মেট্রিক টন অকটেন ও দুটি জাহাজ থেকে ৫৩ হাজার ৩৫৮ মেট্রিক টন ফার্নেস ওয়েল গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামী আগস্ট মাসে আটটি জাহাজে দুই লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, একটি জাহাজে ২৫ হাজার মেট্রিক টন জেট-এ-১, একটি জাহাজে ২৫ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আসবে। আগামী ৬ মাসের আমদানি পরিকল্পনা অনুসারে যে জ্বালানি তেল বাংলাদেশে আসবে, এর ৫০ ভাগ জি-টু-জি চুক্তির মাধ্যমে এবং বাকি ৫০ ভাগ উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘাটতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

এমতাবস্থায় ভর্তুকিমূল্যে সরবরাহ করা জ্বালানি তেল ব্যবহারে মিতব্যয়ী ও সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

তেলের মজু্দ নিয়ে যা জানালো জ্বালানি মন্ত্রণালয়

আপডেট টাইম : ০৮:২৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই ২০২২

সক্ষমতা অনুসারে দেশে যথেষ্ট পরিমাণ তেল মজুদ আছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের আওতাধীন কোম্পানিসমূহের ডিপোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। সংকটের কোনো আশঙ্কাও নেই।

মন্ত্রণালয় বলছে, এরই মধ্যে আগামী ৬ মাসের জন্য প্রয়োজনীয় তেল আমদানির প্রক্রিয়া পাইপ লাইনে আছে। বর্তমানে ডিজেল মজুদ রয়েছে চার লাখ ৩১ হাজার ৮৩৫ মেট্রিক টন। দৈনিক গড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩ হাজার ৬০৭ মেট্রিক টন। সেই হিসেবে ৩২ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে। জেট-এ-১ মজুদ রয়েছে ৪৪ দিনের ও ফার্নেস ওয়েল মজুদ রয়েছে ৩২ দিনের। অর্থাৎ আমাদের মজুত সক্ষমতা অনুসারে যথেষ্ট পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পেট্রল পুরোটাই বাংলাদেশ উৎপাদন করে। অকটেনের প্রায় ৪০ ভাগ বাংলাদেশ উৎপাদন করে। জুলাই ২০২২ মাসে ৯টি জাহাজ হতে এরই মধ্যে দুই লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, দুটি জাহাজে প্রায় ৪৩ হাজার মেট্রিক টন জেট-এ-১, একটি জাহাজ থেকে ২৪ হাজার ৬৭৭ মেট্রিক টন অকটেন ও দুটি জাহাজ থেকে ৫৩ হাজার ৩৫৮ মেট্রিক টন ফার্নেস ওয়েল গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামী আগস্ট মাসে আটটি জাহাজে দুই লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, একটি জাহাজে ২৫ হাজার মেট্রিক টন জেট-এ-১, একটি জাহাজে ২৫ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আসবে। আগামী ৬ মাসের আমদানি পরিকল্পনা অনুসারে যে জ্বালানি তেল বাংলাদেশে আসবে, এর ৫০ ভাগ জি-টু-জি চুক্তির মাধ্যমে এবং বাকি ৫০ ভাগ উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘাটতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

এমতাবস্থায় ভর্তুকিমূল্যে সরবরাহ করা জ্বালানি তেল ব্যবহারে মিতব্যয়ী ও সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


প্রিন্ট