ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলেছে: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেছেন, জুলাই মাসে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ঘাটতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হ্রাসের পাশাপাশি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলেছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে খুব সহসা অর্থনীতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

গভর্নর কোনো ব্যাংকের নাম উল্লেখ না করে বলেন, শ্রেণিকৃত ঋণের মাত্রা, মূলধনের পর্যাপ্ততা, ঋণ-আমানত অনুপাত ও প্রভিশনিং বা নিরাপত্তা সঞ্চিতির পরিমাণ বিবেচনায় নিয়ে ১০টি দুর্বল ব্যাংক চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চিহ্নিত দুর্বল ব্যাংকগুলোকে তাদের সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়ান-টু-ওয়ান ভিত্তিতে আলোচনা শুরু করেছে। ব্যাংকগুলো ৩ বছর মেয়াদি বিজনেস প্ল্যান দেবে, যার ক্রমঅগ্রগতি বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণ করবেন।

রউফ তালুকদার বলেন, একটি ব্যাংক দুর্বল হলে অন্য ব্যাংকের ওপর এর প্রভাব পড়ে। তাই আমানতকারীদের কথা চিন্তা করে তাদের অর্থ যেন নিরাপদ থাকে, সেজন্যই এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাদের সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য কোনো ব্যাংক বন্ধ বা দুর্বল করা নয়, সব ব্যাংককে সবল করা। এজন্য যে ৪টি ইনডিকেটর (শ্রেণিকৃত ঋণের মাত্রা, মূলধনের পর্যাপ্ততা, ঋণ-আমানত অনুপাত ও প্রভিশনিং) বিবেচনা করে ১০টি ব্যাংকের তালিকা করেছি। এ ব্যাংকগুলো আবার সবল হোক, ব্যবসায় ফিরে আসুক ডিভিডেন্ড দিক- আমরা চাই। তারা ভালো হলে শেয়ারহোল্ডাররা উপকৃত হবেন। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত হবে; দেশের অর্থনীতি ভালো হবে।

গভর্নর আরো বলেন, দুর্বল ব্যাংকগুলোর নাম বলতে চাই না। তবে পত্রপত্রিকায় এরই মধ্যে নাম এসেছে। আমাদের লক্ষ্য ব্যাংকগুলোকে উন্নতির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা। দুর্বল ১০টি ব্যাংকের মধ্যে প্রথমটির সঙ্গে আলোচনায় বলেছি, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, আব্দুর রউফ তালুকদার জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব নেন। এরপর থেকে তিনি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল করার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলেছে: গভর্নর

আপডেট টাইম : ০৮:২৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেছেন, জুলাই মাসে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ঘাটতি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হ্রাসের পাশাপাশি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স বৃদ্ধি পাওয়ায় অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলেছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে খুব সহসা অর্থনীতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

গভর্নর কোনো ব্যাংকের নাম উল্লেখ না করে বলেন, শ্রেণিকৃত ঋণের মাত্রা, মূলধনের পর্যাপ্ততা, ঋণ-আমানত অনুপাত ও প্রভিশনিং বা নিরাপত্তা সঞ্চিতির পরিমাণ বিবেচনায় নিয়ে ১০টি দুর্বল ব্যাংক চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চিহ্নিত দুর্বল ব্যাংকগুলোকে তাদের সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়ান-টু-ওয়ান ভিত্তিতে আলোচনা শুরু করেছে। ব্যাংকগুলো ৩ বছর মেয়াদি বিজনেস প্ল্যান দেবে, যার ক্রমঅগ্রগতি বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণ করবেন।

রউফ তালুকদার বলেন, একটি ব্যাংক দুর্বল হলে অন্য ব্যাংকের ওপর এর প্রভাব পড়ে। তাই আমানতকারীদের কথা চিন্তা করে তাদের অর্থ যেন নিরাপদ থাকে, সেজন্যই এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাদের সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য কোনো ব্যাংক বন্ধ বা দুর্বল করা নয়, সব ব্যাংককে সবল করা। এজন্য যে ৪টি ইনডিকেটর (শ্রেণিকৃত ঋণের মাত্রা, মূলধনের পর্যাপ্ততা, ঋণ-আমানত অনুপাত ও প্রভিশনিং) বিবেচনা করে ১০টি ব্যাংকের তালিকা করেছি। এ ব্যাংকগুলো আবার সবল হোক, ব্যবসায় ফিরে আসুক ডিভিডেন্ড দিক- আমরা চাই। তারা ভালো হলে শেয়ারহোল্ডাররা উপকৃত হবেন। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত হবে; দেশের অর্থনীতি ভালো হবে।

গভর্নর আরো বলেন, দুর্বল ব্যাংকগুলোর নাম বলতে চাই না। তবে পত্রপত্রিকায় এরই মধ্যে নাম এসেছে। আমাদের লক্ষ্য ব্যাংকগুলোকে উন্নতির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করা। দুর্বল ১০টি ব্যাংকের মধ্যে প্রথমটির সঙ্গে আলোচনায় বলেছি, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, আব্দুর রউফ তালুকদার জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব নেন। এরপর থেকে তিনি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি দুর্বল ব্যাংকগুলোকে সবল করার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।


প্রিন্ট