ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এআই দিয়ে বাড়ছে সাইবার হামলা শূকরের ভাইরাস সোয়াইন ফ্লু’তে আক্রান্ত ইমরান হাশমি গুমের সংস্কৃতি যেন আর ফিরে না আসে : নাহিদ ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী মাগুরা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা-র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ব্রেকআপের ঠিক পরেই যে ৫টি কাজ কখনোই করা উচিত নয় ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন পেতে খেতে পারেন যেসব খাবার বেস্ট ফ্রেন্ড সাফার জন্মদিন, শুভেচ্ছায় যা বললেন তৌসিফ মাভাবিপ্রবিতে ১৫ দিনব্যাপী তিন হাজারের বেশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

বন্ধ হচ্ছে খুচরা সিগারেট বিক্রি, কিনতে হবে প্যাকেট

সিগারেট আর খুচরা কেনা যাবে না, কিনতে হবে পুরো প্যাকেট। এমনই বিধি রেখে সংশোধন করা হচ্ছে তামাক নিয়ন্ত্রন আইন। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশ হবে তামাকমুক্ত।

এছাড়া নতুন আইনে যেখানে সিগারেট বিক্রি হয়, সেখানে তামাকজাত পণ্যের প্রদর্শনীও করা যাবে না। নতুন আইনে নিষিদ্ধ হচ্ছে প্যাকেটহীন জর্দা-গুল বিক্রি। ই-সিগারেট, হিটেড টোবাকো পণ্যের আমদানি ও বিক্রিও বন্ধ করা হবে।

এদিকে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন আগেই বন্ধ হয়েছিল। ২০১৩ সালে যে বিধিমালা করা হয়েছিল, তাতে বিক্রয়ের স্থলে এসব পণ্য প্রদর্শন করা যেত। এবার সেই সুযোগও বন্ধ করা হচ্ছে।

বর্তমানে দোকান থেকে চাইলেই একটি বা দুটি সিগারেটের খুচরা শলাকা কেনা যায়। এবার সেই সুযোগও বন্ধ হচ্ছে। কিনতে হবে পুরো প্যাকেট।

এসব বিধান যুক্ত করে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হচ্ছে। ওয়েবসাইটে এরই মধ্যে উন্মুক্ত মতামত নেয়ার কাজ শেষ হয়েছে। চলতি বছরই আইনটি পাশ হতে পারে।

দেশে চার কোটি প্রাপ্তবয়স্ক লোক তামাক ব্যবহার করেন, যা উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ২০১৭ সালের এক সার্ভের তথ্যানুযায়ী, দেশে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে ৩৫ শতাংশের বেশি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ তামাকজাত পণ্য ব্যবহার করে। যার মধ্যে ৪৬ শতাংশ পুরুষ ও ২৫.২ শতাংশ নারী।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এআই দিয়ে বাড়ছে সাইবার হামলা

বন্ধ হচ্ছে খুচরা সিগারেট বিক্রি, কিনতে হবে প্যাকেট

আপডেট টাইম : ০৯:১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২

সিগারেট আর খুচরা কেনা যাবে না, কিনতে হবে পুরো প্যাকেট। এমনই বিধি রেখে সংশোধন করা হচ্ছে তামাক নিয়ন্ত্রন আইন। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশ হবে তামাকমুক্ত।

এছাড়া নতুন আইনে যেখানে সিগারেট বিক্রি হয়, সেখানে তামাকজাত পণ্যের প্রদর্শনীও করা যাবে না। নতুন আইনে নিষিদ্ধ হচ্ছে প্যাকেটহীন জর্দা-গুল বিক্রি। ই-সিগারেট, হিটেড টোবাকো পণ্যের আমদানি ও বিক্রিও বন্ধ করা হবে।

এদিকে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন আগেই বন্ধ হয়েছিল। ২০১৩ সালে যে বিধিমালা করা হয়েছিল, তাতে বিক্রয়ের স্থলে এসব পণ্য প্রদর্শন করা যেত। এবার সেই সুযোগও বন্ধ করা হচ্ছে।

বর্তমানে দোকান থেকে চাইলেই একটি বা দুটি সিগারেটের খুচরা শলাকা কেনা যায়। এবার সেই সুযোগও বন্ধ হচ্ছে। কিনতে হবে পুরো প্যাকেট।

এসব বিধান যুক্ত করে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হচ্ছে। ওয়েবসাইটে এরই মধ্যে উন্মুক্ত মতামত নেয়ার কাজ শেষ হয়েছে। চলতি বছরই আইনটি পাশ হতে পারে।

দেশে চার কোটি প্রাপ্তবয়স্ক লোক তামাক ব্যবহার করেন, যা উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ২০১৭ সালের এক সার্ভের তথ্যানুযায়ী, দেশে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে ৩৫ শতাংশের বেশি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ তামাকজাত পণ্য ব্যবহার করে। যার মধ্যে ৪৬ শতাংশ পুরুষ ও ২৫.২ শতাংশ নারী।


প্রিন্ট