ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার : বিমান মন্ত্রী ঢাকা-জার্কাতা অংশীদারিত্ব জোরদারে ৫ প্রস্তাব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর তৃণমূলের আস্থায় এম কফিল উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে আলোচনায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি অনুমোদন মৃধাবাড়ি থেকে কাজলা সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত ১৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস প্রস্তুতি ম্যাচে কুইন্সল্যান্ডের কাছে হারলো বাংলাদেশ নারী দল কালিয়াকৈরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে দিনরাত জেগে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রতিমা তৈরীর কারিগররা

সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসছেন অধিক সংখ্যক নারী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতের ব্যাপ্তি বাড়িয়ে ৭৪ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন,স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ফলে এখাতে আরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা ভোগ করা যাবে। সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা যাতে অধিকসংখ্যক নারী পায় সে পদক্ষেপও সরকার গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দারিদ্র্য ও বৈষম্য প্রতিরোধ, বৃহত্তর মানব উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃজন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম।
আজ বুধবার (১৯ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল সম্পর্কে অবহিতকরণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া ও চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

শিরীন শারমিন বলেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন। সেই দর্শন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল বাস্তবায়নে কাজ করছে।

স্পিকার বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথম বিধবা ভাতা চালু করেন। সময়ের পরিক্রমায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ দুটোই বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব প্রতিবন্ধীকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, বিগত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশের দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। দারিদ্র্য বৈষম্য নিরসনে সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে সামাজিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংসদ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের সুবিধা যাতে প্রকৃত দরিদ্র ব্যক্তির কাছে পৌঁছে সে বিষয়ে সংসদ সদস্যরা প্রয়োজনীয় তদারকি করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অবহিতকরণ কর্মশালায় জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল, কর্মপরিকল্পনা ও সামাজিক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট এসডিজি লক্ষ্য বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন যথাক্রমে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) ড. শামসুল আরেফিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ।

অনুষ্ঠানে হুইপ আতিকুর রহমান আতিক, ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি, শামসুল হক চৌধুরী এবং বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন।

অবহিতকরণ কর্মশালায় চলতি সংসদে নবনির্বাচিত ১০৩ সংসদ সদস্য অংশ নেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঊলিপুরে ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মগোপনে বিএনপি নেতা

সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসছেন অধিক সংখ্যক নারী

আপডেট টাইম : ০৮:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা খাতের ব্যাপ্তি বাড়িয়ে ৭৪ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন,স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ফলে এখাতে আরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা ভোগ করা যাবে। সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা যাতে অধিকসংখ্যক নারী পায় সে পদক্ষেপও সরকার গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দারিদ্র্য ও বৈষম্য প্রতিরোধ, বৃহত্তর মানব উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃজন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম।
আজ বুধবার (১৯ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল সম্পর্কে অবহিতকরণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া ও চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

শিরীন শারমিন বলেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন। সেই দর্শন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল বাস্তবায়নে কাজ করছে।

স্পিকার বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথম বিধবা ভাতা চালু করেন। সময়ের পরিক্রমায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ দুটোই বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব প্রতিবন্ধীকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, বিগত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশের দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। দারিদ্র্য বৈষম্য নিরসনে সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে সামাজিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংসদ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের সুবিধা যাতে প্রকৃত দরিদ্র ব্যক্তির কাছে পৌঁছে সে বিষয়ে সংসদ সদস্যরা প্রয়োজনীয় তদারকি করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অবহিতকরণ কর্মশালায় জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল, কর্মপরিকল্পনা ও সামাজিক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট এসডিজি লক্ষ্য বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন যথাক্রমে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) ড. শামসুল আরেফিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ।

অনুষ্ঠানে হুইপ আতিকুর রহমান আতিক, ইকবালুর রহিম, মাহবুব আরা বেগম গিনি, শামসুল হক চৌধুরী এবং বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন।

অবহিতকরণ কর্মশালায় চলতি সংসদে নবনির্বাচিত ১০৩ সংসদ সদস্য অংশ নেন।


প্রিন্ট