ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির মূলহোতা বিএনপি: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে হত্যা, সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মূলহোতা বিএনপি।

তিনি বলেন, আমরা আজ এই কথা বলতে চাই— রাজনীতিতে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে আমাদের চেতনায় লালন করি, পালন করি; এ জন্য আমাদের বাংলার হত্যার রাজনীতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হত্যা, সন্ত্রাস চিরতরে বন্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সেই ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ড হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের হত্যা। কয়েকটা পরিবারকে নিঃসঙ্গ করে দেওয়াই ছিল তাদের লক্ষ্য। সেদিন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছিলেন বিদেশে। ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর জেলের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল।

কাদের বলেন, এই হত্যার অপরাজনীতির ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ২৩টি তাজা প্রাণ রক্তাক্ত হয় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে। তাদের প্রধান টার্গেট ছিল তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে জেলহত্যা দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষণাসহ তিনটি দাবি নিয়ে স্পিকারকে স্মারকলিপি দিয়েছেন জাতীয় চার নেতার অন্যতম তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে তানজীম আহমদ সোহেল তাজ। একই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকেও স্মারকলিপি দিয়েছেন তিনি।

অন্য দুটি দাবি হলো— ১০ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার গঠনের দিনটিকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ ঘোষণা এবং জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনীসহ পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তক, সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা।

জেলহত্যা দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষণার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দাবি বাস্তবায়ন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের বিষয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির মূলহোতা বিএনপি: কাদের

আপডেট টাইম : ০৯:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে হত্যা, সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মূলহোতা বিএনপি।

তিনি বলেন, আমরা আজ এই কথা বলতে চাই— রাজনীতিতে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে আমাদের চেতনায় লালন করি, পালন করি; এ জন্য আমাদের বাংলার হত্যার রাজনীতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হত্যা, সন্ত্রাস চিরতরে বন্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সেই ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ড হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের হত্যা। কয়েকটা পরিবারকে নিঃসঙ্গ করে দেওয়াই ছিল তাদের লক্ষ্য। সেদিন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছিলেন বিদেশে। ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় ৩ নভেম্বর জেলের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল।

কাদের বলেন, এই হত্যার অপরাজনীতির ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ২৩টি তাজা প্রাণ রক্তাক্ত হয় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে। তাদের প্রধান টার্গেট ছিল তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে জেলহত্যা দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষণাসহ তিনটি দাবি নিয়ে স্পিকারকে স্মারকলিপি দিয়েছেন জাতীয় চার নেতার অন্যতম তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে তানজীম আহমদ সোহেল তাজ। একই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকেও স্মারকলিপি দিয়েছেন তিনি।

অন্য দুটি দাবি হলো— ১০ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার গঠনের দিনটিকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ ঘোষণা এবং জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনীসহ পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তক, সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা।

জেলহত্যা দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষণার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দাবি বাস্তবায়ন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের বিষয়।


প্রিন্ট