ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংস্কৃতির বিকাশেই গড়ে উঠবে মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম : ত্রাণমন্ত্রী জুমার নামাজ শেষে দোয়া-মোনাজাত মাধ্যমে পিরোজপুরে আল্লামা সাঈদীর তৃতীয় শাহাদাত বার্ষিকী পালিত সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে কাভারভ্যানসহ ২২ লাখ টাকার অবৈধ তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানিক প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া বিয়ে করে তালাকদিয়ে বিয়ে না করে সংসার করছে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ বেড, কাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে ৩৫ টি পোশাক কারখানা বন্ধ উৎপাদনে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা খেলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে গত ১৪ বছরে বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমরা বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছি। এই মর্যাদা বজায় রেখে দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কম্বল ও শীতবস্ত্র গ্রহণের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী একটি আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামে মালয়েশিয়ার নেতা মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে মাহাথির বলেছিলেন- দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি সরকারের প্রয়োজন।

দীর্ঘদিন ক্ষমতায় কারণে বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে পেরেছি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণ কতক্ষণ ভোট দেবে না দেবে সেটা তো বলতে পারি না। যদি ভোট পাই হয়তো থাকবো। কারণ আমাদের দেশে তো পরিবেশটা অন্য রকম। দীর্ঘদিন মিলিটারি ডিক্টেটর ছিল, কখনো ডাইরেক্টলি, কখনো ইনডাইরেক্টলি তারা ক্ষমতা দখল করে, আবার উর্দি খুলে রাজনীতিবিদ হয়। আর হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্র এটাতো আমাদের দেশে লেগেই আছে। ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক ধারা তো থাকে না এদেশে। যার জন্য একটা স্থিতিশীল পরিবেশও কখনো আসেনি। যেজন্য সার্বিক উন্নতিটা ঠিক হয়নি।

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের যে সম্মানটা আজ আন্তর্জাতিকভাবে আছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে। আমরা বাংলাদেশকে যে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছি, সেটা ধরেই যেন এগিয়ে যেতে পারি।

করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথাও প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন ।

শেখ হাসিনা বলেন, যতটুকু অর্জন আমি মনে করি এটা আপনাদের সবার অবদান। বাংলাদেশের জনগণের অবদান। আমি তাদেরকেই ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে অনেক দিন তো হয়ে গেল। মানুষকে এক সময় বিদায় নিতেই হবে। সেটাও আল্লাহর ইচ্ছা। যেদিন যেতে হয় চলে যাবো। এখান থেকে, এই চেয়ার থেকে, আবার জীবন থেকেও চলে যাবো। যেতেই হবে। এটাই হলো বাস্তবতা। আর সময় না হলে ততদিন কাজ করতে হবে। আল্লাহ যতক্ষণ সুযোগ দিয়েছেন।

বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলার ক্ষেত্রে আমার মনে হয় আমাদের সবার, বিশেষ করে আপনাদের একটু সহযোগিতা বেশি করা উচিত।

খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা যদি সকলে উৎসাহিত না করি তাহলে এই ছেলে-মেয়েগুলোর ভবিষ্যৎ কী? তারা যতবেশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা করবে ততবেশি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক থেকে দূরে থাকতে পারবে। এতে দেশের উন্নতি হবে।

যাদের শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের, সেখানে খেলোয়াড়দের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথাও বলেন শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কৃতির বিকাশেই গড়ে উঠবে মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম : ত্রাণমন্ত্রী

দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৮:১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ নভেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে গত ১৪ বছরে বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমরা বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে এসেছি। এই মর্যাদা বজায় রেখে দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কম্বল ও শীতবস্ত্র গ্রহণের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী একটি আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামে মালয়েশিয়ার নেতা মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করেন, যেখানে মাহাথির বলেছিলেন- দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি সরকারের প্রয়োজন।

দীর্ঘদিন ক্ষমতায় কারণে বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে পেরেছি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণ কতক্ষণ ভোট দেবে না দেবে সেটা তো বলতে পারি না। যদি ভোট পাই হয়তো থাকবো। কারণ আমাদের দেশে তো পরিবেশটা অন্য রকম। দীর্ঘদিন মিলিটারি ডিক্টেটর ছিল, কখনো ডাইরেক্টলি, কখনো ইনডাইরেক্টলি তারা ক্ষমতা দখল করে, আবার উর্দি খুলে রাজনীতিবিদ হয়। আর হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্র এটাতো আমাদের দেশে লেগেই আছে। ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক ধারা তো থাকে না এদেশে। যার জন্য একটা স্থিতিশীল পরিবেশও কখনো আসেনি। যেজন্য সার্বিক উন্নতিটা ঠিক হয়নি।

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের যে সম্মানটা আজ আন্তর্জাতিকভাবে আছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে। আমরা বাংলাদেশকে যে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছি, সেটা ধরেই যেন এগিয়ে যেতে পারি।

করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথাও প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন ।

শেখ হাসিনা বলেন, যতটুকু অর্জন আমি মনে করি এটা আপনাদের সবার অবদান। বাংলাদেশের জনগণের অবদান। আমি তাদেরকেই ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে অনেক দিন তো হয়ে গেল। মানুষকে এক সময় বিদায় নিতেই হবে। সেটাও আল্লাহর ইচ্ছা। যেদিন যেতে হয় চলে যাবো। এখান থেকে, এই চেয়ার থেকে, আবার জীবন থেকেও চলে যাবো। যেতেই হবে। এটাই হলো বাস্তবতা। আর সময় না হলে ততদিন কাজ করতে হবে। আল্লাহ যতক্ষণ সুযোগ দিয়েছেন।

বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলার ক্ষেত্রে আমার মনে হয় আমাদের সবার, বিশেষ করে আপনাদের একটু সহযোগিতা বেশি করা উচিত।

খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা যদি সকলে উৎসাহিত না করি তাহলে এই ছেলে-মেয়েগুলোর ভবিষ্যৎ কী? তারা যতবেশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা করবে ততবেশি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক থেকে দূরে থাকতে পারবে। এতে দেশের উন্নতি হবে।

যাদের শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের, সেখানে খেলোয়াড়দের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথাও বলেন শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট