ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

পুলিশের পোশাকে ইউএনওর নামে ৪৪ কেজি মাংস নিয়ে উধাও

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় পু্লিশ সেজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল হাই মো. আনাছের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

প্রতারক চক্র প্রতারণা করে ৪৪ কেজি গরুর মাংস নিয়ে উধাও হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়াদী হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. হান্নান থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি বানেশ্বর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বিড়ালদহ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগপত্রে হান্নান উল্লেখ করেন, শুক্রবার সকালে অটোরিকশায় করে আমার কসাইখানায় এসে দুজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ সদস্য বলে পরিচয় দেন। তারা বারবার আমার শরীরে লাইট মারেন এবং বলেন ইউএনও স্যার মাংস নিতে আমাদের পাঠিয়েছেন। তার বাসভবনে একটি ছোট অনুষ্ঠান আছে। ৫০ কেজি গরুর মাংস লাগবে এবং একজন কসাই আমাদের সঙ্গে যেতে হবে। স্যারের বাসভবনে গিয়ে মাংসগুলো ছোট ছোট সাইজ করে দিতে হবে। আর কাজ শেষে বিল পরিশোধ করা হবে। পরে জবাইকৃত গরুর একটি অংশ ৪৪ কেজি কসাইসহ তাদের সঙ্গে অটোতে তুলে দেওয়া হয়।

আরো উল্লেখ করা হয়, মাংসের দাম ২৯ হাজার ৫০০ টাকা। এরপর ওই দুই ব্যক্তি পুঠিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এসে একজন বলেন, আমি মাংস নিয়ে স্যারের বাসভবনে যাব। অপরজন বলেন, টাকা থানা থেকে দেওয়া হবে। টাকা আনতে ওই কসাইকে থানায় পাঠিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়।

রাজশাহীর পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়াদী হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী শুক্রবার রাতে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মো. আনাছ বলেন, প্রতারক চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে প্রতারণা করছে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

পুলিশের পোশাকে ইউএনওর নামে ৪৪ কেজি মাংস নিয়ে উধাও

আপডেট টাইম : ০৭:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২২

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় পু্লিশ সেজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল হাই মো. আনাছের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

প্রতারক চক্র প্রতারণা করে ৪৪ কেজি গরুর মাংস নিয়ে উধাও হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়াদী হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. হান্নান থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি বানেশ্বর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার বিড়ালদহ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগপত্রে হান্নান উল্লেখ করেন, শুক্রবার সকালে অটোরিকশায় করে আমার কসাইখানায় এসে দুজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ সদস্য বলে পরিচয় দেন। তারা বারবার আমার শরীরে লাইট মারেন এবং বলেন ইউএনও স্যার মাংস নিতে আমাদের পাঠিয়েছেন। তার বাসভবনে একটি ছোট অনুষ্ঠান আছে। ৫০ কেজি গরুর মাংস লাগবে এবং একজন কসাই আমাদের সঙ্গে যেতে হবে। স্যারের বাসভবনে গিয়ে মাংসগুলো ছোট ছোট সাইজ করে দিতে হবে। আর কাজ শেষে বিল পরিশোধ করা হবে। পরে জবাইকৃত গরুর একটি অংশ ৪৪ কেজি কসাইসহ তাদের সঙ্গে অটোতে তুলে দেওয়া হয়।

আরো উল্লেখ করা হয়, মাংসের দাম ২৯ হাজার ৫০০ টাকা। এরপর ওই দুই ব্যক্তি পুঠিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এসে একজন বলেন, আমি মাংস নিয়ে স্যারের বাসভবনে যাব। অপরজন বলেন, টাকা থানা থেকে দেওয়া হবে। টাকা আনতে ওই কসাইকে থানায় পাঠিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়।

রাজশাহীর পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়াদী হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী শুক্রবার রাতে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মো. আনাছ বলেন, প্রতারক চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে প্রতারণা করছে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।


প্রিন্ট