ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাক্ষী না আসায় বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল তিন দশকের অবদানে বিশেষ সম্মাননা পেলেন রানি মুখার্জি গণমাধ্যম স্বাধীন না হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে না : রিজভী হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী রপ্তানিতে জোর এজবাস্টনে লজ্জার রেকর্ড পাকিস্তানের, প্রথম দিনেই লিড ইংল্যান্ডের বিশ্বে রেকর্ড উষ্ণতম মাস আগস্ট গাজায় ইসরাইলি হা/ম/লায় একই পরিবারের ৪ সদস্য নি/হত ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মানিতে ১,১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ধর্মমন্ত্রী বিএমইউতে আত্মহ/ত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও সেমিনার অনুষ্ঠিত বরিশাল বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণে পাস করেছে ৭৯ এসএসসি পরীক্ষার্থী

মোবাইলে বিয়ে, ১৩ বছর পর দেশে ফেরার পথে লাশ হলেন মিলন

দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনিসুর রহমান মিলন (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি ১৩ বছর পর দেশে আসছিলেন। তাকে এগিয়ে দিতে বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে অন্যরাও দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে আফ্রিকার জর্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হলো ছয়জনে।

নিহত মিলন ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা বাহার মিয়ার ছেলে।

মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার তানিয়া। তিনি বলেন, আমি সাউথ আফ্রিকায় কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি। সব মরদেহ একসঙ্গে আনার চেষ্টা করছি আমরা।

নিহতের ভাই রিমন মিয়াজী বলেন, আমার ভাই মিলন প্রায় ১৩ বছর ধরে আফ্রিকায় থাকেন। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় তিনি।
মিলনের বাবা বাহার মিয়া বলেন, ১৫ দিন আগে আমাদের এক আত্মীয়ের মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে বিয়ে হয়েছিল মিলনের। প্রায় ১৩ বছর পর ছুটি নিয়ে দেশে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলো সে। নিহত অন্যরা সেদিন মিলনকে এগিয়ে দিতে বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

গত শুক্রবার কেপটাউনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেদিন লরিচাপায় নিহত হন পাঁচ বাংলাদেশি। এর চারদিন পর মারা গেলেন মিলন।

নিহত অন্যরা হলেন— ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বিরলী গ্রামের শরিয়ত উল্যাহর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৫), দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের মমারিজপুর গ্রামের মিলনের নতুন বাড়ির আবদুল মান্নান মিলনের ছেলে দীন মোহাম্মদ রাজু (৩৩), একই উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেয়াজপুর তমিজ উদ্দিন ভূঞা বাড়ির মৃত সিরাজ উল্যার ছেলে মোস্তফা কামাল পোপেল (৩৫) এবং সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিশপুরের বাসিন্দা আবুল হোসেন (৪৫) ও নাজিম হোসেন (১০)। এদের মাঝে আবুল হোসেন ও নাজিম সম্পর্কে বাবা-ছেলে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাক্ষী না আসায় বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

মোবাইলে বিয়ে, ১৩ বছর পর দেশে ফেরার পথে লাশ হলেন মিলন

আপডেট টাইম : ০৯:১৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনিসুর রহমান মিলন (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি ১৩ বছর পর দেশে আসছিলেন। তাকে এগিয়ে দিতে বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে অন্যরাও দুর্ঘটনার কবলে পড়েন।
সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে আফ্রিকার জর্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হলো ছয়জনে।

নিহত মিলন ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা বাহার মিয়ার ছেলে।

মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার তানিয়া। তিনি বলেন, আমি সাউথ আফ্রিকায় কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি। সব মরদেহ একসঙ্গে আনার চেষ্টা করছি আমরা।

নিহতের ভাই রিমন মিয়াজী বলেন, আমার ভাই মিলন প্রায় ১৩ বছর ধরে আফ্রিকায় থাকেন। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় তিনি।
মিলনের বাবা বাহার মিয়া বলেন, ১৫ দিন আগে আমাদের এক আত্মীয়ের মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে বিয়ে হয়েছিল মিলনের। প্রায় ১৩ বছর পর ছুটি নিয়ে দেশে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলো সে। নিহত অন্যরা সেদিন মিলনকে এগিয়ে দিতে বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

গত শুক্রবার কেপটাউনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেদিন লরিচাপায় নিহত হন পাঁচ বাংলাদেশি। এর চারদিন পর মারা গেলেন মিলন।

নিহত অন্যরা হলেন— ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বিরলী গ্রামের শরিয়ত উল্যাহর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৫), দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের মমারিজপুর গ্রামের মিলনের নতুন বাড়ির আবদুল মান্নান মিলনের ছেলে দীন মোহাম্মদ রাজু (৩৩), একই উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেয়াজপুর তমিজ উদ্দিন ভূঞা বাড়ির মৃত সিরাজ উল্যার ছেলে মোস্তফা কামাল পোপেল (৩৫) এবং সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিশপুরের বাসিন্দা আবুল হোসেন (৪৫) ও নাজিম হোসেন (১০)। এদের মাঝে আবুল হোসেন ও নাজিম সম্পর্কে বাবা-ছেলে।


প্রিন্ট