ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

সমাজ উপকৃত হবে যদি জীবিত অবস্থায় গুণীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ:বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আমাদের দেশে কোনো গুণী ব্যক্তিকে জীবিত অবস্থায় সংবর্ধনা দেয়া হয় না। তবে এখন এ অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। আজকেই এক গুণীকে জীবিত অবস্থায় সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে। জীবিত অবস্থায় সংবধর্না দেয়া হলে সংবর্ধিত ব্যক্তি কতটুকু উপকৃত হবে জানি না, তবে তা থেকে সমাজ অনেক উপকৃত হবে।

১৯ শনিবার (২৯ জুন) সিরডাপ মিলনায়তনে ন্যাশনাল কাউন্সিল অব চার্চ ইন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবর্ধনা ও জাতীয় উন্নয়নে চার্চ সমূহের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, এশিয়া কারিতাসের প্রেসিডেন্ট ড. আলো ডি. রোজারিও, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস, এডাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, এডাবের নির্বাহী পরিচালক জসিমউদ্দিন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জয়ন্ত অধিকারীকে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। জয়ন্ত অধিকারী বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজ ইন বাংলাদেশের (এডাব) চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে যখন বেসরকারিভাবে জীবিত ব্যক্তিকে সংবর্ধনা দেয়া শুরু হয়েছে তখন এটা একদিন রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও শুরু হবে। এটা হলে সমাজ অনেক উপকৃত হবে। কারণ সংবর্ধিত ব্যক্তিকে দেখে আগামী প্রজন্ম ভালো কাজ করতে আগ্রহী হবে। এটা আমাদের সমাজে খুব প্রয়োজন।

জয়ন্ত অধিকারীর বিষয়ে বলতে গিয়ে টিপু মুনশি বলেন, উনার একটি ভালো গুণ যদি কেউ আয়ত্ব করতে পারে তাহলে তিনি নিজের সীমাকে ছড়িয়ে যাবেন। তিনি বলেন, আমাদেরকে নিজেদের সীমা ছাড়িয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে। কারণ দেশটি আমরা পেয়েছি অনেক রক্তের বিনিময়ে। এ দেশটিকে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে চাই।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

সমাজ উপকৃত হবে যদি জীবিত অবস্থায় গুণীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়

আপডেট টাইম : ০৩:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ:বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, আমাদের দেশে কোনো গুণী ব্যক্তিকে জীবিত অবস্থায় সংবর্ধনা দেয়া হয় না। তবে এখন এ অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। আজকেই এক গুণীকে জীবিত অবস্থায় সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে। জীবিত অবস্থায় সংবধর্না দেয়া হলে সংবর্ধিত ব্যক্তি কতটুকু উপকৃত হবে জানি না, তবে তা থেকে সমাজ অনেক উপকৃত হবে।

১৯ শনিবার (২৯ জুন) সিরডাপ মিলনায়তনে ন্যাশনাল কাউন্সিল অব চার্চ ইন বাংলাদেশ আয়োজিত সংবর্ধনা ও জাতীয় উন্নয়নে চার্চ সমূহের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, এশিয়া কারিতাসের প্রেসিডেন্ট ড. আলো ডি. রোজারিও, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস, এডাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, এডাবের নির্বাহী পরিচালক জসিমউদ্দিন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জয়ন্ত অধিকারীকে গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। জয়ন্ত অধিকারী বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজ ইন বাংলাদেশের (এডাব) চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে যখন বেসরকারিভাবে জীবিত ব্যক্তিকে সংবর্ধনা দেয়া শুরু হয়েছে তখন এটা একদিন রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও শুরু হবে। এটা হলে সমাজ অনেক উপকৃত হবে। কারণ সংবর্ধিত ব্যক্তিকে দেখে আগামী প্রজন্ম ভালো কাজ করতে আগ্রহী হবে। এটা আমাদের সমাজে খুব প্রয়োজন।

জয়ন্ত অধিকারীর বিষয়ে বলতে গিয়ে টিপু মুনশি বলেন, উনার একটি ভালো গুণ যদি কেউ আয়ত্ব করতে পারে তাহলে তিনি নিজের সীমাকে ছড়িয়ে যাবেন। তিনি বলেন, আমাদেরকে নিজেদের সীমা ছাড়িয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে। কারণ দেশটি আমরা পেয়েছি অনেক রক্তের বিনিময়ে। এ দেশটিকে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে চাই।


প্রিন্ট