ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বহিষ্কারের পর জামানতও হারালেন বিএনপির দুই নেতা

ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে মানিকগঞ্জের তিনটি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে গিয়ে বহিষ্কার হওয়া বিএনপির দুই নেতা নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- জেলা বিএনপির সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মান্নান ও জেলা বিএনপির সদস্য খন্দকার লিয়াকত হোসেন।

ঘিওর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘিওর উপজেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫১। এর মধ্যে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৫২৭। নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী প্রার্থীকে জামানত ফেরত পেতে মোট প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। সে অনুযায়ী একজন প্রার্থীকে জামানত ফেরত পেতে ৯ হাজার ৬৭৯ ভোট পেতে হবে। সেখানে আব্দুল মান্নান ৩ হাজার ৭১৩ ভোট আর খন্দকার লিয়াকত হোসেন পেয়েছেন ৩২১ ভোট।

জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনও বর্জন করেছে বিএনপি। ভোট বয়কট এবং বহিষ্কার উপেক্ষা করে ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন তারা। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তারা বিশ্বাস ঘাতকতার পরিচয় দিয়েছেন। এ কারণে দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বহিষ্কারের পর জামানতও হারালেন বিএনপির দুই নেতা

আপডেট টাইম : ০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে মানিকগঞ্জের তিনটি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে গিয়ে বহিষ্কার হওয়া বিএনপির দুই নেতা নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- জেলা বিএনপির সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মান্নান ও জেলা বিএনপির সদস্য খন্দকার লিয়াকত হোসেন।

ঘিওর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘিওর উপজেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫১। এর মধ্যে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৫২৭। নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী প্রার্থীকে জামানত ফেরত পেতে মোট প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। সে অনুযায়ী একজন প্রার্থীকে জামানত ফেরত পেতে ৯ হাজার ৬৭৯ ভোট পেতে হবে। সেখানে আব্দুল মান্নান ৩ হাজার ৭১৩ ভোট আর খন্দকার লিয়াকত হোসেন পেয়েছেন ৩২১ ভোট।

জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনও বর্জন করেছে বিএনপি। ভোট বয়কট এবং বহিষ্কার উপেক্ষা করে ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন তারা। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তারা বিশ্বাস ঘাতকতার পরিচয় দিয়েছেন। এ কারণে দল থেকে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।’


প্রিন্ট