ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শহীদ নাইমা সুলতানার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করলেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান শহীদ নাইমা সুলতানার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করলেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান খেলাধুলায় মাদকমুক্ত সমাজ, তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজতে চাই: আমিনুল হক মৃত্যু/দণ্ড/প্রাপ্ত হাসিনার হু’ম’কি-ধম’কির দায় ভারত সরকার এড়াতে পারে না: ডা. ইরান ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে আনলিমিটেড চ্যাটের সুযোগ দেবে চ্যাটজিপিটি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে:তথ্য প্রতিমন্ত্রী সোমবার কয়টায় দেখা যাবে এসএসসির ফল, জানাল বোর্ড চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে গেলেন ভোলা টেলিকমের কর্ণধার মাহমুদুল হাসান সুমন উল্লাপাড়ায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে : ডা. জুবাইদা রহমান

বাইপাস সার্জারির পরবর্তী চেকআপে সিঙ্গাপুর যেতে পারেন কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: বাইপাস সার্জারির পরবর্তী চেকআপে সিঙ্গাপুর যেতে পারেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১০ জুলাই) সড়ক পরিবহন বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা আবু নাছের জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ১৪ জুলাই রোববার সিঙ্গাপুরে চেকআপে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেতুমন্ত্রীর।

এর আগে সিঙ্গাপুরে দুই মাস ১১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৫ মে দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের।

গত ৩ মার্চ সকালে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের।

সেখানে এনজিওগ্রাম করার পর তার করোনারি ধমনিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। সেদিন তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে উপমহাদেশের বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠির পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৪ মার্চ তাকে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়। ওই রাতেই মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ডা. ফিলিপ কোহর নেতৃত্বে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। পরে গত ২০ মার্চ ওই হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি করেন মেডিকেল বোর্ডের সিনিয়র সদস্য কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে গত ২৬ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে হাসপাতালের আইসিইউ থেকে কেবিনে নেয়া হয়।

মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে ওবায়দুল কাদের গত ৫ এপ্রিল ছাড়পত্র পান। তিনি হাসপাতালের কাছেই একটি ভাড়া বাসায় ছিলেন।

সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ইসরাতুন্নেসা কাদের, এপিএস মহিদুল হক, সেতু বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফাইয়াজ, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সুখেন চাকমা, ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার মনসুরুল আলমসহ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ নাইমা সুলতানার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করলেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান

বাইপাস সার্জারির পরবর্তী চেকআপে সিঙ্গাপুর যেতে পারেন কাদের

আপডেট টাইম : ০৫:০৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: বাইপাস সার্জারির পরবর্তী চেকআপে সিঙ্গাপুর যেতে পারেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১০ জুলাই) সড়ক পরিবহন বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা আবু নাছের জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ১৪ জুলাই রোববার সিঙ্গাপুরে চেকআপে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেতুমন্ত্রীর।

এর আগে সিঙ্গাপুরে দুই মাস ১১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৫ মে দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের।

গত ৩ মার্চ সকালে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের।

সেখানে এনজিওগ্রাম করার পর তার করোনারি ধমনিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। সেদিন তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে উপমহাদেশের বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠির পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৪ মার্চ তাকে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়। ওই রাতেই মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ডা. ফিলিপ কোহর নেতৃত্বে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। পরে গত ২০ মার্চ ওই হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি করেন মেডিকেল বোর্ডের সিনিয়র সদস্য কার্ডিওথোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামি। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে গত ২৬ মার্চ ওবায়দুল কাদেরকে হাসপাতালের আইসিইউ থেকে কেবিনে নেয়া হয়।

মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল থেকে ওবায়দুল কাদের গত ৫ এপ্রিল ছাড়পত্র পান। তিনি হাসপাতালের কাছেই একটি ভাড়া বাসায় ছিলেন।

সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ইসরাতুন্নেসা কাদের, এপিএস মহিদুল হক, সেতু বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফাইয়াজ, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সুখেন চাকমা, ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার মনসুরুল আলমসহ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন।


প্রিন্ট