ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

আর্থিক ক্ষতির মুখে মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রি, সিনেমা প্রদর্শনী ও শুটিং বন্ধের হুঁশিয়ারি

বিনোদন ডেস্কঃ ২০২৪ সালে ‘মাঞ্জুমাল বয়েজ’, ‘দ্য গোট লাইফ’, ‘প্রেমালু’, ‘মার্কো’সহ বেশ কয়েকটি মালয়ালম সিনেমা ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। বাজেটের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি আয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল সিনেমাগুলো। সব মিলিয়ে গত বছরটা ভালো কেটেছে মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রি, দূর থেকে এমনটাই মনে হয়। তবে ভেতরের চিত্রটা ভিন্ন। আর্থিক ক্ষতির কারণে আগামী ১ জুন থেকে সিনেমার শুটিং ও প্রদর্শনী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রযোজকেরা।

ভারতের গণমাধ্যমগুলো বলছে, গুরুতর আর্থিক সংকটে পড়েছে মালায়লম সিনেমা। বাজেটের তুলনায় সিনেমাগুলোর ভালো ব্যবসা হলেও শিল্পের ভেতরের পরিস্থিতি ভিন্ন। প্রবল আর্থিক ক্ষতির কারণে প্রযোজকরা ১ জুন থেকে সিনেমার শুটিং ও প্রদর্শনী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

নিউজ মিনিটের তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি, প্রদর্শক, পরিবেশক ও কেরালার ফিল্ম এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের (এফইএফকে) সঙ্গে আলোচনার পর প্রযোজক জি সুরেশ কুমার জানান, ১ জুন থেকে সব সিনেমার শুটিং ও প্রদর্শনী বন্ধ রাখা হবে। বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া ২০০ সিনেমার মধ্যে মাত্র ২৪টি বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছে।

বাকি সিনেমাগুলোর কারণে প্রযোজকদের ৬০০ থেকে ৭০০ কোটি রুপি ক্ষতি হয়েছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবসায়িকভাবে সফল সিনেমাগুলোর প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। তারা নতুন সিনেমা বা একটু কম বাজেটের সিনেমাগুলোর প্রতি আগ্রহী হচ্ছে না। এই বিষয়টি ইন্ডাস্ট্রির উপর আর্থিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে বেড়ে যাওয়া উৎপাদন খরচ এবং অভিনয়শিল্পীদের অতিরিক্ত পারিশ্রমিককেও দায়ী করা হচ্ছে। তাছাড়া সরকারের আরোপিত বিনোদন কর এবং জিএসটি-র মতো করের বোঝা শিল্পের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে বলেও দাবি করছেন অনেক প্রযোজক। এই পরিস্থিতিতে শিল্প চালিয়ে রাখা সম্ভব নয় বলে ঘোষণা দিয়েছেন মালায়লম সিনেমার প্রযোজকেরা।

জি সুরেশ কুমার আরও বলেন, গত কয়েক বছরে উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেড়েছে এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিল্পীদের পারিশ্রমিক। সরকারের কোনো সহায়তা না পাওয়া এবং ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ট্যাক্স’ স্কিমের ফলে ট্যাক্সের বোঝা বাড়ায় মালয়ালম চলচ্চিত্র শিল্প সমস্যার মুখে পড়েছে। আমরা এত চাপ বহন করতে পারছি না।

সমস্যা সমাধান না হলে, ১ জুন শুটিং ও প্রদর্শনী বন্ধের আগে তিরুভানন্তপুরামে সচিবালয়ের সামনে একটি প্রতীকী ধর্মঘটও অনুষ্ঠিত হবে বলেও ঘোষণা করেন প্রযোজক নেতা জি সুরেশ কুমার।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

আর্থিক ক্ষতির মুখে মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রি, সিনেমা প্রদর্শনী ও শুটিং বন্ধের হুঁশিয়ারি

আপডেট টাইম : ০৫:১০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিনোদন ডেস্কঃ ২০২৪ সালে ‘মাঞ্জুমাল বয়েজ’, ‘দ্য গোট লাইফ’, ‘প্রেমালু’, ‘মার্কো’সহ বেশ কয়েকটি মালয়ালম সিনেমা ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। বাজেটের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি আয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল সিনেমাগুলো। সব মিলিয়ে গত বছরটা ভালো কেটেছে মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রি, দূর থেকে এমনটাই মনে হয়। তবে ভেতরের চিত্রটা ভিন্ন। আর্থিক ক্ষতির কারণে আগামী ১ জুন থেকে সিনেমার শুটিং ও প্রদর্শনী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রযোজকেরা।

ভারতের গণমাধ্যমগুলো বলছে, গুরুতর আর্থিক সংকটে পড়েছে মালায়লম সিনেমা। বাজেটের তুলনায় সিনেমাগুলোর ভালো ব্যবসা হলেও শিল্পের ভেতরের পরিস্থিতি ভিন্ন। প্রবল আর্থিক ক্ষতির কারণে প্রযোজকরা ১ জুন থেকে সিনেমার শুটিং ও প্রদর্শনী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

নিউজ মিনিটের তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি, প্রদর্শক, পরিবেশক ও কেরালার ফিল্ম এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের (এফইএফকে) সঙ্গে আলোচনার পর প্রযোজক জি সুরেশ কুমার জানান, ১ জুন থেকে সব সিনেমার শুটিং ও প্রদর্শনী বন্ধ রাখা হবে। বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া ২০০ সিনেমার মধ্যে মাত্র ২৪টি বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছে।

বাকি সিনেমাগুলোর কারণে প্রযোজকদের ৬০০ থেকে ৭০০ কোটি রুপি ক্ষতি হয়েছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবসায়িকভাবে সফল সিনেমাগুলোর প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। তারা নতুন সিনেমা বা একটু কম বাজেটের সিনেমাগুলোর প্রতি আগ্রহী হচ্ছে না। এই বিষয়টি ইন্ডাস্ট্রির উপর আর্থিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে বেড়ে যাওয়া উৎপাদন খরচ এবং অভিনয়শিল্পীদের অতিরিক্ত পারিশ্রমিককেও দায়ী করা হচ্ছে। তাছাড়া সরকারের আরোপিত বিনোদন কর এবং জিএসটি-র মতো করের বোঝা শিল্পের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে বলেও দাবি করছেন অনেক প্রযোজক। এই পরিস্থিতিতে শিল্প চালিয়ে রাখা সম্ভব নয় বলে ঘোষণা দিয়েছেন মালায়লম সিনেমার প্রযোজকেরা।

জি সুরেশ কুমার আরও বলেন, গত কয়েক বছরে উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেড়েছে এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিল্পীদের পারিশ্রমিক। সরকারের কোনো সহায়তা না পাওয়া এবং ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ট্যাক্স’ স্কিমের ফলে ট্যাক্সের বোঝা বাড়ায় মালয়ালম চলচ্চিত্র শিল্প সমস্যার মুখে পড়েছে। আমরা এত চাপ বহন করতে পারছি না।

সমস্যা সমাধান না হলে, ১ জুন শুটিং ও প্রদর্শনী বন্ধের আগে তিরুভানন্তপুরামে সচিবালয়ের সামনে একটি প্রতীকী ধর্মঘটও অনুষ্ঠিত হবে বলেও ঘোষণা করেন প্রযোজক নেতা জি সুরেশ কুমার।


প্রিন্ট