ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোট গ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে-ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদকে বঙ্গভবনে বিদায়ী সংবর্ধনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রত্যাশা সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের

আড়াইহাজার থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ৪ সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

সোহান মিয়া, আড়াইহাজার উপজেলা প্রতিনিধি;

 

নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে দেখা করতে গিয়ে ৪০ বছর বয়সী এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি চার সন্তানের জননী। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে মাধবদী থানার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী পদ্মারকান্দা এলাকার একটি মাছের খামারের পুকুরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি মাধবদী পৌরসভার মেন্ডাতলা এলাকায় বসবাস করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই নারী তার মেয়েকে নিয়ে আড়াইহাজার পৌরসভার একটি মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে যান। মেয়ের জন্য জামা কিনে তাকে ইফতারের আগেই বাসায় পাঠিয়ে দেন। এর কয়েকদিন আগে কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খরিয়া গ্রামের রিদয় মিয়ার সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়।

সেদিন নারীটি আড়াইহাজারে আছেন জানতে পেরে রিদয় তাকে দেখা করার কথা বলে। পরে ওই নারী একাই অটোযোগে রাতে মাধবদীর কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী পদ্মারকান্দা এলাকায় যান। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে রিদয় তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে জোর করে রাস্তা থেকে পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়।

এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা আরও তিনজন সেখানে উপস্থিত ছিল। তারা সবাই মিলে ওই নারীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে তার মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যেতে বলে।

পরে ভুক্তভোগী নারী দৌড়ে পাশের একটি পাওয়ারলুম কারখানায় গিয়ে আশ্রয় নেন এবং বিষয়টি জানান। পরে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে প্রধান অভিযুক্ত রিদয় মিয়া (৩২) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ভুক্তভোগী নারীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

আড়াইহাজার থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ৪ সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

আপডেট টাইম : ০৮:৪৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

সোহান মিয়া, আড়াইহাজার উপজেলা প্রতিনিধি;

 

নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে দেখা করতে গিয়ে ৪০ বছর বয়সী এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি চার সন্তানের জননী। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে মাধবদী থানার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী পদ্মারকান্দা এলাকার একটি মাছের খামারের পুকুরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি মাধবদী পৌরসভার মেন্ডাতলা এলাকায় বসবাস করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই নারী তার মেয়েকে নিয়ে আড়াইহাজার পৌরসভার একটি মার্কেটে ঈদের কেনাকাটা করতে যান। মেয়ের জন্য জামা কিনে তাকে ইফতারের আগেই বাসায় পাঠিয়ে দেন। এর কয়েকদিন আগে কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খরিয়া গ্রামের রিদয় মিয়ার সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে পরিচয় হয়।

সেদিন নারীটি আড়াইহাজারে আছেন জানতে পেরে রিদয় তাকে দেখা করার কথা বলে। পরে ওই নারী একাই অটোযোগে রাতে মাধবদীর কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী পদ্মারকান্দা এলাকায় যান। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে রিদয় তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে জোর করে রাস্তা থেকে পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়।

এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা আরও তিনজন সেখানে উপস্থিত ছিল। তারা সবাই মিলে ওই নারীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে তার মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত সেখান থেকে চলে যেতে বলে।

পরে ভুক্তভোগী নারী দৌড়ে পাশের একটি পাওয়ারলুম কারখানায় গিয়ে আশ্রয় নেন এবং বিষয়টি জানান। পরে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে প্রধান অভিযুক্ত রিদয় মিয়া (৩২) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ভুক্তভোগী নারীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।


প্রিন্ট