ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ আকাশপথ নিশ্চিতে দক্ষ জনবল গড়তে এটিসি বেসিক কোর্স শুরু উল্লাপাড়ায় তাঁত বোর্ড চেয়ারম্যানকে ইউসুফ সরকারের ফুলেল শুভেচ্ছা উল্লাপাড়ায় বালুবাহী ট্রাকের চাপায় শিক্ষক নিহত কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে দক্ষতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল রহমান সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাংবিধানিক নিয়মেই হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু কোরবান নগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালামের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। বিশ্বজুড়ে প্রবাসীদের জন্য নতুন পরিকল্পনা ‘প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিমের’ টিচার্স ট্রেনিং কলেজে মাস্টার অব এডুকেশন-২০২৫ এর গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন সেমিনার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পিরোজপুর পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

একতা এক্সপ্রেসের ছাদেও জায়গা নেই

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটিজেন নিউজ: বিমানবন্দর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করল, অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস আসবে। সঙ্গে সঙ্গে কয়েক’শ মানুষ প্লাটফর্মের পাশে এসে দাঁড়ালো। দুপুর পৌনে ১টার দিকে ট্রেনটি আসতে দেখে অনেকেই হতাশ ও বিপদগ্রস্ত। কারণ ট্রেনটির ভেতর ও ছাদে কোনো ফাঁকা জায়গা নেই। অধিকাংশ দরজা, জানালা বন্ধ। ফলে বিমানবন্দরে অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ যাত্রীদের যাওয়া হলো না।
ট্রেনটি ছাড়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখা যায়, ‘ও ভাই, ও ভাই, দরজার খোলেন’- এমন ভাবে অনেকেই আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু দরজা খুলছে না ভেতর থেকে। অনেকে দরজায় হাত চাপড়াচ্ছেন। তাতেও কাজ হচ্ছে না। অল্প যে কয়েকটি দরজা খোলা ছিল ট্রেনটির, তাতেও যাত্রীতে পূর্ণ। পা ফেলার জায়গাও নেই।

এমন অবস্থায় স্টেশন কর্তৃপক্ষ মাইকে বারবার ঘোষণা করছে, দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা যাত্রীদের ট্রেনে উঠতে সহায়তা করুন। জায়গা না থাকায় এই আহ্বানও কাজ হতে দেখা গেল না।

অনেকেই ভেতরে জায়গা না পেয়ে ট্রেনের ছাদে উঠার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ প্লাটফর্মের টিনের ছাদে উঠে ট্রেনের ছাদে আসার চেষ্টা করলেন। ছাদেও জায়গা না থাকায় তাদেরও অনেকে ব্যর্থ হয়ে নেমে পড়েন।

ট্রেনটি ছেড়ে দিলে অনেকেই ঝুলে ঝুলে যাত্রা করেন। তারপরও অনেককেই একতা এক্সপ্রেসে করে ঈদ যাত্রা করতে পারেননি।

মো. রফিকুল, রেজাউল করিম, মো. মিরাজ ইসলাম ও মো. রুবেল- এমনই পাঁচজন। যারা ট্রেনটির ছাদে উঠতে স্টেশনের টিনের ছাদে উঠেছিলেন। কিন্তু ট্রেনের ছাদে জায়গা ফাঁকা না পেয়ে নেমে আসেন। তাদের সবার বাড়িই নীলফামারীর ডোমারে। তারা পেশায় রডমিস্ত্রি।

তাদের মধ্যে রফিকুল বলেন, ‘এত কষ্ট করে চড়নু, বসার জায়গা পাইলাম না।’ উত্তরবঙ্গগামী সবগুলো ট্রেনই ভয়াবহ শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের ট্রেনযাত্রীরা। তাই উত্তরবঙ্গগামী কোনো ট্রেন আসলে তাতে প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ রকম পরিপ্রেক্ষিতে অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে অনেকের ঈদে বাড়ি ফেরা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ আকাশপথ নিশ্চিতে দক্ষ জনবল গড়তে এটিসি বেসিক কোর্স শুরু

একতা এক্সপ্রেসের ছাদেও জায়গা নেই

আপডেট টাইম : ০৩:৪৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৯

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটিজেন নিউজ: বিমানবন্দর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করল, অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস আসবে। সঙ্গে সঙ্গে কয়েক’শ মানুষ প্লাটফর্মের পাশে এসে দাঁড়ালো। দুপুর পৌনে ১টার দিকে ট্রেনটি আসতে দেখে অনেকেই হতাশ ও বিপদগ্রস্ত। কারণ ট্রেনটির ভেতর ও ছাদে কোনো ফাঁকা জায়গা নেই। অধিকাংশ দরজা, জানালা বন্ধ। ফলে বিমানবন্দরে অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ যাত্রীদের যাওয়া হলো না।
ট্রেনটি ছাড়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখা যায়, ‘ও ভাই, ও ভাই, দরজার খোলেন’- এমন ভাবে অনেকেই আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু দরজা খুলছে না ভেতর থেকে। অনেকে দরজায় হাত চাপড়াচ্ছেন। তাতেও কাজ হচ্ছে না। অল্প যে কয়েকটি দরজা খোলা ছিল ট্রেনটির, তাতেও যাত্রীতে পূর্ণ। পা ফেলার জায়গাও নেই।

এমন অবস্থায় স্টেশন কর্তৃপক্ষ মাইকে বারবার ঘোষণা করছে, দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা যাত্রীদের ট্রেনে উঠতে সহায়তা করুন। জায়গা না থাকায় এই আহ্বানও কাজ হতে দেখা গেল না।

অনেকেই ভেতরে জায়গা না পেয়ে ট্রেনের ছাদে উঠার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ প্লাটফর্মের টিনের ছাদে উঠে ট্রেনের ছাদে আসার চেষ্টা করলেন। ছাদেও জায়গা না থাকায় তাদেরও অনেকে ব্যর্থ হয়ে নেমে পড়েন।

ট্রেনটি ছেড়ে দিলে অনেকেই ঝুলে ঝুলে যাত্রা করেন। তারপরও অনেককেই একতা এক্সপ্রেসে করে ঈদ যাত্রা করতে পারেননি।

মো. রফিকুল, রেজাউল করিম, মো. মিরাজ ইসলাম ও মো. রুবেল- এমনই পাঁচজন। যারা ট্রেনটির ছাদে উঠতে স্টেশনের টিনের ছাদে উঠেছিলেন। কিন্তু ট্রেনের ছাদে জায়গা ফাঁকা না পেয়ে নেমে আসেন। তাদের সবার বাড়িই নীলফামারীর ডোমারে। তারা পেশায় রডমিস্ত্রি।

তাদের মধ্যে রফিকুল বলেন, ‘এত কষ্ট করে চড়নু, বসার জায়গা পাইলাম না।’ উত্তরবঙ্গগামী সবগুলো ট্রেনই ভয়াবহ শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের ট্রেনযাত্রীরা। তাই উত্তরবঙ্গগামী কোনো ট্রেন আসলে তাতে প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ রকম পরিপ্রেক্ষিতে অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে অনেকের ঈদে বাড়ি ফেরা।


প্রিন্ট