ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুন্সীগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন

 মুন্সীগঞ্জে বোরে চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলায় ২৪ হাজার ৬১৭ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩৮ হেক্টর বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন হয়েছে হেক্টরে প্রায় ৫ মেট্রিক টন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৪ হাজার ৬১৭ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়। এরমধ্যে সদরে ১০৭৮ হেক্টও, টংগীবাড়ীতে ২৫১৭ হেক্টর, লৌহজংয়ে ৩১৬৭ হেক্টর, সিরাজদিখানে ৫২৯৫ হেক্টর, গজারিয়ায় ২৫০৪ হেক্টর এবং শ্রীনগরে ১০০৫৬ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়। ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লক্ষ ৪ হাজার ২২ মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন হয়েছে হেক্টর প্রতি ৫ মেট্রিক টন।

লৌহজংয়ের হাড়িদিয়া গ্রামের কৃষক জামাল মোল্লা বাসস’কে বলেন. ঝড় বৃষ্টি না হওয়ায় ধান গাছের ক্ষতি হয়নি। ফলন অন্যান্য বছর থেকে ভালো হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের থেকে সরাসরি ধান ক্রয় করার জন্য তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিধ ড. মো. হাবিবুর রহমান বাসস’কে জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হওয়ায় এবার বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষক পাকা ধান ঘরে তুলতে পেরেছে। তিনি জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বোরো ধানের (হাইব্রিড) আবাদ বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে কৃষি প্রোণোদনা কর্মসূচি জিও-২৮০ অধীন জেলার ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের বীজ ও সার প্রদান করেছে। উচ্চ ফলনশীল ধান চাষে এবং সুষম সার ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ঢাকা অঞ্চল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প, পার্টনার প্রকল্প, রাজস্ব প্রকল্প এবং তেল জাতীয় ফসল উন্নয়ন প্রকল্পে জেলায় ৩২১টি প্রদর্শনী প্লট করা হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন

আপডেট টাইম : ১২:৫৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

 মুন্সীগঞ্জে বোরে চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলায় ২৪ হাজার ৬১৭ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩৮ হেক্টর বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন হয়েছে হেক্টরে প্রায় ৫ মেট্রিক টন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৪ হাজার ৬১৭ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়। এরমধ্যে সদরে ১০৭৮ হেক্টও, টংগীবাড়ীতে ২৫১৭ হেক্টর, লৌহজংয়ে ৩১৬৭ হেক্টর, সিরাজদিখানে ৫২৯৫ হেক্টর, গজারিয়ায় ২৫০৪ হেক্টর এবং শ্রীনগরে ১০০৫৬ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়। ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লক্ষ ৪ হাজার ২২ মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন হয়েছে হেক্টর প্রতি ৫ মেট্রিক টন।

লৌহজংয়ের হাড়িদিয়া গ্রামের কৃষক জামাল মোল্লা বাসস’কে বলেন. ঝড় বৃষ্টি না হওয়ায় ধান গাছের ক্ষতি হয়নি। ফলন অন্যান্য বছর থেকে ভালো হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের থেকে সরাসরি ধান ক্রয় করার জন্য তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিধ ড. মো. হাবিবুর রহমান বাসস’কে জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হওয়ায় এবার বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষক পাকা ধান ঘরে তুলতে পেরেছে। তিনি জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বোরো ধানের (হাইব্রিড) আবাদ বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে কৃষি প্রোণোদনা কর্মসূচি জিও-২৮০ অধীন জেলার ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের বীজ ও সার প্রদান করেছে। উচ্চ ফলনশীল ধান চাষে এবং সুষম সার ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে ঢাকা অঞ্চল কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প, পার্টনার প্রকল্প, রাজস্ব প্রকল্প এবং তেল জাতীয় ফসল উন্নয়ন প্রকল্পে জেলায় ৩২১টি প্রদর্শনী প্লট করা হয়।


প্রিন্ট