ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

মানুষের কাছে আপন হয়ে উঠবেন যেভাবে

সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: জীবনের প্রতিটি দিন সমান যায় না। মাঝেমধ্যে এমন কিছু দিন আসে, যখন চারপাশটা বড্ড বেশি ভারী মনে হয়। কখনো কোনো বাধা, কখনো তিক্ত কোনো আলোচনা, আবার কখনো প্রিয়জনের শূন্যতা— এসব মিলে মনের ওপর যে পাহাড়সম চাপ তৈরি করে, তাতে মনে হতে পারে অলৌকিক কিছু ছাড়া এই ঘোর কাটবে না।

কিন্তু সেজন্য খুব কম সময়েই বড় কোনো কাজের প্রয়োজন হয়। বেশিরভাগ সময় তা নীরবে প্রকাশ পায়। হতে পারে তা কোনো অচেনা মানুষের হাসিতে, ঠিক সময়ে বাড়িয়ে দেওয়া অপ্রত্যাশিত একটি হাতের স্পর্শে, অথবা এমন কিছু আন্তরিক কথা যা শুনে আপনার আর নিজেকে একা মনে হবে না।

১. শুধু শুনুন

সব সমস্যার সমাধানের প্রয়োজন হয় না, কখনও কখনও মানুষ শুধু চায় যে তার কথা শোনা হোক। কোনো কিছু ঠিক করে দেওয়ার বা বিচার করার তাড়াহুড়া না করে কাউকে আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ দিলে, তা তাদের একাকী বয়ে বেড়ানো বোঝা হালকা করে দিতে পারে। মন দিয়ে কথা শোনাটাই প্রায়শই অন্যের একাকিত্ব দূর করার আসল সূচনা বিন্দু।

২. বলার আগেই এগিয়ে আসুন

দরজা ধরে রাখা, সিঁড়ি দিয়ে ব্যাগ বয়ে নিয়ে যাওয়া, সংগ্রামরত বাবা-মায়ের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া; এগুলোর জন্য প্রায় কিছুই খরচ হয় না, তবুও এগুলো নীরবে একটি বার্তা দেয়: আপনাকে সবকিছু একা করতে হবে না। স্বতঃপ্রণোদিত সাহায্য প্রায়শই সবচেয়ে বেশি অর্থবহ হয়।

৩. উৎসাহব্যঞ্জক কথা বলুন

একটি ছোট নোট, একটি সদয় বার্তা, একটি আন্তরিক প্রশংসা, এগুলো আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে কারও মনে থেকে যেতে পারে। আমি তোমাকে বিশ্বাস করি- কথাটি সন্দেহের বিরুদ্ধে এমনভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে যা অন্য অনেককিছুই পারে না।

৪. প্রয়োজন ছাড়াই দান করুন

উদার হতে আপনার সম্পদের প্রয়োজন নেই। বৃষ্টিতে একটি ছাতা ভাগ করে নেওয়া, ভিড় বাসে একটি আসন ছেড়ে দেওয়া, কারও সাথে খাবার ভাগ করে নেওয়া- এগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে উদারতা হলো মনোযোগ, অর্থ নয়।

৫. প্রথমে যোগাযোগ করুন

মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সহজ। একটি ছোট্ট প্রশ্ন- কেমন আছেন? এই জিজ্ঞাসা কাউকে বলে দেয় যে তাকে ভুলে যাওয়া হয়নি, এবং কখনও কখনও শুধু এটুকুই একটি ভারাক্রান্ত দিনকে হালকা করার জন্য যথেষ্ট।

৬. সফলতায় খুশি হোন

অন্যের সাফল্যে উল্লাস করুন। নীরবে নিজের সঙ্গে তুলনা না করে, অন্যের সাফল্যে খুশি হওয়া বিশ্বাস এবং সংযোগ তৈরি করে। আনন্দ ভাগ করে নিলে তা বহুগুণে বেড়ে যায়।

৭. আপন করে নিন

নতুন সহকর্মীকে দুপুরের খাবারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো, চুপচাপ থাকা সহপাঠীকে আড্ডায় টেনে নেওয়া, প্রতিবেশীর খোঁজ-খবর নেওয়া- সবই হলো অন্যের প্রতি আপনার আন্তরিকতার বহিপ্রকাষ। এই ছোট ছোট কাজগুলো অন্যকে আপন করে নেওয়ার স্বভাব গড়ে তোলে।

 

 

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

মানুষের কাছে আপন হয়ে উঠবেন যেভাবে

আপডেট টাইম : ০৪:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: জীবনের প্রতিটি দিন সমান যায় না। মাঝেমধ্যে এমন কিছু দিন আসে, যখন চারপাশটা বড্ড বেশি ভারী মনে হয়। কখনো কোনো বাধা, কখনো তিক্ত কোনো আলোচনা, আবার কখনো প্রিয়জনের শূন্যতা— এসব মিলে মনের ওপর যে পাহাড়সম চাপ তৈরি করে, তাতে মনে হতে পারে অলৌকিক কিছু ছাড়া এই ঘোর কাটবে না।

কিন্তু সেজন্য খুব কম সময়েই বড় কোনো কাজের প্রয়োজন হয়। বেশিরভাগ সময় তা নীরবে প্রকাশ পায়। হতে পারে তা কোনো অচেনা মানুষের হাসিতে, ঠিক সময়ে বাড়িয়ে দেওয়া অপ্রত্যাশিত একটি হাতের স্পর্শে, অথবা এমন কিছু আন্তরিক কথা যা শুনে আপনার আর নিজেকে একা মনে হবে না।

১. শুধু শুনুন

সব সমস্যার সমাধানের প্রয়োজন হয় না, কখনও কখনও মানুষ শুধু চায় যে তার কথা শোনা হোক। কোনো কিছু ঠিক করে দেওয়ার বা বিচার করার তাড়াহুড়া না করে কাউকে আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ দিলে, তা তাদের একাকী বয়ে বেড়ানো বোঝা হালকা করে দিতে পারে। মন দিয়ে কথা শোনাটাই প্রায়শই অন্যের একাকিত্ব দূর করার আসল সূচনা বিন্দু।

২. বলার আগেই এগিয়ে আসুন

দরজা ধরে রাখা, সিঁড়ি দিয়ে ব্যাগ বয়ে নিয়ে যাওয়া, সংগ্রামরত বাবা-মায়ের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া; এগুলোর জন্য প্রায় কিছুই খরচ হয় না, তবুও এগুলো নীরবে একটি বার্তা দেয়: আপনাকে সবকিছু একা করতে হবে না। স্বতঃপ্রণোদিত সাহায্য প্রায়শই সবচেয়ে বেশি অর্থবহ হয়।

৩. উৎসাহব্যঞ্জক কথা বলুন

একটি ছোট নোট, একটি সদয় বার্তা, একটি আন্তরিক প্রশংসা, এগুলো আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে কারও মনে থেকে যেতে পারে। আমি তোমাকে বিশ্বাস করি- কথাটি সন্দেহের বিরুদ্ধে এমনভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে যা অন্য অনেককিছুই পারে না।

৪. প্রয়োজন ছাড়াই দান করুন

উদার হতে আপনার সম্পদের প্রয়োজন নেই। বৃষ্টিতে একটি ছাতা ভাগ করে নেওয়া, ভিড় বাসে একটি আসন ছেড়ে দেওয়া, কারও সাথে খাবার ভাগ করে নেওয়া- এগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে উদারতা হলো মনোযোগ, অর্থ নয়।

৫. প্রথমে যোগাযোগ করুন

মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সহজ। একটি ছোট্ট প্রশ্ন- কেমন আছেন? এই জিজ্ঞাসা কাউকে বলে দেয় যে তাকে ভুলে যাওয়া হয়নি, এবং কখনও কখনও শুধু এটুকুই একটি ভারাক্রান্ত দিনকে হালকা করার জন্য যথেষ্ট।

৬. সফলতায় খুশি হোন

অন্যের সাফল্যে উল্লাস করুন। নীরবে নিজের সঙ্গে তুলনা না করে, অন্যের সাফল্যে খুশি হওয়া বিশ্বাস এবং সংযোগ তৈরি করে। আনন্দ ভাগ করে নিলে তা বহুগুণে বেড়ে যায়।

৭. আপন করে নিন

নতুন সহকর্মীকে দুপুরের খাবারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো, চুপচাপ থাকা সহপাঠীকে আড্ডায় টেনে নেওয়া, প্রতিবেশীর খোঁজ-খবর নেওয়া- সবই হলো অন্যের প্রতি আপনার আন্তরিকতার বহিপ্রকাষ। এই ছোট ছোট কাজগুলো অন্যকে আপন করে নেওয়ার স্বভাব গড়ে তোলে।

 

 

 


প্রিন্ট