ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর গণমুখী ও সংস্কারধর্মী পদক্ষেপে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ : মাহদী আমিন যাত্রাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস ১৬, রয়েছে নানা সংকট চিকিৎসক ও রোগীর আস্থা, সহানুভূতির বন্ধনই চিকিৎসাসেবার মূল ভিত্তি : প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বাংলাদেশের জয়ের জন্য ৫৭ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : মনোনয়নপত্র বাছাই আজ কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী কালিয়াকৈরে অধিকাংশ স্টেশন গুলোতে তীব্র গ্যাস সংকট দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে চালকদের ভোগান্তি মহাসড়কে যানজট সৃষ্টি গোদাগাড়ীতে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে শুধু অতীতের গৌরবের ধারাবাহিকতা হিসেবে নয়, বরং নতুন উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং মানবিক নেতৃত্বের এক নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

আজ দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর চিকিৎসক জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা যতই প্রযুক্তি-নির্ভর হোক না কেন, তার কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময় মানুষই থাকে। চিকিৎসা পেশার প্রকৃত ভিত্তিই হলো মানবিকতা। অনেক সময় একজন রোগীর জন্য চিকিৎসকের একটু আশ্বস্ত করার বাক্যও ওষুধের মতো কাজ করে।’

চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আর কখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা হয়নি উল্লেখ করে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘গাইনোকোলজি অ্যান্ড অবস্টেট্রিক্স রোটেশনে দায়িত্ব পালনের সময় অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমরা চাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হোক ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স অ্যান্ড কমপ্যাশন ফর পেশেন্টস’, যেখানে প্রতিটি রোগী সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও সহমর্মিতা পাবেন।’

আগামী ২০ বা ২৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘আজ আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছি, আমাদের কর্মক্ষেত্র ভিন্ন হতে পারে কিন্তু আমাদের পরিচয়ের শিকড় একই-ঢাকা মেডিকেল কলেজ। এখন সময় এসেছে শুধু স্মৃতির বন্ধনে নয়, দায়িত্বের বন্ধনেও আবদ্ধ হওয়ার।’

তিনি আরো বলেন, ‘একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং তার মানুষ। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মেধা, মূল্যবোধ এবং তার মানুষরা।’

চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রতিটি সাফল্যের নেপথ্যে একজন মানুষ, একটি পরিবার এবং একটি জীবন জড়িয়ে থাকে উল্লেখ করে তিনি চিকিৎসকদের পেশাগত প্রতিযোগিতার মধ্যেও পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

আপডেট টাইম : ০৫:০৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে শুধু অতীতের গৌরবের ধারাবাহিকতা হিসেবে নয়, বরং নতুন উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং মানবিক নেতৃত্বের এক নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

আজ দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর চিকিৎসক জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা যতই প্রযুক্তি-নির্ভর হোক না কেন, তার কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময় মানুষই থাকে। চিকিৎসা পেশার প্রকৃত ভিত্তিই হলো মানবিকতা। অনেক সময় একজন রোগীর জন্য চিকিৎসকের একটু আশ্বস্ত করার বাক্যও ওষুধের মতো কাজ করে।’

চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আর কখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা হয়নি উল্লেখ করে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘গাইনোকোলজি অ্যান্ড অবস্টেট্রিক্স রোটেশনে দায়িত্ব পালনের সময় অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমরা চাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হোক ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স অ্যান্ড কমপ্যাশন ফর পেশেন্টস’, যেখানে প্রতিটি রোগী সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও সহমর্মিতা পাবেন।’

আগামী ২০ বা ২৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘আজ আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছি, আমাদের কর্মক্ষেত্র ভিন্ন হতে পারে কিন্তু আমাদের পরিচয়ের শিকড় একই-ঢাকা মেডিকেল কলেজ। এখন সময় এসেছে শুধু স্মৃতির বন্ধনে নয়, দায়িত্বের বন্ধনেও আবদ্ধ হওয়ার।’

তিনি আরো বলেন, ‘একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং তার মানুষ। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার মেধা, মূল্যবোধ এবং তার মানুষরা।’

চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রতিটি সাফল্যের নেপথ্যে একজন মানুষ, একটি পরিবার এবং একটি জীবন জড়িয়ে থাকে উল্লেখ করে তিনি চিকিৎসকদের পেশাগত প্রতিযোগিতার মধ্যেও পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।


প্রিন্ট