ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোট গ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে-ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদকে বঙ্গভবনে বিদায়ী সংবর্ধনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রত্যাশা সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের

বেনাপোল বন্দরে ৯২৫ এর গোডাউনে পণ্য চুরি: অভিযোগের কেন্দ্রে জামাই-শ্বশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পণ্য চুরি, স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালান এবং সংঘবদ্ধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের অসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

 

অভিযোগকারীদের দাবি, ভারত থেকে আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্য খালাস ও সংরক্ষণের বিভিন্ন পর্যায়ে রহস্যজনকভাবে মালামাল কম পাওয়া যায় বা হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে কার্যকর প্রতিকার পান না বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

স্থানীয় কয়েকটি সূত্র আরও দাবি করেছে, বন্দরের একজন শ্রমিক নেতা এবং বিএনপি নেতা শহিদ আলী ওরফে বড় শহিদ ও শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী শহিদ ওরফে গোল্ড শহিদ সীমান্ত এলাকার এসব অভিযোগের সঙ্গে আলোচনায় এসেছে।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের মতে, বন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ, গেট পাস, গুদাম রেকর্ড, পণ্য খালাসের নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা সম্ভব হতে পারে।

 

এদিকে সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ ও অন্যান্য চোরাচালান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত যে-ই হোক না কেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

 

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

বেনাপোল বন্দরে ৯২৫ এর গোডাউনে পণ্য চুরি: অভিযোগের কেন্দ্রে জামাই-শ্বশুর

আপডেট টাইম : ১২:৩৬:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর ও সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পণ্য চুরি, স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালান এবং সংঘবদ্ধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের অসাধু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

 

অভিযোগকারীদের দাবি, ভারত থেকে আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্য খালাস ও সংরক্ষণের বিভিন্ন পর্যায়ে রহস্যজনকভাবে মালামাল কম পাওয়া যায় বা হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে কার্যকর প্রতিকার পান না বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

স্থানীয় কয়েকটি সূত্র আরও দাবি করেছে, বন্দরের একজন শ্রমিক নেতা এবং বিএনপি নেতা শহিদ আলী ওরফে বড় শহিদ ও শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী শহিদ ওরফে গোল্ড শহিদ সীমান্ত এলাকার এসব অভিযোগের সঙ্গে আলোচনায় এসেছে।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের মতে, বন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ, গেট পাস, গুদাম রেকর্ড, পণ্য খালাসের নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা সম্ভব হতে পারে।

 

এদিকে সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ ও অন্যান্য চোরাচালান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত যে-ই হোক না কেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

 

 


প্রিন্ট