ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য নরসিংদী তে জনস্বার্থে মোবাইল কোর্ট জনগণের ভালোবাসায় মির্জা ফখরুল: নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ সংসদ কক্ষে নিজের আসনে বসে ভোট গ্রহণ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর আপনারা যেমন তার যত্ন করেন ঠিক সেইভাবে শিশু চারাটিকেও প্রতিদিন যত্ন করতে হবে-ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদকে বঙ্গভবনে বিদায়ী সংবর্ধনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রত্যাশা সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের

পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে

দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে মাছ, মুরগি, ডিম ও বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির দাম গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহ কমে যাওয়া এবং পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, টাউনহল কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগে যে ডিমের ডজন ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে তা ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে আগে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে থাকা অনেক সবজির দাম এখন ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে।

এদিকে কাঁচা মরিচের বাজারেও বেড়েছে দাম। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে মানভেদে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

কারওয়ান বাজারের ডিম বিক্রেতা মানিক বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। ফলে প্রতি ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে ডিম বিক্রি করতে হচ্ছে।

মাছের বাজারেও নেই স্বস্তি। সাইজভেদে পাঙাশ মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, কার্প ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, চাষের কই ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মলা মাছের দামও এক সপ্তাহে কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় পৌঁছেছে।

মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬৫ থেকে ১৮০ টাকা। অন্যদিকে সোনালি মুরগির দাম বেড়ে জাতভেদে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায় পৌঁছেছে। এক সপ্তাহ আগে এর দাম ছিল ২৯০ থেকে ৩৩০ টাকার মধ্যে।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি এবং বিভিন্ন জেলা থেকে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বাজারে দামের চাপ কিছুটা কমতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত মূল্য কমার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন তারা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক

পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে

আপডেট টাইম : ০২:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে মাছ, মুরগি, ডিম ও বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির দাম গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সরবরাহ কমে যাওয়া এবং পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, টাউনহল কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগে যে ডিমের ডজন ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে তা ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে আগে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে থাকা অনেক সবজির দাম এখন ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে।

এদিকে কাঁচা মরিচের বাজারেও বেড়েছে দাম। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে মানভেদে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

কারওয়ান বাজারের ডিম বিক্রেতা মানিক বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। ফলে প্রতি ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে ডিম বিক্রি করতে হচ্ছে।

মাছের বাজারেও নেই স্বস্তি। সাইজভেদে পাঙাশ মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, কার্প ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাতলা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, চাষের কই ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মলা মাছের দামও এক সপ্তাহে কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় পৌঁছেছে।

মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৬৫ থেকে ১৮০ টাকা। অন্যদিকে সোনালি মুরগির দাম বেড়ে জাতভেদে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায় পৌঁছেছে। এক সপ্তাহ আগে এর দাম ছিল ২৯০ থেকে ৩৩০ টাকার মধ্যে।

ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি এবং বিভিন্ন জেলা থেকে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বাজারে দামের চাপ কিছুটা কমতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত মূল্য কমার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন তারা।


প্রিন্ট