স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়াঃস্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর প্রধান প্রকৌশলী (গ্রেড-১) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার কৃতী সন্তান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পেশাগত দায়িত্বে তাঁর পদোন্নতির খবরে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দীর্ঘ কর্মজীবনে দক্ষতা, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে তিনি প্রকৌশল অঙ্গনে একটি সুনাম অর্জন করেছেন। বিভিন্ন সময়ে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা, সেতু নির্মাণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে সহকর্মীরা জানান।
জানা গেছে, প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে এলজিইডির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একসময় গাইবান্ধা জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, সড়ক ও সেতু নির্মাণ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়।
তাঁর পদোন্নতির সংবাদে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এলজিইডির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
স্থানীয়দের মতে, কুড়িগ্রামের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে এসে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পেশাগত পদে অধিষ্ঠিত হওয়া নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বিষয়। তাঁর এই সাফল্য জেলার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এবং মেধা, পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।
এদিকে ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ কর্মময় জীবন কামনা করেছেন। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্বে তিনি দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল খাতের উন্নয়নে কার্যকর নেতৃত্ব প্রদান করবেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সক্ষমতা তাঁকে নতুন দায়িত্ব সফলভাবে পালনে সহায়তা করবে। তাঁর নেতৃত্বে এলজিইডি দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 
























