ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অবকাঠামো-নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডি মন্ত্রী অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তির উৎস নজরুল: রিজভী প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত

মুন্সীগঞ্জে সুপেয় পানির সঙ্কট নিরসনে স্থাপন করা হচ্ছে ৫৪৪টি গভীর নলকূপ

মুন্সীগঞ্জে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও সুপেয় পানির সঙ্কট নিরসনে ৬৮টি ইউনিয়নে ৫৪৪টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে জেলার ৬টি উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নে ৮টি করে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হবে। এরমধ্যে সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ৭২টি, শ্রীনগরে ১৪টি ইউনিয়নে ১১২টি, সিরাজদিখানে ১৪টি ইউনিয়নে ১১২টি, লৌহজংয়ে ১০টি ইউনিয়নে ৮০টি, টঙ্গিবাড়ীতে ১৩টি ইউনিয়নে ১০৪টি এবং গজারিয়ায় ৮টি ইউনিয়নে ৬৪টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হবে। এসব গভীর নলকূপ স্থাপনের ফলে গ্রামাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্টি নিরাপদ খাবার পানির সুবিধা পাবে। এতে গ্রামীণ জনপদে নিরাপদ পানি সরবরাহের পাশাপাশি পানি বাহিত রোগের ঝুঁকিও কমবে। বিশেষ করে আর্সেনিক প্রবণ এলাকায় আর্সেনিক মুক্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বাসস’কে জানান, যেসব এলাকায় নিরাপদ পানির সংকট রয়েছে, পানির স্তর নীচে নেমে গেছে সেসব স্থানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নলকূপ বরাদ্ধ দেয়া হবে। এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে কমিটির মাধ্যমে স্থান নির্বাচন করা হবে। প্রতিটি নলকূপের গভীরতা হবে প্রায় ৭শ’ ফুট। এসব নলকূপের পানি আর্সেনিক মুক্ত হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি

মুন্সীগঞ্জে সুপেয় পানির সঙ্কট নিরসনে স্থাপন করা হচ্ছে ৫৪৪টি গভীর নলকূপ

আপডেট টাইম : ১২:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

মুন্সীগঞ্জে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও সুপেয় পানির সঙ্কট নিরসনে ৬৮টি ইউনিয়নে ৫৪৪টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরে জেলার ৬টি উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নে ৮টি করে গভীর নলকূপ স্থাপন করা হবে। এরমধ্যে সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ৭২টি, শ্রীনগরে ১৪টি ইউনিয়নে ১১২টি, সিরাজদিখানে ১৪টি ইউনিয়নে ১১২টি, লৌহজংয়ে ১০টি ইউনিয়নে ৮০টি, টঙ্গিবাড়ীতে ১৩টি ইউনিয়নে ১০৪টি এবং গজারিয়ায় ৮টি ইউনিয়নে ৬৪টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হবে। এসব গভীর নলকূপ স্থাপনের ফলে গ্রামাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্টি নিরাপদ খাবার পানির সুবিধা পাবে। এতে গ্রামীণ জনপদে নিরাপদ পানি সরবরাহের পাশাপাশি পানি বাহিত রোগের ঝুঁকিও কমবে। বিশেষ করে আর্সেনিক প্রবণ এলাকায় আর্সেনিক মুক্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বাসস’কে জানান, যেসব এলাকায় নিরাপদ পানির সংকট রয়েছে, পানির স্তর নীচে নেমে গেছে সেসব স্থানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নলকূপ বরাদ্ধ দেয়া হবে। এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে কমিটির মাধ্যমে স্থান নির্বাচন করা হবে। প্রতিটি নলকূপের গভীরতা হবে প্রায় ৭শ’ ফুট। এসব নলকূপের পানি আর্সেনিক মুক্ত হবে।


প্রিন্ট