কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের কেশবপুর প্রেসক্লাবের যুগ্নআহবায়ক মাহাবুবুর রশীদ সবুজ ও সদস্য সাদেক হোসেনের ওপর হামলা কারীরা নিজেদেরকে আইনের হাত থেকে রক্ষা পেতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরুরী বিভাগে ডাক্তার রেহেনেওয়াজের সহযোগীতায় হাতে ও মাথায় মিথ্যা ব্যান্ডেজ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যার ভিডিও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টির তদন্তের দাবী করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকসহ সুধি মহল।
হাসপাতাল ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার দিকে কেশবপুর প্রেসক্লাবের সদস্যরা, প্রেসক্লাবে অবস্থান করছিলেন। এসময় আব্দুল্যা আল ফুয়াদ, জয়দেব চক্রবর্তি, আশরাফুজ্জামান খান ও জাহিদ হোসেনসহ ১৫/২০ জন বহিরাগত যুবক লাঠি ও লোহার রর্ড নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে প্রেসক্লাবের যুগ্ন আহবায়ক মাহাবুবুর রশীদ সবুজ ও সদস্য সাদেক হোসেনসহ ৫জন গুরুতর আহত হন। এসময় স্থানীয় সাংবাদিকরা তাদেরকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। হামলায় সবুজের বা হাতের একটি আঙ্গুল ভেঙ্গে গিয়ে মারাত্নক ভাবে জখম হন। এছাড়া সাদেক হোসেনের মাথাসহ বুকের পাজড়ে ক্ষত হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানান। আহত দুই ব্যক্তিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে কেশবপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহেনেওয়াজ মোটা অংকের বিনিময়ে সাংবাদিকদের ফাঁসাতে হামলাকারীদের পক্ষনিয়ে তাদের মাথায় ও হাতেসহ বিভিন্ন স্থানে ভ’য়া ব্যান্ডেজ করে দিয়ে মিথ্যা সার্টিফিকেট দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সাংবাদিকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
কেশবপুর হাসপাতালর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহেনেওয়াজ বলেন, ফুয়াদ, জয়দেব চক্রবর্তি ও আশরাফুজ্জামান খানের চাপের মুখে তাদের শরীরে ব্যান্ডেজ করতে আমরা বাধ্য হয়েছি। যা কাম্য ছিলনা। কেশবপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক মাহাবুবুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে তিনি যশোর পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 


















