ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন ভিয়েতনাম জাতের কালো ধান চাষে সফল এক যুবক মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন শিল্পকলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে সেলিম আল দীনের দুই নাটক পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে পিরোজপুর জেলা যুবদলের সমাবেশ ও মিছিল কালিয়াকৈরে যৌতুকের টাকার দাবিতে গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন পরিকল্পিত সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বিদেশে পাঠানোর আশ্বাসে ৫ লাখ টাকা, দালাল হাকিমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ অঘটনের শঙ্কা জাগিয়ে ভারতের কাছে হারলো জাপান

বিদেশে পাঠানোর আশ্বাসে ৫ লাখ টাকা, দালাল হাকিমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

রিপোর্টার: শাফায়েত হোসেন

রাজধানীর মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায় বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে মো. সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাকিম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম জানান, তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর এলাকায়। একই এলাকার বাসিন্দা হাকিমের সঙ্গে বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে তার পরিচয় ও যোগাযোগ হয়। এ সময় হাকিম তাকে বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দেন। হাকিম দাবি করেন, তার বোনজামাই বিদেশে থাকেন এবং বিভিন্ন দেশের ভিসার ব্যবস্থা করতে পারেন।

বিদেশ যাওয়ার আশায় সিরাজুল ইসলাম জমি ও অন্যান্য উৎস থেকে টাকা সংগ্রহ করেন। এমনকি সুদের ওপর টাকা নিয়েও হাকিমের কাছে মোট ৫ লাখ টাকা দেন বলে তার দাবি।

সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পর হাকিম তাকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলতে থাকেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত তিনি টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।

ভুক্তভোগীর আরও দাবি, মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিংসহ বিভিন্ন এলাকার আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও বিদেশে পাঠানোর কথা বলে হাকিম বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়েছেন। তাদের ধারণা, এভাবে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ দাবির স্বাধীন যাচাই এই প্রতিবেদনে করা সম্ভব হয়নি।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদেশে গিয়ে পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন ছিল তার। কিন্তু টাকা দেওয়ার পর বিদেশে যাওয়া তো হয়ইনি, বরং এখন তিনি ঋণের বোঝায় পড়েছেন। সুদের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে তার পরিবারও চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানান তিনি।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, হাকিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন সময় টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাকা ফেরত দেননি। হাকিম বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়েও বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিরাজুল।

সিরাজুল ইসলাম ও তার মা হাওয়া বিবি অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, হাকিমের বিরুদ্ধে তাদের কাছে টাকা লেনদেনের প্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার এবং অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগগুলো তদন্ত করে সাধারণ মানুষের অর্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

হাকিম বক্তব্য পাওয়া গেছে এ প্রতিবেদনের সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য ফোনে কথা বলার চেষ্টা করেন হাকিম কোন কথা বলেননি ফোন কেটে দিয়েছে তাতে বুঝা যায় হাকিম দোশি ।
দ্বিতীয় পর্বে আরো বিস্তারিত


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন

বিদেশে পাঠানোর আশ্বাসে ৫ লাখ টাকা, দালাল হাকিমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ১১:৩০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিপোর্টার: শাফায়েত হোসেন

রাজধানীর মোহাম্মদপুর চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায় বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে মো. সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাকিম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম জানান, তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর এলাকায়। একই এলাকার বাসিন্দা হাকিমের সঙ্গে বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে তার পরিচয় ও যোগাযোগ হয়। এ সময় হাকিম তাকে বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দেন। হাকিম দাবি করেন, তার বোনজামাই বিদেশে থাকেন এবং বিভিন্ন দেশের ভিসার ব্যবস্থা করতে পারেন।

বিদেশ যাওয়ার আশায় সিরাজুল ইসলাম জমি ও অন্যান্য উৎস থেকে টাকা সংগ্রহ করেন। এমনকি সুদের ওপর টাকা নিয়েও হাকিমের কাছে মোট ৫ লাখ টাকা দেন বলে তার দাবি।

সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পর হাকিম তাকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলতে থাকেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত তিনি টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।

ভুক্তভোগীর আরও দাবি, মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিংসহ বিভিন্ন এলাকার আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও বিদেশে পাঠানোর কথা বলে হাকিম বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়েছেন। তাদের ধারণা, এভাবে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ দাবির স্বাধীন যাচাই এই প্রতিবেদনে করা সম্ভব হয়নি।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদেশে গিয়ে পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন ছিল তার। কিন্তু টাকা দেওয়ার পর বিদেশে যাওয়া তো হয়ইনি, বরং এখন তিনি ঋণের বোঝায় পড়েছেন। সুদের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে তার পরিবারও চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে বলে জানান তিনি।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, হাকিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন সময় টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাকা ফেরত দেননি। হাকিম বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়েও বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সিরাজুল।

সিরাজুল ইসলাম ও তার মা হাওয়া বিবি অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, হাকিমের বিরুদ্ধে তাদের কাছে টাকা লেনদেনের প্রমাণ ও অন্যান্য তথ্য রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার এবং অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগগুলো তদন্ত করে সাধারণ মানুষের অর্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

হাকিম বক্তব্য পাওয়া গেছে এ প্রতিবেদনের সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য ফোনে কথা বলার চেষ্টা করেন হাকিম কোন কথা বলেননি ফোন কেটে দিয়েছে তাতে বুঝা যায় হাকিম দোশি ।
দ্বিতীয় পর্বে আরো বিস্তারিত


প্রিন্ট