ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন ভিয়েতনাম জাতের কালো ধান চাষে সফল এক যুবক মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন শিল্পকলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে সেলিম আল দীনের দুই নাটক পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে পিরোজপুর জেলা যুবদলের সমাবেশ ও মিছিল কালিয়াকৈরে যৌতুকের টাকার দাবিতে গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন পরিকল্পিত সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বিদেশে পাঠানোর আশ্বাসে ৫ লাখ টাকা, দালাল হাকিমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ অঘটনের শঙ্কা জাগিয়ে ভারতের কাছে হারলো জাপান

শিল্পকলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে সেলিম আল দীনের দুই নাটক

সীমান্ত, জবি প্রতিনিধি :

আগামী ২৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর মঞ্চস্থ হবে ‘যৌবতী কন্যার মন’ ও ‘ধাবমান’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের আয়োজন, সেলিম আল দীন স্মরণে।

ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে চার দিনব্যাপী মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের দুটি আলোচিত নাটক—‘যৌবতী কন্যার মন’ ও ‘ধাবমান’।

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে নাটক দুটি মঞ্চস্থ হবে। আয়োজকদের প্রকাশিত পোস্টার অনুযায়ী, ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর মঞ্চস্থ হবে সেলিম আল দীনের ‘যৌবতী কন্যার মন’। নাটকটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৭টায়। পরবর্তী দুই দিন ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর মঞ্চস্থ হবে তাঁর আরেক নাটক ‘ধাবমান’।

চার দিনের এই আয়োজনের সবগুলো প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে, ঢাকায়।
আয়োজক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ। পোস্টারে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের একটি উদ্ধৃতিও ব্যবহার করা হয়েছে,

“এই আমাদের দেশ
আমার কিছু নাই
আমি শূন্যে ভাসমান
গঠিত হই শূন্যে মিলায়”—

যা আয়োজনটির সঙ্গে তাঁর নাট্যভাবনার একটি আবহ তৈরি করেছে।নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মঞ্চচর্চা, অভিনয় ও প্রযোজনাকেন্দ্রিক কাজের অংশ হিসেবে এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে পরপর চার দিন সেলিম আল দীনের দুটি নাটক প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে দর্শকদের সামনে তাঁর নাট্যরচনা নতুনভাবে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করে; বর্তমানে বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক পরিসর হিসেবে কাজ করছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন

শিল্পকলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে সেলিম আল দীনের দুই নাটক

আপডেট টাইম : ১১:৪২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সীমান্ত, জবি প্রতিনিধি :

আগামী ২৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর মঞ্চস্থ হবে ‘যৌবতী কন্যার মন’ ও ‘ধাবমান’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের আয়োজন, সেলিম আল দীন স্মরণে।

ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে চার দিনব্যাপী মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের দুটি আলোচিত নাটক—‘যৌবতী কন্যার মন’ ও ‘ধাবমান’।

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে নাটক দুটি মঞ্চস্থ হবে। আয়োজকদের প্রকাশিত পোস্টার অনুযায়ী, ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর মঞ্চস্থ হবে সেলিম আল দীনের ‘যৌবতী কন্যার মন’। নাটকটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৭টায়। পরবর্তী দুই দিন ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর মঞ্চস্থ হবে তাঁর আরেক নাটক ‘ধাবমান’।

চার দিনের এই আয়োজনের সবগুলো প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে, ঢাকায়।
আয়োজক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ। পোস্টারে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের একটি উদ্ধৃতিও ব্যবহার করা হয়েছে,

“এই আমাদের দেশ
আমার কিছু নাই
আমি শূন্যে ভাসমান
গঠিত হই শূন্যে মিলায়”—

যা আয়োজনটির সঙ্গে তাঁর নাট্যভাবনার একটি আবহ তৈরি করেছে।নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মঞ্চচর্চা, অভিনয় ও প্রযোজনাকেন্দ্রিক কাজের অংশ হিসেবে এ ধরনের আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে পরপর চার দিন সেলিম আল দীনের দুটি নাটক প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে দর্শকদের সামনে তাঁর নাট্যরচনা নতুনভাবে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগ ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করে; বর্তমানে বিভাগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক পরিসর হিসেবে কাজ করছে।


প্রিন্ট