শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ::
সিটিজেন নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা আগ্রহী আমাদের ই-মেইলে সিভি পাঠান
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি নির্দেশনা সংস্কৃতির সব প্রকাশ যেন নির্বিঘ্ন হয়: ছায়ানট সভাপতি নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে। ডিসি ইলিয়াসকে বদলী করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে সুনামগঞ্জে মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল রাজিহারে ঈদগাহ মাঠ সংস্কার কাজের উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র সুযোগের অপেক্ষায়, সবার সতর্ক থাকা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরের বিরামপুরে বিষ প্রয়োগে ধান নষ্টের অভিযোগ: তিন বছরেও মেলেনি প্রতিকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সাথে বিডব্লিউজেএফ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে দেশের ক্রিকেট উন্মাদনা শুরু হচ্ছে কাল

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৭৮ বার পঠিত

 

ক্রীড়া ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ছয় মাস পর বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে আবারো দেশে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ফিরতে যাচ্ছে।
আগামীকাল থেকে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন দলকে নিয়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পথচলা শুরু হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে মাহমুদুল্লাহ একাদশ ও নাজমুল একাদশ।

ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে । বিসিবি ফেসবুক পেইজে ম্যাচ উপভোগ করা যাবে। বিসিবির ফেসবুকে সরাসরি ম্যাচগুলো দেখা যাবে।
মহামারীর কারনে গত মার্চ থেকে দেশের ক্রিকেট বন্ধ হয়ে পড়ে। ক্রিকেটকে মাঠে ফেরাতে এটি বিসিবির ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি অংশ।
টুর্নামেন্টটি বর্তমান পরিস্থিতিতে শীর্ষস্থানীয় এবং তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য এটি প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের ভালো সুযোগ দিবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন দলকে নেতৃত্ব দিবেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, নাজমুল হোসেন শান্ত ও তামিম ইকবাল খান।
তিনটি দলই একে অপরের বিপক্ষে দু’বার করে খেলবে। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দু’দল আগামী ২৩ অক্টোবর ফাইনালে লড়বে। সবগুলো ম্যাচই মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ও দিবা-রাত্রিতে অনুষ্ঠিত হবে।
সর্বমোট ১শ জন, খেলোয়াড়-সাপোর্ট স্টাফ-ম্যাচ কর্মকর্তা এবং কর্মীরা টুর্নামেন্টের সাথে জড়িত থাকবেন। তাদের সকলেরই করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং তাদের সকলেরই করোনা নেগেটিভ আসে।
কোভিড-১৯ এর স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার মান নিশ্চিত করার জন্য, তাদের সকলকে ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের জন্য জৈব-সুরক্ষা পরিবেশে রাখা হয়েছে।

এই টুর্নামেন্টেটি লিস্ট ‘এ’র মর্যাদা পাচ্ছে না, এমনকি প্রতি বছরই এমন আসর আয়োজন করবে না বিসিবি।
বিসিবি প্রধান নির্বাহি নিজাম উদ্দিন চৌধুরি বলেন, ‘খেলোয়াড়দের ম্যাচ অনুশীলন করার সুযোগ দেয়ার জন্য এই টুর্নামেন্ট এবং আমরা প্রতিবছর এটি আয়োজন করবো না। আইসিসির তালিকার এটির মর্যাদার জন্য আমরা আবেদন করিনি।’
যেহেতু এটি লিস্ট ‘এ’ টুর্নামেন্ট নয়, তাই খেলোয়াড়দের প্রোফাইলে এসব ম্যাচের পরিসংখ্যান যুক্ত হবে না। তারপরও এই টুর্নামেন্ট সকলে খুবই গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে।
টুর্নামেন্টের এক দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমরা টুর্নামেন্ট থেকে অনেক কিছুই অর্জন করতে পারি। তবে নতুন খেলোয়াড়দের জন্য এটি বড় প্লাটফর্ম।’
এই টুর্নামেন্টে অনেক তরুন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন। বিশেষভাবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের, যারা সিনিয়র ও তাদের আর্দশদের সাথে খেলার সুযোগ পেয়েছেন।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য তানজিদ হাসান তামিম বলেন, ‘টুর্নামেন্টের মাধ্যমে সিনিয়দের সাথে ড্রেসিংরুমে ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবো। তামিম ইকবাল আমার আদর্শ, তার সাথে খেলাটা আমার জন্য বিশেষ কিছু।

তামিম বলেন, টুর্নামেন্টে মর্যাদার না থাকলেও খেলোয়াড়রা গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, এটি সবার জন্য একটি ভাল সুযোগ। কিছু খেলোয়াড়দের জন্য দারুন সুযোগ, আন্তর্জাতিক এবং অন্যদের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত করার একটি টুর্নামেন্ট। কিছু খেলোয়াড়দের জন্য এটি জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাটক করার প্লাটফর্ম। আমরা বাংলাদেশের জন্য যেভাবে খেলি, সেভাবেই আমরা এখানেও সেভাবে খেলবো।

বিসিবির প্রধান নির্বাহি নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চ্যাম্পিয়ন্স এবং রানার্স-আপ দলের পাশাপাশি ম্যান-অফ-ম্যাচ এবং টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়দের জন্যও আকর্ষণীয় পুরষ্কার থাকবে।
অন্য একটি দলের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বলেন, আমরা ট্রফির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। কারন এটি মর্যাদাপূর্ণ লড়াই।

তিনি আরও যোগ করে বলেন, এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করে বিসিবি ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা আশা করি, ট্রফি জিততে পারবো। আমরা একটি ভালো দল পেয়েছি এবং ভারসাম্যপূর্ণ দল পেয়েছি।
দীর্ঘদিন ধরেই আমরা ক্রিকেটের বাইরে আছি। তাই এ ধরনের প্রতিযোগিতা আমাদের জন্য ভালো হবে।’
টুর্নামেন্টের আরেক দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, টুর্নামেন্টে নিয়ে তারা খুবই উচ্ছসিত ও শিরোপা জয়ই প্রধান লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের দলে মুশফিকুর রহিমের মত খেলোয়াড় পেয়েছি এবং আমরা জানি, সে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আশা করি, আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারবো।

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে দেশের ক্রিকেট উন্মাদনা শুরু হচ্ছে কাল

ক্রীড়া ডেস্ক: করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ছয় মাস পর বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে আবারো দেশে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ফিরতে যাচ্ছে।
আগামীকাল থেকে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন দলকে নিয়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পথচলা শুরু হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে মাহমুদুল্লাহ একাদশ ও নাজমুল একাদশ।

ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে । বিসিবি ফেসবুক পেইজে ম্যাচ উপভোগ করা যাবে। বিসিবির ফেসবুকে সরাসরি ম্যাচগুলো দেখা যাবে।
মহামারীর কারনে গত মার্চ থেকে দেশের ক্রিকেট বন্ধ হয়ে পড়ে। ক্রিকেটকে মাঠে ফেরাতে এটি বিসিবির ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি অংশ।
টুর্নামেন্টটি বর্তমান পরিস্থিতিতে শীর্ষস্থানীয় এবং তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য এটি প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের ভালো সুযোগ দিবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিন দলকে নেতৃত্ব দিবেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, নাজমুল হোসেন শান্ত ও তামিম ইকবাল খান।
তিনটি দলই একে অপরের বিপক্ষে দু’বার করে খেলবে। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দু’দল আগামী ২৩ অক্টোবর ফাইনালে লড়বে। সবগুলো ম্যাচই মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ও দিবা-রাত্রিতে অনুষ্ঠিত হবে।
সর্বমোট ১শ জন, খেলোয়াড়-সাপোর্ট স্টাফ-ম্যাচ কর্মকর্তা এবং কর্মীরা টুর্নামেন্টের সাথে জড়িত থাকবেন। তাদের সকলেরই করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং তাদের সকলেরই করোনা নেগেটিভ আসে।
কোভিড-১৯ এর স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার মান নিশ্চিত করার জন্য, তাদের সকলকে ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের জন্য জৈব-সুরক্ষা পরিবেশে রাখা হয়েছে।

এই টুর্নামেন্টেটি লিস্ট ‘এ’র মর্যাদা পাচ্ছে না, এমনকি প্রতি বছরই এমন আসর আয়োজন করবে না বিসিবি।
বিসিবি প্রধান নির্বাহি নিজাম উদ্দিন চৌধুরি বলেন, ‘খেলোয়াড়দের ম্যাচ অনুশীলন করার সুযোগ দেয়ার জন্য এই টুর্নামেন্ট এবং আমরা প্রতিবছর এটি আয়োজন করবো না। আইসিসির তালিকার এটির মর্যাদার জন্য আমরা আবেদন করিনি।’
যেহেতু এটি লিস্ট ‘এ’ টুর্নামেন্ট নয়, তাই খেলোয়াড়দের প্রোফাইলে এসব ম্যাচের পরিসংখ্যান যুক্ত হবে না। তারপরও এই টুর্নামেন্ট সকলে খুবই গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে।
টুর্নামেন্টের এক দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমরা টুর্নামেন্ট থেকে অনেক কিছুই অর্জন করতে পারি। তবে নতুন খেলোয়াড়দের জন্য এটি বড় প্লাটফর্ম।’
এই টুর্নামেন্টে অনেক তরুন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন। বিশেষভাবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের, যারা সিনিয়র ও তাদের আর্দশদের সাথে খেলার সুযোগ পেয়েছেন।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য তানজিদ হাসান তামিম বলেন, ‘টুর্নামেন্টের মাধ্যমে সিনিয়দের সাথে ড্রেসিংরুমে ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবো। তামিম ইকবাল আমার আদর্শ, তার সাথে খেলাটা আমার জন্য বিশেষ কিছু।

তামিম বলেন, টুর্নামেন্টে মর্যাদার না থাকলেও খেলোয়াড়রা গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, এটি সবার জন্য একটি ভাল সুযোগ। কিছু খেলোয়াড়দের জন্য দারুন সুযোগ, আন্তর্জাতিক এবং অন্যদের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুত করার একটি টুর্নামেন্ট। কিছু খেলোয়াড়দের জন্য এটি জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাটক করার প্লাটফর্ম। আমরা বাংলাদেশের জন্য যেভাবে খেলি, সেভাবেই আমরা এখানেও সেভাবে খেলবো।

বিসিবির প্রধান নির্বাহি নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চ্যাম্পিয়ন্স এবং রানার্স-আপ দলের পাশাপাশি ম্যান-অফ-ম্যাচ এবং টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়দের জন্যও আকর্ষণীয় পুরষ্কার থাকবে।
অন্য একটি দলের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বলেন, আমরা ট্রফির জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। কারন এটি মর্যাদাপূর্ণ লড়াই।

তিনি আরও যোগ করে বলেন, এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করে বিসিবি ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। মাহমুদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা আশা করি, ট্রফি জিততে পারবো। আমরা একটি ভালো দল পেয়েছি এবং ভারসাম্যপূর্ণ দল পেয়েছি।
দীর্ঘদিন ধরেই আমরা ক্রিকেটের বাইরে আছি। তাই এ ধরনের প্রতিযোগিতা আমাদের জন্য ভালো হবে।’
টুর্নামেন্টের আরেক দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, টুর্নামেন্টে নিয়ে তারা খুবই উচ্ছসিত ও শিরোপা জয়ই প্রধান লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের দলে মুশফিকুর রহিমের মত খেলোয়াড় পেয়েছি এবং আমরা জানি, সে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আশা করি, আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আনতে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শেষ করেছে সংস্থাটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারযোগ্য করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন নিয়ম আসতে যাচ্ছে। এই অ্যাপ মূলত একটি ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মতো কাজ করবে। ব্যবহারকারীরা এতে পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র আপলোড করে নিজেদের বয়স যাচাই করতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারকারীর জন্মতারিখ বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি দেখতে পারবে না। শুধু নির্দিষ্ট বয়সসীমার ওপরে বা নিচে আছেন কি না এই তথ্যই জানানো হবে। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালু হলে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আর বয়স যাচাই নিয়ে অজুহাত দেখাতে পারবে না। কারণ একটি কেন্দ্রীয় সমাধানই তাদের সামনে থাকবে। এতে প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের চাপও কমবে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে, যাতে তারা কম বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য আরও কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করে। এরই মধ্যে কিছু দেশ কড়া পদক্ষেপও নিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যেও বয়স যাচাই ও অভিভাবকের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার আইন পাস হয়েছে। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বয়স যাচাই ব্যবস্থার বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের মতে, ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করলে গোপনীয়তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বিশেষ করে অ্যাপ স্টোর বা প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য সংরক্ষণ করতে হলে তা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নতুন অ্যাপটি একটি বিকল্প সমাধান হিসেবে সামনে আসছে। এতে ব্যবহারকারীর তথ্য সরাসরি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়বে না। বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই সম্পন্ন হবে। ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, অ্যাপটি প্রযুক্তিগতভাবে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সদস্য দেশগুলো নিজেদের আইন অনুযায়ী অ্যাপটি কাস্টমাইজ করতে পারবে। ইউরোপের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে। নতুন অ্যাপটি ব্যবহার বাধ্যতামূলক না হলেও বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করলে সেটি সমান কার্যকর প্রমাণ করতে হবে। তা না হলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ সফল হলে অনলাইন নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের একটি নতুন মানদণ্ডও তৈরি হতে পারে।

© All rights reserved  2019 CitizenNews24
Theme Developed BY ThemesBazar.Com