ক্রীড়া ডেস্ক: বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের সম্মান রক্ষা করাই পাকিস্তানের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বলে জানিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সভাপতি মহসিন নাকভি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পেশোয়ারে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আইসিসির সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়কে তারা প্রাধান্য দেননি।
নাকভি বলেন,’আমরা আইসিসির সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে কথা বলিনি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের সম্মান নিশ্চিত করা এবং তাদের সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছে, তা বিশ্ব ক্রিকেটের সামনে তুলে ধরা।’
পিসিবি সভাপতি দাবি করেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে যেসব দাবি তোলা হয়েছিল, সেগুলোর সবই মেনে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আইসিসি যখন বাংলাদেশের উদ্বেগকে স্বীকৃতি দেয় এবং তাদের ওপর কোনো ধরনের জরিমানা আরোপ না করার নিশ্চয়তা দেয়, তখনই পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচটি খেলার অনুমতি দেয়।
এর আগে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। তবে আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে। এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে পাকিস্তান। বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয় তারা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে আইসিসি কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে। শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করে। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলামও পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ জানান। পরে বিসিবি ও পিসিবির সঙ্গে বৈঠক করে আইসিসির প্রতিনিধি দল।
এদিকে আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হবে না। পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্ব পাবে।