প্রথম চার ম্যাচ শেষে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-২ সমতা বিরাজ করছে। তাই সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটি অঘোষিত ফাইনালে রূপ নিয়েছে। সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টি খেলতে নামছে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। পরের ম্যাচ ৬৮ রানে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় নিউজিল্যান্ড।
জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে তৃতীয় ম্যাচেই লিড নেয় নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় ম্যাচ ৮ উইকেটে জিতে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। চতুর্থ ম্যাচ ১৯ রানে জিতে সিরিজে ২-২ সমতা ফিরিয়ে টিকে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা।
পঞ্চম ও শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার। নিউজিল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জিমি নিশাম বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য সিরিজ জয়। শেষ ম্যাচ জিতে আমরা সিরিজ জিততে চাই। তিন বিভাগে ভাল খেলতে পারলে সিরিজ জয় সম্ভব।’
সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়েছেন নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। রোটেশন পদ্ধতির কারণে শেষ দুই ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া হয় টম লাথামকে। চতুর্থ ম্যাচের আগে ব্যাটিং অনুশীলনে বৃদ্ধাঙ্গুলিতে চোট পান লাথাম। তাই চতুর্থ ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। ফলে ঐ ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেন নিশাম।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদি দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক কেশব মহারাজ। তিনি বলেন, ‘সিরিজে পিছিয়ে পড়েও আমরা দারুনভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। সিরিজ জিততে হলে শেষ ম্যাচে তিন বিভাগেই পারফরমেন্স করতে হবে। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদি।’
এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ২৪বার মুখোমুখি হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। এরমধ্যে প্রোটিয়ারা ১৪টিতে এবং কিউইরা ১০টিতে জিতেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা দল : কেশব মহারাজ (অধিনায়ক), ওটনিল বার্টম্যান, উইয়ান মুল্ডার, জেরাল্ড কোয়েৎজি, টনি ডি জর্জি, কনর এস্তেহুইজেন, ডিয়ান ফরেস্টার, জর্ডান হার্মান, রুবিন হার্মান, জিওর্জি লিন্ডে, এনকোবানি মোকোয়েনা, আন্ডিলে সিমেলেন, লুথো সিপামলা, প্রেনেলান সুব্রায়েন ও জেসন স্মিথ।
নিউজিল্যান্ড দল : জিমি নিশাম (অধিনায়ক), টম ব্লান্ডেল, জস ক্লার্কসন, ডেভন কনওয়ে, লোকি ফার্গুসন, জ্যাক ফৌকস, বেভন জ্যাকবস, কাইল জেমিসন, নিকি বেলি, কোল ম্যাককোঞ্চি, টিম রবিনসন, বেন সিয়ার্স, ন্যাথান স্মিথ ও ইশ সোদি।